বিবাহ : বর ও কনের সমতা অপরিহার্য

আল্লাহ তা‘আলা পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আঃ)-কে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তী বংশ বৃদ্ধির জন্য হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করে আদম (আঃ)-এর সাথে বিবাহের ব্যবস্থা করেন। মানব জীবন প্রণালী পরিবর্তনের সাথে সাথে বিবাহের নিয়মেও পরিবর্তন ঘটেছে। প্রত্যেক অভিভাবককে তাদের অধীনস্থদের বিবাহের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, وَأَنْكِحُوا الْأَيَامَى مِنْكُمْ وَالصَّالِحِيْنَ مِنْ عِبَادِكُمْ ‘তোমাদের মধ্যে যারা স্বামীহীন তাদের বিবাহ সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও’ (নূর ২৪/৩২)। বিবাহের গুরুত্ব : বিবাহের মাধ্যমে মানুষ তার দৃষ্টিকে সংযত করে যৌনাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষার মাধ্যমে জান্নাতের পথ […]

বিবাহ : বর ও কনের সমতা অপরিহার্য বিস্তারিত পডুন »

ব্যবসানীতি : নগদ ও বাঁকীতে লভ্যাংশ নির্ধারণ

ব্যবসানীতি একটি সহজ সরল নীতি মাত্র। এটাকে আমরা জটিল ও কঠিন করে ফেলেছি নিজেদের স্বার্থে। ওজনে কম দেওয়া, ভালো পণ্য দেখিয়ে মন্দ ও নষ্ট পণ্য প্রদান করা, মুনাফার লোভে পড়ে সূদের প্রবর্তন করা এবং মওজুদদারীতে জনসাধারণকে কষ্ট দেয়া। মওজুদ জায়েজ থাকলেও তা নিদির্ষ্ট সময়ের জন্য অনন্তকালের জন্য তা নয়। আবার লভ্যাংশ করা যাবে যদি তা সূদের শামিল না হয়। তাই বিক্রয় নীতিমালা আমাদের জানা আবশ্যক। বিক্রয়ে লভ্যাংশের পরিমাণ : কোন পণ্যে কত লাভ করা যাবে এরূপ কোন নির্দেশনা কুরআন-হাদীছে পাওয়া যায় না। আবার সকল পণ্যে

ব্যবসানীতি : নগদ ও বাঁকীতে লভ্যাংশ নির্ধারণ বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : তিন ব্যক্তির কাহিনী

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, বানী ইসরাইলের মধ্যে তিনজন লোক ছিল। একজন শ্বেতরোগী, একজন মাথায় টাকওয়ালা আর একজন অন্ধ। মহান আল্লাহ তাদেরকে পরীক্ষা করতে চাইলেন। কাজেই, তিনি তাদের নিকট একজন ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা প্রথমে শ্বেত রোগীটির নিকট আসলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নিকট কোন্ জিনিস অধিক প্রিয়? সে জবাব দিল, সুন্দর রং ও সুন্দর চামড়া। কেননা, মানুষ আমাকে ঘৃণা করে। ফেরেশতা তার শরীরের উপর হাত বুলিয়ে দিলেন। ফলে তার রোগ সেরে গেল। তাকে সুন্দর রং এবং

দরসে হাদীছ : তিন ব্যক্তির কাহিনী বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত

’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে উৎসুক ছিলাম যে, আমি ’উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করব, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণের মধ্যে কোন্ দু’জনের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেনঃ ’’তোমরা দু’জন যদি অনুশোচনাভরে আল্লাহর দিকে ফিরে আস (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম), তোমাদের অন্তর (অন্যায়ের দিকে) ঝুঁকে পড়েছে।’’ (সূরাহ আত-তাহরীম ৬৬ঃ ৪) এরপর একবার তিনি [’উমার (রাঃ)] হাজ্জের জন্য রওয়ানা হলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে হাজ্জে গেলাম। (ফিরে আসার পথে) তিনি ইস্তিনজার জন্য রাস্তা থেকে সরে গেলেন।

দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত বিস্তারিত পডুন »

