কুরআন-সুন্নাহ ও বিজ্ঞান

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা

আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সাজ্দাহয় পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ […]

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা

সূর্য ধীরে ধীরে আলো হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়া বা নিভে যাওয়ার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং আধুনিক বিজ্ঞানের তথ্যের সাথে বিস্ময়করভাবে মিলে যায়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাকবীরে মহান আল্লাহ এর স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন: “যখন সূর্য তার আলো হারাবে (বা গুটিয়ে নেওয়া হবে)।” (সূরা আত-তাকবীর: ১) এখানে আরবি ‘কুয়্যিরাত’ (Kuwwirat) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে ‘পেঁচানো’ বা ‘গুটিয়ে নেওয়া’ (যেমন মাথার পাগড়ি গোল করে পেঁচানো হয়)। এটি নির্দেশ করে যে, সূর্য একসময় তার চারপাশের বিশাল আলোকচ্ছটা

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব

একজন নাস্তিক প্রশ্ন করেন : আদম (আঃ) কী হওয়া (আঃ)-কে বিবাহ করেছিলেন? উনার এই প্রশ্নের জবাবে হযরত হাওয়া (আঃ) কখন ও কীভাবে আদম (আঃ)-এর স্ত্রী হলেন সেই উত্তর দলিলসহ প্রবন্ধাকারে অবতারণা করা হলো- আল্লাহ এই ধরণীতে মাটি থেকে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করেন এবং তারপর তা থেকে ক্রমশঃ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই মানব জাতি। মহান আল্লাহর ভাষায়,يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوْبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوْا   ‘হে মানবমন্ডলী! আমরা তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। আর তোমাদেরকে বিভিন্ন বংশ ও

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব বিস্তারিত পডুন »

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদুল হারামের মধ্যে অবস্থিত একটি পবিত্র ও ঐতিহাসিক কুয়া, যা প্রায় ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম পানি সরবরাহ করে আসছে এবং এর পানিকে মুসলিমরা বরকতময় ও রোগমুক্তির জন্য উপকারী মনে করে, যা হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নবী ইব্রাহিম (আ.) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেভাবে যমযম কূপের সূচনা : যমযম কূপ কীভাবে সৃষ্টি হয় সেই ইতিহাস বলতে গিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা বিস্তারিত পডুন »

স্বামীর আনুগত্য

দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি হল একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি সদা অনুগত থাকবে। শারঈ নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহলে দুনিয়া ও আখেরাতে জীবন হবে সুখোময়। আল্লাহ স্বামীকে পরিবার প্রধান বানিয়েছেন, পরিবারের পরিচালনা ও দায় তার উপরেই ন্যস্ত করেছেন। আর স্ত্রীকে বানিয়েছে সহকর্মী, সহযোগী। তাই স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর একান্ত কর্তব্য। আর এ কর্তব্য পালনে সম্মান-অসম্মানের কিছু নেই। স্ত্রীদের জন্য জান্নাত অতিব সহজলভ্য যদি ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا

স্বামীর আনুগত্য বিস্তারিত পডুন »

আঙ্গুলের ছাপ সম্পর্কে অজানা তথ্য

ধীরে ধীরে স্বাক্ষরতা তথা লেখার প্রচলন উঠে যাবে এবং স্বাক্ষরের পরিবর্তে ফিঙ্গার প্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপের প্রচলন শুরু হবে। কেননা বর্তমান এআই-এর যুগে স্বাক্ষর নকল করা অতিব সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু আঙ্গুলের ছাপ নকল করা অসম্ভব হবে। কেননা প্রত্যেক ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ আলাদা আলাদা ভাবে সনাক্ত করা হয়। কারো সাথে কারু মিল পাওয়া যায় না এবং কিয়ামত পর্যন্ত যাবেও না। আঙ্গুলের ছাপ কি ? আঙ্গুলের ছাপ হল আঙ্গুলের ছাপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য। যা কোন কঠিন পদার্থ আঙ্গুলের মাধ্যমে স্পর্শ করলে সৃষ্ট হয়। মানুষের ত্বকের ‘eccrine

আঙ্গুলের ছাপ সম্পর্কে অজানা তথ্য বিস্তারিত পডুন »

তাহাজ্জুদ ও তারাবীহর ছালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য

ফরয ছালাতের পরে সর্বোত্তম ছালাত হ’ল ‘ছালাতুল লায়িল’। ‘ছালাতুল লায়িল’ বলতে রাতের বিশেষ নফল ছালাত তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ বুঝানো হয়েছে। রামাযান মাসে রাতের প্রথমাংশে এশার পরে তারাবীহ এবং রামাযানের বাহিরে রাতের এক তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদ ছালাত আদায় করা হয়। হযরত আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিন রাকা‘আত বিতরসহ তাহাজ্জুদ ও তারাবীহর ছালাত মোট এগার রাকা‘আত।১।  ১. তাহাজ্জুদ ছালাতের পরিচয় : ‘ছালাতুল লায়িল’ বা রাতের বিশেষ নফল ছালাতকে তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ বলা হয়। তাহাজ্জুদ : মূল ধাতু   هُجُوْدٌ (হুজূদুন) অর্থ : রাতে ঘুমানো বা ঘুম থেকে উঠা। সেখান থেকে 

তাহাজ্জুদ ও তারাবীহর ছালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য বিস্তারিত পডুন »

কুরআন মুমিনের জন্য সাদাকাহ

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানার্জন। এর কোন বয়স বা সময়সীমা নেই। জীবনের দীর্ঘ সময় এ পথে ব্যয় করতে হবে। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জ্ঞানার্জন করতে হবে। তবেই জ্ঞানের সকল শাখায় বিচরণ করা সম্ভব হবে এবং পরিপক্ক জ্ঞানী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে। হাসান বিন মানছূর আল-জাসসাস বলেন, আমি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কত বছর পর্যন্ত একজন মানুষ লেখা পড়া শিখবে? তিনি বললেন, মৃত্যু পর্যন্ত’।(ত্বাবাকাতুল হানাবিলাহ ১/১৪০ পৃ.।) আর সমাজে নেতৃত্ব দিতে হ’লে সর্বপ্রথম জ্ঞানার্জন করা আবশ্যক। ওমর (রাঃ) বলেন, تَفَقَّهُوْا

কুরআন মুমিনের জন্য সাদাকাহ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top