সকল কাজ নিয়াতের উপর নির্ভরশীল

নিয়াত অর্থ মনন করা, মনে মনে সংকল্প বা ইচ্ছা পোষণ করা। ইহা এমন একটি অদৃশ্য বিষয় যা কেবল কোন ব্যক্তির ক্বলব বা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে। মানুষ যেমন ইচ্ছা করবে তার প্রতিদানও অনুরূপ হবে। আল্লাহ তা‘আলা যখন বিচারের মাঠে বান্দার আমলের বিচার করবেন, তখন তিনি এই নিয়াতের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিচার কার্য পরিচালনা করবেন। নিয়াত হ’ল কর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে,  إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللهِ وَرَسُولِهِ […]

সকল কাজ নিয়াতের উপর নির্ভরশীল বিস্তারিত পডুন »

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা

ইসলাম মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। মানুষের জীবনে আল্লাহ তাআলার নিয়ামত, সুখ-সমৃদ্ধি কিংবা বিপদ-আপদ—সবই পরীক্ষা। অনেক মানুষ দুনিয়ার ধন-সম্পদ, ক্ষমতা ও সাফল্যকে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিদর্শন মনে করে। কিন্তু কুরআন ও হাদীস শিক্ষা দেয় যে, সব নিয়ামত আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষণ নয়। অনেক সময় অবাধ্য বান্দাকে আরও গুনাহে নিমজ্জিত করার জন্য আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন, যা ইস্তিদরাজ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, ঈমান ও তাকওয়ার ওপর অটল থেকে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলাকে ইস্তিকামাত বলা হয়। একজন মুমিনের জীবনে ইস্তিকামাত

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা বিস্তারিত পডুন »

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য

ইসলামে মানুষের জীবন এক পরীক্ষার ক্ষেত্র। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিভিন্ন পরিস্থিতি, সুখ, দুঃখ, ভয় ও ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করবেন। বিনা পরীক্ষায় কোন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কেননা জান্নাত দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ঘেরা রয়েছে। (ক) দুনিয়াতে প্রকৃত মুমিন বান্দার জন্য পরীক্ষা অনিবার্য। ১. কেবল ঈমান এনেছি বললেই পরীক্ষা ছাড়া কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, اَحَسِبَ النَّاسُ اَنۡ یُّتۡرَكُوۡۤا اَنۡ یَّقُوۡلُوۡۤا اٰمَنَّا وَ هُمۡ لَا یُفۡتَنُوۡنَ ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য বিস্তারিত পডুন »

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে

আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنِ اھْتَدٰی فَاِنَّمَا یَھْتَدِیْ لِنَفْسِھ۪ﺆ وَمَنْ ضَلَّ فَاِنَّمَا یَضِلُّ عَلَیْھَاﺚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ اُخْرٰیﺚ وَمَا کُنَّا مُعَذِّبِیْنَ حَتّٰی نَبْعَثَ رَسُوْلًاﭞ  ‘‘যে হেদায়াতের পথে চলবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যই চলবে, আর যে ভ্রষ্ট পথে চলবে এর পরিণাম তার নিজের উপরেই বর্তাবে। একজনের (পাপের) বোঝা অন্যজনে বহণ করবে না। আমরা রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেয় না’’ (ইসরা ১৭/১৫)। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, যে ব্যক্তি সৎপথ অবলম্বন করে, সত্যের অনুসরণ করে এবং নুবুওয়াতকে স্বীকার করে, এটা তার নিজের জন্যেই কল্যাণকর হয়। আর যে

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে বিস্তারিত পডুন »

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,  ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও! নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলোর উদাহরণ হল ঐ লোকদের মত যারা কোন মাঠে বা প্রান্তরে গিয়ে অবস্থান করল এবং তাদের প্রত্যেকেই কিছু কিছু করে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) সংগ্রহ করে নিয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত এতটা লাকড়ি তারা সংগ্রহ করল যা দিয়ে তাদের খাবার পাকানো হল। নিশ্চয় নগণ্য ছোট ছোট গুনাহতে লিপ্ত থাকা ব্যক্তিদেরকে যখন সেই নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলো গ্রাস করবে (পাকড়াও করবে) তখন তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে।’’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও বিস্তারিত পডুন »

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার

যে সন্তান পিতামাতার প্রতি সদাচারণে ত্রুটি খুঁজে যায়, সে সন্তান অনুগত ও তাক্বওয়াবান হয়। পক্ষান্তরে যে সন্তানকে পিতামাতা ভয় পায়, সে সন্তান তাক্বওয়াহীন কুলাঙ্গার হয়। প্রত্যেক সন্তান তার পিতামাতার সম্পদ। এমনকি সন্তানের উপার্জন ও সঞ্চয় তার পিতামাতার অধিকার ও সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। যদিও সন্তানের প্রতি মুখাপেক্ষী হোক বা না হোক। পিতামাতা সন্তানের মুখাপেক্ষী হলে তাদের ভরণপোষণ সন্তানের জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। আর পিতামাতা সম্পদশালী হোক বা না হোক সন্তানের সম্পদে তাদের হক্ব বা অধিকার রয়েছে। আমর বিন শুয়াইব (রাঃ), তাঁর পিতা ও তাঁর দাদার সূত্রে

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা

আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সাজ্দাহয় পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা

সূর্য ধীরে ধীরে আলো হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়া বা নিভে যাওয়ার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং আধুনিক বিজ্ঞানের তথ্যের সাথে বিস্ময়করভাবে মিলে যায়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাকবীরে মহান আল্লাহ এর স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন: “যখন সূর্য তার আলো হারাবে (বা গুটিয়ে নেওয়া হবে)।” (সূরা আত-তাকবীর: ১) এখানে আরবি ‘কুয়্যিরাত’ (Kuwwirat) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে ‘পেঁচানো’ বা ‘গুটিয়ে নেওয়া’ (যেমন মাথার পাগড়ি গোল করে পেঁচানো হয়)। এটি নির্দেশ করে যে, সূর্য একসময় তার চারপাশের বিশাল আলোকচ্ছটা

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান

বান্দার প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সকল রহমত ও কল্যাণ নাযিল হয়, আর তা হলো- বারাকাহ। বারাকাহর ব্যাপক অর্থ হলেও সৎ আমল করার জন্য যোগ্যতা সমচেয়ে উত্তর বারাকাহ। সৎ আমল করার পূর্বে যা অর্জন করতে হয় তা হলো- ঈমান, ইলম ও দ্বীনের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সুস্থ্যতা, পবিত্র সম্পদ ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন, ঈমান, ইলমের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সম্পদ, হায়াত প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার উপযুক্ততা বা ধারন ক্ষমতানুসারে রূহ জগতে বণ্টন করে দিয়েছেন। আর এগুলো প্রাপ্তি রিযিক এবং বৃদ্ধি হওয়াকে বারাকাহ বলে।  আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنْ ذَا

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top