সালাম একটি অভিবাদন : পর্যালোচনা

ইসলামী অভিবাদন হলো اسلام عليكم বলা। বাংলা উচ্চারণ হলো “আসসালামু ‘আলাইকুম”। এর অর্থ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।” সালাম সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ اِذَا حُیِّیۡتُمۡ بِتَحِیَّۃٍ فَحَیُّوۡا بِاَحۡسَنَ مِنۡهَاۤ اَوۡ رُدُّوۡهَا ؕ اِنَّ اللّٰهَ کَانَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ حَسِیۡبًا ‘আর যখন তোমাদেরকে সালাম দেয়া হবে তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম সালাম দেবে। অথবা জবাবে তাই দেবে। নিশ্চয় আল্লাহ সব বিষয়ে পূর্ণ হিসাবকারী’ (নিসা ৪/৮৬)। وَ اُدۡخِلَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ ؕ تَحِیَّتُهُمۡ فِیۡهَا سَلٰمٌ

সালাম একটি অভিবাদন : পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে

নিয়তের দিক দিয়ে দিয়ে তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া ব্যবহার করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ঘোড়া ব্যবহারের দিক দিয়ে মানুষ তিন প্রকার। এক প্রকার লোকের জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম আর এক প্রকার লোকের জন্য তা গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার অবলম্বন এবং আর এক প্রকার লোকের ব্জন্য তা শাস্তির কারণ। (এক) যার জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম সে এমন ব্যক্তি যে ঘোড়াকে আল্লাহর রাস্তায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে এবং চারণভূমি বা বাগানে প্রশস্ত রশিতে বেধে বিচরণ করতে দেয়। এই রশি যত প্রশস্ত এবং যত

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একবার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল শ্রেষ্ঠ মানুষ কে? তিনি বললেন, كُلُّ مَخْمُوْمِ الْقَلْبِ صَدُوْقِ اللِّسَانِ ‘প্রত্যেক শুদ্ধহৃদয় ও সত্যভাষী ব্যক্তি’। লোকেরা বলল, সত্যভাষীকে আমরা চিনতে পারি। কিন্তু শুদ্ধহৃদয় ব্যক্তিকে আমরা কিভাবে চিনব? জবাবে তিনি বললেন, هُوَ التَّقِىُّ النَّقِىُّ لاَ إِثْمَ فِيْهِ وَلاَ بَغْىَ وَلاَ غِلَّ وَلاَ حَسَدَ ‘সে হবে আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়; যাতে কোন পাপ নেই, সত্যবিমুখতা নেই, বিদ্বেষ নেই, হিংসা নেই’ (ইবনু মাজাহ হা/৪২১৬; মিশকাত হা/৫২২১)। হাদীছের শিক্ষা :১। এই হাদীসটির দ্বারা এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়

দরসে হাদীছ : আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয় বিস্তারিত পডুন »

ক্ষণস্থায়ী জীবন নয়, চিরস্থায়ী জীবনকে ভালোবাসুন!

দুনিয়ার জীবন হলো ক্ষণস্থায়ী জীবন। কিন্তু পরোকালিন জীবন হলো চিরস্থায়ী জীবন। আর তাই দুনিয়াকে নয়, আখিরাতকে ভালোবাসুন! ছাহারীরা কীভাবে দুনিয়া ও আখিরাতকে দেখতেন তা জেনে নিন- হানযালা ইবনু রুবাই আল-উসাইদী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি কাঁদতে কাঁদতে রাসূল (ছাঃ)-এর দরবার অভিমুখে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার সাথে আবুবকর (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হ’ল। তিনি বললেন, কি হয়েছে হানযালা? আমি বললাম, হানযালা মুনাফিক হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্! বল কি হানযালা? আমি বললাম, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত ও জাহান্নাম স্মরণ করিয়ে দেন, তখন যেন সেগুলো আমরা স্বচক্ষে দেখতে পাই।

ক্ষণস্থায়ী জীবন নয়, চিরস্থায়ী জীবনকে ভালোবাসুন! বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top