Author name: লিলবর আল-বারাদী

মুমিনের গুণাবলী

পবিত্র কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর আলোকে মুমিনের ১৬টি গুণাবলী বর্ণনা করা হয়েছে। তন্মধ্যে কুরআনে ১০টি মুমিনের গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে। প্রকৃত মুমিন হতে গেলে যে দু’টি গুণাবলী অপরিহার্য সেই সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ آمَنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوْا وَجَاهَدُوْا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيْلِ اللهِ أُولَئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ- (سورت الحجرات ১৫)- ‘প্রকৃত মুমিন তারাই, ১. যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। অতঃপর তাতে কোনরূপ সন্দেহ পোষণ করে না এবং ২. তাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। বস্তুতঃপক্ষে […]

মুমিনের গুণাবলী বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : কিয়ামত দিবসে জান্নাতীদের মৃত্যুকে যবেহ করা হবে

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) দিবসে মৃত্যুকে একটি ধূসর রঙের মেষের আকারে আনা হবে। তখন একজন সম্বোধনকারী ডাক দিয়ে বলবেন, হে জান্নাতবাসী! তখন তাঁরা ঘাড়-মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে। সম্বোধনকারী বলবে, তোমরা কি একে চিন? তারা বলবেন হ্যাঁ, এ হল মৃত্যু। কেননা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর সম্বোধনকারী আবার ডেকে বলবেন, হে জাহান্নামবাসী! জাহান্নামীরা মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে, তখন সম্বোধনকারী বলবে তোমরা কি একে চিন? তারা বলবে, হ্যাঁ, এ তো মৃত্যু। কেননা তারা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর

দরসে হাদীস : কিয়ামত দিবসে জান্নাতীদের মৃত্যুকে যবেহ করা হবে বিস্তারিত পডুন »

বন্ধুত্ব নির্বাচন

প্রকৃত বন্ধু তার সাথীদেরকে জান্নাতের দিকে আহ্বান করে। কখনো তাদের ক্ষতি করার মনোভাব পোষণ করে না। বরং সর্বদা তাদের ভালো করে ও পরামর্শ দেয়। ভালো বন্ধু হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যেমন জটিল তেমনি ভালো বন্ধু পাওয়াও অনেক কঠিন। ভালো বন্ধুর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতের অনুকৃপা। তখন আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, হে মু’মিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছ অথচ তারা তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এবং তোমাদেরকে (স্বদেশ থেকে)

বন্ধুত্ব নির্বাচন বিস্তারিত পডুন »

কুরআন কারীমের ধারক ও বাহক সদা সম্মানিত ও সেরা

কুরআন পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য জ্ঞান ও হেদায়াত লাভের উৎসমূল। রাসূল (ছাঃ) বলেন,عَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ، فَإِنَّهُ فَهْمُ الْعَقْلِ وَنُورُ الْحِكْمَةِ وَيَنَابِيْعُ الْعِلْمِ وَأَحْدَثُ الْكُتُبِ بِالرَّحْمَنِ عَهْدًا، وَقَالَ فِي التَّوْرَاةِ : يَا مُحَمَّدُ إِنِّي مُنَزِّلٌ عَلَيْكَ تَوْرَاةً حَدِيْثَةً تَفْتَحُ فِيْهَا أَعْيُنًا عُمْيًا وَآذَانًا صُمًّا وَقُلُوْبًا غُلْفًا- ‘তোমরা কুরআনকে আবশ্যক করে নাও। কেননা এটি বিবেকের খোরাক, প্রজ্ঞার আলোকমালা, জ্ঞানের প্রস্রবন, আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের মধ্যে সর্বাধুনিক। আর আল্লাহ তাওরাতে বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি তোমার উপর সর্বাধুনিক কিতাব নাযিল করেছি। যা অন্ধের দৃষ্টিকে, বধিরের শ্রবণশক্তিকে এবং অনুভূতিশূন্য বদ্ধ হৃদয়ের বোধশক্তিকে

কুরআন কারীমের ধারক ও বাহক সদা সম্মানিত ও সেরা বিস্তারিত পডুন »

