Author name: লিলবর আল-বারাদী

আক্বীদা ইসলামিয়াহ

العقيدة ১- আহলেহাদীছগণ (১) আল্লাহর উপরে (২) তাঁর ফিরিশতাগণের উপরে (৩) আল্লাহ প্রেরিত কিতাব সমূহের উপরে (৪) রাসূলগণের উপরে (৫) বিচার দিবসের উপরে এবং (৬) তাক্বদীরের ভাল-মন্দের উপরে ঈমান পোষণ করেন। ব্যাখ্যা: (১) আল্লাহর উপর ঈমান : পারিভাষিক অর্থে আহলেহাদীছের নিকটে ‘ঈমান’ হ’ল হৃদয়ে বিশ্বাস, মুখে স্বীকৃতি ও কর্মে বাস্তবায়নের সমন্বিত নাম। যা আনুগত্যে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ও গোনাহে হরাসপ্রাপ্ত হয়। বিশ্বাস ও স্বীকৃতি হ’ল মূল এবং কর্ম হ’ল শাখা।[اَلْإِيْمَانُ هُوَ التَّصْدِيْقُ بِالْجَنَانِ وَالْإِقْرَارُ بِاللِّسَانِ وَالْعَمَلُ بِالْأَرْكَانِ، يَزِيْدُ بِالطَّاعَةِ وَيَنْقُصُ بِالْمَعْصِيَّةِ، اَلْإِيْمَانُ هُوَ الْأَصْلُ وَالْعَمَلُ هُوَ الْفَرْعُ- ] যেটা না […]

আক্বীদা ইসলামিয়াহ বিস্তারিত পডুন »

মুমিনের গুণাবলী

 –প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব إِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ آمَنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوْا وَجَاهَدُوْا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيْلِ اللهِ أُولَئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ- (سورت الحجرات ১৫)- ‘প্রকৃত মুমিন তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। অতঃপর তাতে কোনরূপ সন্দেহ পোষণ করে না এবং তাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। বস্ত্ততঃপক্ষে তারাই হ’ল সত্যনিষ্ঠ’ (হুজুরাত ৪৯/১৫)। অত্র আয়াতে প্রকৃত মুমিনের দু’টি গুণ বর্ণিত হয়েছে। ১. সন্দেহমুক্ত দৃঢ় ঈমান এবং ২. আল্লাহর পথে সংগ্রাম ও সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত ঈমানের প্রমাণ

মুমিনের গুণাবলী বিস্তারিত পডুন »

কোয়ান্টাম মেথড : শয়তানের পাতানো ফাঁদ

মানুষকেআল্লাহর ইবাদত থেকে ফিরিয়ে কথিত অন্তর্গুরুর ইবাদতে লিপ্ত করার অভিনব প্রতারণার নাম হ’ল কোয়ান্টাম মেথড। হাযার বছর পূর্বে ফেলে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান পাদ্রী ও যোগী-সন্ন্যাসীদের যোগ-সাধনার আধুনিক কলা-কৌশলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেডিটেশন’। হতাশাগ্রস্ত মানুষকে সাময়িক প্রশান্তির সাগরে ভাসিয়ে এক কল্পিত দেহভ্রমণের নাম দেওয়া হয়েছে Science of Living বা জীবন-যাপনের বিজ্ঞান। আকর্ষণীয় কথার ফুলঝুরিতে ভুলে টাকাওয়ালা সাধারণ শিক্ষিত মানুষেরা এদের প্রতারণার ফাঁদে নিজেদেরকে সঁপে দিচ্ছেন অবলীলাক্রমে। ব্যয় করছেন কথিত ধ্যানের পিছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ঢেলে দিচ্ছেন হাযার হাযার টাকা। অথচ একটা রঙিন স্বপ্ন ছাড়া তাদের ভাগ্যে কিছুই

কোয়ান্টাম মেথড : শয়তানের পাতানো ফাঁদ বিস্তারিত পডুন »

মৃত্যুর পূর্বে আত্মাকে কলুষমুক্ত করার উপায় সমূহ

 – প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا- وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا- (الشمس 9-10) ‘সফল হয় সেই ব্যক্তি যে তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে’। ‘এবং ব্যর্থ হয় সেই ব্যক্তি যে তার আত্মাকে কলুষিত করে’ (শাম্স ৯১/৯-১০)। ইতিপূর্বে বর্ণিত সূর্য, চন্দ্র, দিবস, রাত্রি, আকাশ, পৃথিবী ও মানুষসহ আটটি সৃষ্টবস্ত্তর শপথ করার পর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ উপরোক্ত কথা বলেছেন। এর দ্বারা তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, পবিত্র আত্মার লোকেরাই পৃথিবীতে সফলকাম এবং কলুষিত আত্মার লোকেরা সর্বদা ব্যর্থকাম। তাদের বাহ্যিক পোষাক-পরিচ্ছদ যতই পবিত্র হৌক এবং সামাজিক মর্যাদা

মৃত্যুর পূর্বে আত্মাকে কলুষমুক্ত করার উপায় সমূহ বিস্তারিত পডুন »

শিয়ারা কেন কাফের ?

