দরসে হাদীছ/হাদীস

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,  ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও! নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলোর উদাহরণ হল ঐ লোকদের মত যারা কোন মাঠে বা প্রান্তরে গিয়ে অবস্থান করল এবং তাদের প্রত্যেকেই কিছু কিছু করে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) সংগ্রহ করে নিয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত এতটা লাকড়ি তারা সংগ্রহ করল যা দিয়ে তাদের খাবার পাকানো হল। নিশ্চয় নগণ্য ছোট ছোট গুনাহতে লিপ্ত থাকা ব্যক্তিদেরকে যখন সেই নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলো গ্রাস করবে (পাকড়াও করবে) তখন তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে।’’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ […]

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও বিস্তারিত পডুন »

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার

যে সন্তান পিতামাতার প্রতি সদাচারণে ত্রুটি খুঁজে যায়, সে সন্তান অনুগত ও তাক্বওয়াবান হয়। পক্ষান্তরে যে সন্তানকে পিতামাতা ভয় পায়, সে সন্তান তাক্বওয়াহীন কুলাঙ্গার হয়। প্রত্যেক সন্তান তার পিতামাতার সম্পদ। এমনকি সন্তানের উপার্জন ও সঞ্চয় তার পিতামাতার অধিকার ও সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। যদিও সন্তানের প্রতি মুখাপেক্ষী হোক বা না হোক। পিতামাতা সন্তানের মুখাপেক্ষী হলে তাদের ভরণপোষণ সন্তানের জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। আর পিতামাতা সম্পদশালী হোক বা না হোক সন্তানের সম্পদে তাদের হক্ব বা অধিকার রয়েছে। আমর বিন শুয়াইব (রাঃ), তাঁর পিতা ও তাঁর দাদার সূত্রে

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার বিস্তারিত পডুন »

প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন জাহান্নামী : একটি পর্যালোচনা

আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টিকুলের তাক্বদীর লিখিত করে রেখেছেন। আর ফায়সালাতে এ কথা নির্ধারিত হয়ে আছে যে, কিছু মানুষ জান্নাত ও কিছু মানুষ জাহান্নামের অধিকারী হবে এবং জান্নাত ও জাহান্নামকে মানুষ ও জীন দ্বারা পরিপূর্ণ করা হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, اِلَّا مَنۡ رَّحِمَ رَبُّكَ ؕ وَ لِذٰلِكَ خَلَقَهُمۡ ؕ وَ تَمَّتۡ كَلِمَۃُ رَبِّكَ لَاَمۡلَـَٔنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ اَجۡمَعِیۡنَ  ‘তবে তোমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করেন তারা (মতবিরোধ করবে) না। এই উদ্দেশ্যেই তিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, আর তোমার প্রতিপালকের এ বাণী পূর্ণ হবেই যে, আমি

প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন জাহান্নামী : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া

ক্বিয়ামতের আলামত সম্পর্কিত যত হাদীস রয়েছে এই হাদীস তার অন্যতম। কিয়ামতের প্রাককালে সম্পদ ব্যপকহারে বৃদ্ধিপাবে, কিন্তু বরকত থাকবে না। বরং হারামে জড়িয়ে পড়বে। কীভাবে সম্পদ আহরিত হচ্ছে এর প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ব্যবসার প্রসার ঘটবে ঘরে ঘরে এমনকি নারী পুরুষ কাধে কাধ মিলিয়ে ব্যবসা করবে, কিন্তু ব্যবসায় বরকত কমে যাবে। ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মানুষ অধিক হারে জ্ঞানার্জন করবে কিন্তু তা আমলে নিবে না। অনেক সময় বাহবা কিংবা রিয়া বা লৌকিকতা অথবা বাহাদুরী দেখানোর জন্য অনেকে ইলম অর্জন করবে। এছাড়াও AI

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া বিস্তারিত পডুন »

ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠের বিধান

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ যে ব্যক্তি সালাতআদায় করল, যার মধ্যে ’কুরআনের মা’ অর্থাৎ সূরাহ ফাতিহা পাঠ করল না, তার ঐ সালাতত্রুটিপূর্ণ, তার সালাত ত্রুটিপূর্ণ, তার সালাত ত্রুটিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ। (আবু দাউদ হা/৮২১, ছহীহুল জামি হা/৬৩৫৯)। (যারা ইমামের পেছনে সালাতে উপস্থিত থেকেও সূরা ফাতিহা পাঠ করে না, তাদের সালাত অসম্পূর্ণ হবে। কিন্তু সালাত বাতিল হবে না।) বর্ণনাকারী বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি যখন ইমামের পিছনে থাকি, তখন কিভাবে

ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠের বিধান বিস্তারিত পডুন »

যুলুম করা আমার (আল্লাহর) জন্য এবং তোমাদের জন্যও হারাম

আবূ যার গিফারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহ তা’আলার নাম করে যেসব হাদীস বর্ণনা করেছেন তার অন্যতম একটি হলো আল্লাহ তাবারক ওয়াতা’আলা বলেন, অংশ-১. হে আমার বান্দাগণ! আমি আমার ওপর যুলম করাকে হারাম করে দিয়েছি। যুলম করা আমার জন্য যা, তোমাদের জন্যও তা। তাই আমি তোমাদের জন্যও যুলম করা হারাম করে দিয়েছি। অতঃপর পরস্পরের প্রতি যুলম করো না। ব্যাখ্যা:  (قَالَ: يَا عِبَادِىْ) ইমাম ত্বীবী বলেন, জিন্ এবং মানব উভয়কে সম্বোধন করা হয়েছে, তাদের মাঝে পাপ-পুণ্য পর্যায়ক্রম হওয়ার কারণে। অত্র সম্বোধনে ফেরেশতারাও সম্বোধিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। (حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلٰى نَفْسِىْ) অর্থাৎ-

যুলুম করা আমার (আল্লাহর) জন্য এবং তোমাদের জন্যও হারাম বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : ঈমানের সাথে সিয়াম সাধনা

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. وَمَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. وَمَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় রামাযান মাসে সিয়াম পালন করবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় ’ইবাদাতে রাত কাটাবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে

দরসে হাদীস : ঈমানের সাথে সিয়াম সাধনা বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : তওবার শেষ মূহূর্ত কোনটি (?)

’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘বান্দার প্রাণ (রূহ) ওষ্ঠাগত না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই আল্লাহ তার তওবা কবূল করেন। [ইবনু মাজাহ হা/৪২৫৩, সহীহ আল জামি‘ হা/১৯০৩, মিশকাত হা/২৩৪৩] ব্যাখ্যা: (إِنَّ اللّٰهَ يَقْبَلُ تَوْبَةَ الْعَبْدِ) কারী বলেন, বাহ্যিক দৃষ্টিতে হাদীসাংশে তাওবাহ্ কবূলের ব্যাপারটি মুত্বলাক বা সাধারণভাবে, আর কতিপয় হানাফী একে কাফিরের সাথে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। আমাদের শায়খ বলেন, বাহ্যিকদৃষ্টিতে প্রথমটি নির্ভরযোগ্য। (مَا لَمْ يُغَرْغِرْ) অর্থাৎ- যতক্ষণ পর্যন্ত তার আত্মা কণ্ঠনালীতে না পৌঁছবে, অতঃপর তা ঐ বস্ত্তর স্থানে পরিণত না হবে

দরসে হাদীস : তওবার শেষ মূহূর্ত কোনটি (?) বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top