মুসলিম ভাইয়ের গলা কেটে দিয়ো না

মানুষ নিজের নামে প্রশংসা শুনতে পছন্দ করে। কিন্তু মন্দ শুনতে অপছন্দ করে। পক্ষান্তরে নিজের প্রশংসা শুনা উচিৎ নয়, বরং মন্দ বিষয়গুলো জানা আবশ্যক। কেননা মন্দ বিষয় জেনে নিজেকে শুধরিয়ে নিতে পারবে। আত্মশুদ্ধি ব্যতীত কোন মানুষ পরিপূর্ণ মুমিন বান্দা হতে পারে না। আত্ম সংশোধনের মাধ্যমে লোকমান (আঃ) নিজেকে একজন জ্ঞানী হিসেবে পরিচিত করেছিলেন। যা কুরআনুল কারীমে বর্ণিত হয়েছে। কোন ব্যক্তি যখন তার অপর ভাইয়ের নামে প্রশংসায় পঞ্চমূখ হয়, তখন সে নিরবে তার ভাইয়ের গলা কেটে দেয়। তবে হ্যা, মানুষের প্রশংসা করা যাবে যা সত্য তাই বলে।

মুসলিম ভাইয়ের গলা কেটে দিয়ো না বিস্তারিত পডুন »

দাজ্জালের ফেতনা, ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ)-এর অবতরণ

আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আমাদের উদ্দেশে দেয়া তাঁর দীর্ঘ ভাষণের অধিকাংশ ছিলো দাজ্জাল প্রসঙ্গে। তিনি আমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেন। তার সম্পর্কে তিনি তাঁর ভাষণে বলেনঃ আল্লাহ আদমের বংশধর সৃষ্টি করার পর থেকে দাজ্জালের ফেতনার চেয়ে মারাত্মক কোন ফেতনা পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হবে না। আল্লাহ এমন কোন নবী পাঠাননি যিনি তাঁর উম্মাতকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেননি। আর আমি সর্বশেষ নবী এবং তোমরা সর্বশেষ উম্মাত। সে অবশ্যই তোমাদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করবে। আমি তোমাদের মধ্যে

দাজ্জালের ফেতনা, ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ)-এর অবতরণ বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : অনুতপ্ত ব্যক্তির ক্ষমা অনিবার্য

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈলের মধ্যে জনৈক ব্যক্তি নিরানব্বই জন মানুষ হত্যা করেছিল। তারপর সে শার’ঈ বিধান জানার জন্য একজন আল্লাহভীরুর কাছে জিজ্ঞেস করল, এ ধরনের মানুষের জন্য তাওবার কোন অবকাশ আছে কিনা? তিনি বললেন, নেই। তারপর সে তাকেও (’আলিমকেও) হত্যা করল। এভাবে সে লোকদেরকে অনবরত জিজ্ঞেস করতে থাকল। এক ব্যক্তি শুনে বলল, অমুক গ্রামে গিয়ে অমুককে জিজ্ঞেস করো। এমন সময়েই সে মৃত্যুমুখে পতিত হলো এবং মৃত্যুর সময় সে ওই গ্রামের দিকে নিজের সিনাকে বাড়িয়ে দিলো।

দরসে হাদীস : অনুতপ্ত ব্যক্তির ক্ষমা অনিবার্য বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : সৃষ্টি, স্রষ্টার লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না

আবূ যার গিফারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার নাম করে যেসব হাদীস বর্ণনা করেছেন তার একটি হলো, তিনি বলেন যে, আল্লাহ তাবারক ওয়াতা’আলা বলেন, (১) হে আমার বান্দাগণ! আমি আমার ওপর যুলুম করাকে হারাম করে দিয়েছি। আমি তোমাদের জন্যও যুলুম করা হারাম করে দিয়েছি। অতঃপর তোমরা পরস্পরের প্রতি যুলম করো না। (২) হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের প্রত্যেকেই পথভ্রষ্ট। কিন্তু আমি যাকে পথ দেখাই সে-ই পথের সন্ধান পায়। সুতরাং তোমরা আমার নিকট পথের সন্ধান কামনা কর, তাহলে আমি তোমাদেরকে পথের সন্ধান দেবো। (৩)

দরসে হাদীস : সৃষ্টি, স্রষ্টার লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না বিস্তারিত পডুন »

Scroll to Top