আমি আগে অনেকবার হিজবুল্লাহর নাম শুনেছি। যে দল নাকি ঈসরাইলকে লেবাননে পরাজিত করেছিল। তখন থেকে আমি হিজবুল্লাহর প্রতি খুব আকৃষ্ট ছিলাম কিন্তু ইদানিং যখন সিরিয়ায় সরকার হঠানোর যুদ্ধ শুরু হল, তখন হিজবুল্লাহর আসল চেহারা দেখতে পেলাম। হিজবুল্লাহ কমিউনিস্ট আসাদের পক্ষ নিয়ে মুসলমানদেরকে খুবই নির্মম ভাবে হত্যা করছে। নিচে আমি হিজবুল্লাহ এবং শিয়ারা কেন কাফের তা বর্ণনা করেছি। যারা শিয়াকে মুসলমান বলে দাবি করেন বা মুসলমান ভাই বলেন তাদেরকে নোটটি ভাল ভাবে পড়ার জোর অনুরোধ করছি– শিয়াদেরকে রাফেজীও বলা হয়। কারো মতে শিয়া বা রাফেজীরা ২০

শিয়ারা কেন কাফের ? বিস্তারিত পডুন »

উৎসবের নামে অশ্লীলতা : ইসলামী দৃষ্টিকোণ

— লিলবর আল-বারাদী— বর্তমান নানা প্রকার উৎসবে সমাজে দায়-দায়িত্বহীন অবাধ অবৈধ যৌনতার প্রসার ঘটে এবং বিবাহ নামক পবিত্র দায়িত্বপূর্ণ সামাজিক বন্ধনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বৈধ যৌন সম্পর্কের প্রতি মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আধুনিক প্রগতির নামে যুবক যুবতীরা নতুনত্ব খুজে। ফলে মানব সমাজ ও সভ্যতা ধীরে ধীরে দায়-দায়িত্বহীন অসভ্য-বর্বর পাশবিক সমাজের দিক দ্রুত ধাবিত হয়। ফলে মনুষত্ব হারিয়ে পশুত্ব বরণ করে নেয়। ফলে পারিবারিক ও সামাজিক পবিত্র বন্ধন শিথীল হয়ে যায় এবং নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বাঁধাহীন অশ্লীলতা মারাত্মক সয়লাবে কলুষিত সমাজে ধর্ষণ, পরকীয়া,

উৎসবের নামে অশ্লীলতা : ইসলামী দৃষ্টিকোণ বিস্তারিত পডুন »

মদ, জুয়া, বেদী, ভাগ্য নির্ধারক শর নিষিদ্ধ বস্তু

-মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল–গালিব يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ- إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَن يُوْقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاء فِيْ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ اللهِ وَعَنِ الصَّلاَةِ فَهَلْ أَنْتُم مُّنْتَهُوْنَ- আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, পূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ধারক শর সমূহ শয়তানের নাপাক কর্ম বৈ কিছুই নয়। অতএব এগুলো থেকে বিরত হও। তাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’। ‘শয়তান তো কেবল চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে পরস্পরে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহর স্মরণ

মদ, জুয়া, বেদী, ভাগ্য নির্ধারক শর নিষিদ্ধ বস্তু বিস্তারিত পডুন »

মাযহাবের পরিচয়–

(সংকলিত) ‘মাযহাব’ (مذهب) শব্দের অর্থ মত, পথ, মতবাদ, আদর্শ, বিশ্বাস ইত্যাদি। পরিভাষায় মাযহাব বলতে আক্বীদা, ফিক্বহ, উছূলে ফিক্বহ, ইলমে হাদীছ, আরবী সাহিত্য ও অন্যান্য শারঈ বিষয়ে কোন বিদ্বানের অভিমতকে বুঝায়। এ মাযহাব হ’ল দ্বীন ইসলামের মধ্যে নতুন সংযোজন। চতুর্থ হিজরীর পূর্বে যার কোন অস্তিত্ব ছিল না। ভারতগুরু নামে খ্যাত বিশিষ্ট হানাফী আলেম শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী (রহঃ) তাঁর জগদ্বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা’–তে অকপটেই স্বীকার করেছেন যে, ‘চতুর্থ হিজরীর পূর্বে লোকেরা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাযহাবের মুক্বাল্লিদ ছিলেন না’।[1] যেহেতু রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈনে এযামের কোন

মাযহাবের পরিচয়– বিস্তারিত পডুন »

Scroll to Top