সকল কাজ নিয়াতের উপর নির্ভরশীল

নিয়াত অর্থ মনন করা, মনে মনে সংকল্প বা ইচ্ছা পোষণ করা। ইহা এমন একটি অদৃশ্য বিষয় যা কেবল কোন ব্যক্তির ক্বলব বা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে। মানুষ যেমন ইচ্ছা করবে তার প্রতিদানও অনুরূপ হবে। আল্লাহ তা‘আলা যখন বিচারের মাঠে বান্দার আমলের বিচার করবেন, তখন তিনি এই নিয়াতের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিচার কার্য পরিচালনা করবেন। নিয়াত হ’ল কর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে,  إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللهِ وَرَسُولِهِ […]

সকল কাজ নিয়াতের উপর নির্ভরশীল বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা

আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সাজ্দাহয় পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা

সূর্য ধীরে ধীরে আলো হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়া বা নিভে যাওয়ার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং আধুনিক বিজ্ঞানের তথ্যের সাথে বিস্ময়করভাবে মিলে যায়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাকবীরে মহান আল্লাহ এর স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন: “যখন সূর্য তার আলো হারাবে (বা গুটিয়ে নেওয়া হবে)।” (সূরা আত-তাকবীর: ১) এখানে আরবি ‘কুয়্যিরাত’ (Kuwwirat) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে ‘পেঁচানো’ বা ‘গুটিয়ে নেওয়া’ (যেমন মাথার পাগড়ি গোল করে পেঁচানো হয়)। এটি নির্দেশ করে যে, সূর্য একসময় তার চারপাশের বিশাল আলোকচ্ছটা

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান

বান্দার প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সকল রহমত ও কল্যাণ নাযিল হয়, আর তা হলো- বারাকাহ। বারাকাহর ব্যাপক অর্থ হলেও সৎ আমল করার জন্য যোগ্যতা সমচেয়ে উত্তর বারাকাহ। সৎ আমল করার পূর্বে যা অর্জন করতে হয় তা হলো- ঈমান, ইলম ও দ্বীনের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সুস্থ্যতা, পবিত্র সম্পদ ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন, ঈমান, ইলমের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সম্পদ, হায়াত প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার উপযুক্ততা বা ধারন ক্ষমতানুসারে রূহ জগতে বণ্টন করে দিয়েছেন। আর এগুলো প্রাপ্তি রিযিক এবং বৃদ্ধি হওয়াকে বারাকাহ বলে।  আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنْ ذَا

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান বিস্তারিত পডুন »

প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন জাহান্নামী : একটি পর্যালোচনা

আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টিকুলের তাক্বদীর লিখিত করে রেখেছেন। আর ফায়সালাতে এ কথা নির্ধারিত হয়ে আছে যে, কিছু মানুষ জান্নাত ও কিছু মানুষ জাহান্নামের অধিকারী হবে এবং জান্নাত ও জাহান্নামকে মানুষ ও জীন দ্বারা পরিপূর্ণ করা হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, اِلَّا مَنۡ رَّحِمَ رَبُّكَ ؕ وَ لِذٰلِكَ خَلَقَهُمۡ ؕ وَ تَمَّتۡ كَلِمَۃُ رَبِّكَ لَاَمۡلَـَٔنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ اَجۡمَعِیۡنَ  ‘তবে তোমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করেন তারা (মতবিরোধ করবে) না। এই উদ্দেশ্যেই তিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, আর তোমার প্রতিপালকের এ বাণী পূর্ণ হবেই যে, আমি

প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন জাহান্নামী : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব

একজন নাস্তিক প্রশ্ন করেন : আদম (আঃ) কী হওয়া (আঃ)-কে বিবাহ করেছিলেন? উনার এই প্রশ্নের জবাবে হযরত হাওয়া (আঃ) কখন ও কীভাবে আদম (আঃ)-এর স্ত্রী হলেন সেই উত্তর দলিলসহ প্রবন্ধাকারে অবতারণা করা হলো- আল্লাহ এই ধরণীতে মাটি থেকে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করেন এবং তারপর তা থেকে ক্রমশঃ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই মানব জাতি। মহান আল্লাহর ভাষায়,يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوْبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوْا   ‘হে মানবমন্ডলী! আমরা তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। আর তোমাদেরকে বিভিন্ন বংশ ও

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব বিস্তারিত পডুন »

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদুল হারামের মধ্যে অবস্থিত একটি পবিত্র ও ঐতিহাসিক কুয়া, যা প্রায় ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম পানি সরবরাহ করে আসছে এবং এর পানিকে মুসলিমরা বরকতময় ও রোগমুক্তির জন্য উপকারী মনে করে, যা হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নবী ইব্রাহিম (আ.) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেভাবে যমযম কূপের সূচনা : যমযম কূপ কীভাবে সৃষ্টি হয় সেই ইতিহাস বলতে গিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা বিস্তারিত পডুন »

সূদের পরিচয় ও বিধান

ইসলামে সূদ নিকৃষ্ট হারাম। এটা কবীরাহ গুণাহ। যা কুরআন ও হাদীছ দ্বারা এটা প্রমাণিত। এই বিষয়টি জানার পরেও যারা সূদ খায়, সূদী লেনদেন করে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافاً مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে’ (আলে ইমরান ৩/১৩০)। তিনি আরো বলেন,يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ- ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং

সূদের পরিচয় ও বিধান বিস্তারিত পডুন »

স্বামীর আনুগত্য

দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি হল একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি সদা অনুগত থাকবে। শারঈ নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহলে দুনিয়া ও আখেরাতে জীবন হবে সুখোময়। আল্লাহ স্বামীকে পরিবার প্রধান বানিয়েছেন, পরিবারের পরিচালনা ও দায় তার উপরেই ন্যস্ত করেছেন। আর স্ত্রীকে বানিয়েছে সহকর্মী, সহযোগী। তাই স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর একান্ত কর্তব্য। আর এ কর্তব্য পালনে সম্মান-অসম্মানের কিছু নেই। স্ত্রীদের জন্য জান্নাত অতিব সহজলভ্য যদি ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا

স্বামীর আনুগত্য বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top