দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত

’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে উৎসুক ছিলাম যে, আমি ’উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করব, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণের মধ্যে কোন্ দু’জনের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেনঃ ’’তোমরা দু’জন যদি অনুশোচনাভরে আল্লাহর দিকে ফিরে আস (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম), তোমাদের অন্তর (অন্যায়ের দিকে) ঝুঁকে পড়েছে।’’ (সূরাহ আত-তাহরীম ৬৬ঃ ৪) এরপর একবার তিনি [’উমার (রাঃ)] হাজ্জের জন্য রওয়ানা হলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে হাজ্জে গেলাম। (ফিরে আসার পথে) তিনি ইস্তিনজার জন্য রাস্তা থেকে সরে গেলেন। […]

দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত বিস্তারিত পডুন »

সালাম একটি অভিবাদন : পর্যালোচনা

ইসলামী অভিবাদন হলো اسلام عليكم বলা। বাংলা উচ্চারণ হলো “আসসালামু ‘আলাইকুম”। এর অর্থ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।” সালাম সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ اِذَا حُیِّیۡتُمۡ بِتَحِیَّۃٍ فَحَیُّوۡا بِاَحۡسَنَ مِنۡهَاۤ اَوۡ رُدُّوۡهَا ؕ اِنَّ اللّٰهَ کَانَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ حَسِیۡبًا ‘আর যখন তোমাদেরকে সালাম দেয়া হবে তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম সালাম দেবে। অথবা জবাবে তাই দেবে। নিশ্চয় আল্লাহ সব বিষয়ে পূর্ণ হিসাবকারী’ (নিসা ৪/৮৬)। وَ اُدۡخِلَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ ؕ تَحِیَّتُهُمۡ فِیۡهَا سَلٰمٌ

সালাম একটি অভিবাদন : পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে

নিয়তের দিক দিয়ে দিয়ে তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া ব্যবহার করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ঘোড়া ব্যবহারের দিক দিয়ে মানুষ তিন প্রকার। এক প্রকার লোকের জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম আর এক প্রকার লোকের জন্য তা গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার অবলম্বন এবং আর এক প্রকার লোকের ব্জন্য তা শাস্তির কারণ। (এক) যার জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম সে এমন ব্যক্তি যে ঘোড়াকে আল্লাহর রাস্তায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে এবং চারণভূমি বা বাগানে প্রশস্ত রশিতে বেধে বিচরণ করতে দেয়। এই রশি যত প্রশস্ত এবং যত

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একবার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল শ্রেষ্ঠ মানুষ কে? তিনি বললেন, كُلُّ مَخْمُوْمِ الْقَلْبِ صَدُوْقِ اللِّسَانِ ‘প্রত্যেক শুদ্ধহৃদয় ও সত্যভাষী ব্যক্তি’। লোকেরা বলল, সত্যভাষীকে আমরা চিনতে পারি। কিন্তু শুদ্ধহৃদয় ব্যক্তিকে আমরা কিভাবে চিনব? জবাবে তিনি বললেন, هُوَ التَّقِىُّ النَّقِىُّ لاَ إِثْمَ فِيْهِ وَلاَ بَغْىَ وَلاَ غِلَّ وَلاَ حَسَدَ ‘সে হবে আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়; যাতে কোন পাপ নেই, সত্যবিমুখতা নেই, বিদ্বেষ নেই, হিংসা নেই’ (ইবনু মাজাহ হা/৪২১৬; মিশকাত হা/৫২২১)। হাদীছের শিক্ষা :১। এই হাদীসটির দ্বারা এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়

দরসে হাদীছ : আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্ন হৃদয় বিস্তারিত পডুন »

ক্ষণস্থায়ী জীবন নয়, চিরস্থায়ী জীবনকে ভালোবাসুন!

দুনিয়ার জীবন হলো ক্ষণস্থায়ী জীবন। কিন্তু পরোকালিন জীবন হলো চিরস্থায়ী জীবন। আর তাই দুনিয়াকে নয়, আখিরাতকে ভালোবাসুন! ছাহারীরা কীভাবে দুনিয়া ও আখিরাতকে দেখতেন তা জেনে নিন- হানযালা ইবনু রুবাই আল-উসাইদী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি কাঁদতে কাঁদতে রাসূল (ছাঃ)-এর দরবার অভিমুখে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার সাথে আবুবকর (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হ’ল। তিনি বললেন, কি হয়েছে হানযালা? আমি বললাম, হানযালা মুনাফিক হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্! বল কি হানযালা? আমি বললাম, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত ও জাহান্নাম স্মরণ করিয়ে দেন, তখন যেন সেগুলো আমরা স্বচক্ষে দেখতে পাই।

ক্ষণস্থায়ী জীবন নয়, চিরস্থায়ী জীবনকে ভালোবাসুন! বিস্তারিত পডুন »

ওযনে কম নয়, বেশী দেন : ইনসাফ-আদল প্রতিষ্ঠা করুন!

আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছা হ’ল মুমিনের জীবনের যত কাজ তা সহজ করে দেয়া। আর শয়তানের কাজ হ’ল মানুষকে উল্টা দিকে প্রবাহিত করা এবং সৎ কাজে মন্দের সংমিশ্রণ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ “ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য। যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে। আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়”(মুতাফফিফীন, ১-৩)। অথচ আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) বলেন তোমরা এমটি করো না। বরং

ওযনে কম নয়, বেশী দেন : ইনসাফ-আদল প্রতিষ্ঠা করুন! বিস্তারিত পডুন »

নিজেকে যোগ্য নয়, অধম মনে করে সংশোধন করুন!

যে ব্যক্তি নিজের ভুল স্বীকার করে, সংশোধনের নিমিত্তে ভুল থেকে ফিরে আসে, সে-ই প্রকৃত নিষ্ঠাবান ও জ্ঞানী। নিজেকে ঠিক মনে করা থেকে প্রত্যেকের ফিরে আসা উচিৎ। কেননা মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। প্রত্যেক মানুষ যুগে যুগে ভুল করেছেন বা করবেন। ভুল থেকে ফিরে আসার যোগ্যতা যে ব্যক্তির রয়েছে, সে ব্যক্তি নেতা হওয়ার অতিব যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ। মানুষ আজও উপলব্ধি করবে না? কেন আল্লাহ তা‘আলা তাকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন ? না বুঝে দুনিয়া নিয়ে মাতামাতী। দুনিয়ার প্রতি এত আকৃষ্ট? দুনিয়াতে যত দিন বেঁচে থাকবেন,

নিজেকে যোগ্য নয়, অধম মনে করে সংশোধন করুন! বিস্তারিত পডুন »

বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করুন !

যার আমল নামায় সবচেয়ে বেশী ইস্তেগফার যোগ হবে, কেবল সেই ব্যক্তিই দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা দিনে রাতে ৭০ বার, অন্যত্র বলেন, ১০০ বার ক্ষমা প্রার্থনা করবে। উক্ত বর্ণনা অনুসারে যে সমস্ত ব্যক্তি ফরয ছালাতের প্রতি রাকা‘আতে ১০ বার, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্তে ফরয ছালাতে মোট ১৭ রাকা‘আতে ১৭০ বার নিম্নের দো‘আগুলি পাঠ করে আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থণা করে থাকে। সিজদার দো‘আ (তিনবার) : (متفق عليه) سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ (সুবহ-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়া বিহাম্দিকা, আল্লা-হুম্মাগ্ফিরলী) অর্থ:‘হে আল্লাহ হে আমাদের

বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করুন ! বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top