মুসলমানের মান-সম্মানের প্রতি হস্তক্ষেপ করার বিধান

মানুষ আল্লাহর কাংখিত সৃষ্টির সেরা জীব। সুতরাং একজন আরেকজনকে তুচ্ছজ্ঞান বা হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে না। যখন কোন ব্যক্তি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে তখন স্বভাবতই সে নিজেকে তার চেয়ে শ্রেয় মনে করে,যা অহংকারের পর্যায়ভুক্ত। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি হাদীছে জনৈক ছাহাবীর এক প্রশ্নের উত্তরে অহংকারের ব্যাখ্যা দিয়ে রাসূল (ছাঃ) বলেন, اَلْكِبْرُ بَطَرُ الْحَقِّ وَ غَمْطُ النَّاسِ. ‘অহংকার হচ্ছে সত্যকে অস্বীকার করা এবং লোকদের নীচুজ্ঞান করা’(মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৮)। এজন্য কথা, কর্ম বা আচরণের মাধ্যমে কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা বা হেয় প্রতিপন্ন করা নিষেধ। আবু […]

মুসলমানের মান-সম্মানের প্রতি হস্তক্ষেপ করার বিধান বিস্তারিত পডুন »

পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার বিধান

কোন ব্যক্তি শুধু পায়ে হেঁটে হজ্জব্রত পালনে যেতে ইচ্ছা পোষণ করলে সে ভুল সিন্ধান্ত নিবে। কেননা দ্বীনের মধ্যে বাড়াবাড়ী সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বাহনে ও পায়ে হেঁটে যাওয়া সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ اَذِّنۡ فِی النَّاسِ بِالۡحَجِّ یَاۡتُوۡکَ رِجَالًا وَّ عَلٰی کُلِّ ضَامِرٍ یَّاۡتِیۡنَ مِنۡ کُلِّ فَجٍّ عَمِیۡقٍ  ‘‘আর মানুষের নিকট হজ্জের ঘোষণা দাও; তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্ব প্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রসমূহের পিঠে, তারা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে‘’ (হজ্জ ২২/২৭)। শুধু পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার মানত করে নিজেকে কষ্ট দেওয়া সমীচীন নহে। কেননা

পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার বিধান বিস্তারিত পডুন »

সম্মিলিত মুনাজাতের বিধান

ফরয ছালাত শেষে সালাম ফিরানোর পরে ইমাম ও মুক্তাদী সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে ইমামের সরবে দো‘আ পাঠ ও মুক্তাদীদের সশব্দে ‘আমীন’ ‘আমীন’ বলার প্রচলিত প্রথাটি দ্বীনের মধ্যে একটি নতুন সৃষ্টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম হ’তে এর পক্ষে ছহীহ বা যঈফ সনদে কোন দলীল নেই। বলা আবশ্যক যে, আজও মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদে উক্ত প্রথার কোন অস্তিত্ব নেই। আর যা দ্বীনের মধ্যে নেই তা পালনের প্রশ্নই আসে না। তবে মনে রাখা আবশ্যক, কিয়ামত পর্যন্ত একমাত্র মদীনাতেই সঠিক দ্বীন বহাল থাকবে, ইনশাআল্লাহ। ছালাতের সংজ্ঞা : ‘ছালাত’

সম্মিলিত মুনাজাতের বিধান বিস্তারিত পডুন »

আরাফাত দিবসের ছিয়াম

(একটি ব্যাখ্যা স্বরূপ নিবন্ধ) ফযীলত সমূহ :(১) আবু কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে আরাফাহ দিবসের ছিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّى أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِى قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِى بَعْدَهُ- ‘আরাফার দিনের ছিয়াম, আমি মনে করি বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হিসাবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে’ (মুসলিম হা/১১৬৩)। (২) আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو

আরাফাত দিবসের ছিয়াম বিস্তারিত পডুন »

আদর্শ দাম্পত্য জীবন : স্ত্রীর করণীয়

ভূমিকা : বিবাহ নারী-পুরুষ দু‘জন অচেনা মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে আত্মিক সম্পর্ক। মধুর এক সম্পর্কে দু’টি দেহ মন মিলে-মিশে একই সত্ত্বা ও অনুভূতির অনবদ্য বন্ধনে বাঁধা পড়ে। পবিত্র এ বন্ধনে স্বামী-স্ত্রী অকৃত্রিম ভালবাসা, অগাধ বিশ্বাস, অপ্রতিম শ্রদ্ধাবোধ আর পাহাড়সম দায়িত্বের বোঝা নিয়ে জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করে। স্বামী চায় সারাদিন ঘামঝরা পরিশ্রম করে এসে স্ত্রীর মিষ্টভাষা আর ভালোবাসার পরশে সিক্ত হ’তে। আবার স্ত্রীও চায় পরিবারের দায়িত্বের বোঝা সামাল দিয়ে স্বামীর স্নেহের প্রশস্ত ছায়ায় সুখের নীড় খুঁজে পেতে। কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু কিছু স্বামী-স্ত্রীর কারণে

আদর্শ দাম্পত্য জীবন : স্ত্রীর করণীয় বিস্তারিত পডুন »

আযানের পরে দো‘আ ও ফযীলত

(ফযীলতপূর্ণ দো‘আ ও যিকির’ বই থেকে নেয়া) আযানের জবাব শেষে প্রথমে রাসূল (ছাঃ)-এর ওপর দরূদ পাঠ করতে হবে এবং এর পরে নিচের দো‘আগুলো। হাদীছে এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমার ইবনে ‘আছ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন, إِذَا سَمِعْتُمُ الْمُؤَذِّنَ، فَقُوْلُوْا مِثْلَ مَا يَقُوْلُ ثُمَّ صَلُّوْا عَلَيَّ، ‘যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন আযানের জবাবে তাই বলবে যা মুওয়ায্যিন বলে থাকেন। অতঃপর আমার উপর দরূদ পাঠ করতে হবে’। মুসলিম হা/৩৮৪; মিশকাত হা/৬৫৭। দরূদ পাঠের পর নিচের দো‘আগুলো পাঠ করতে হবে। দো‘আ-১ (১) أَللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ،

আযানের পরে দো‘আ ও ফযীলত বিস্তারিত পডুন »

স্বামী সম্পর্কে কন্যার প্রতি পিতার নছীহত

’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে উৎসুক ছিলাম যে, আমি ’উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করব, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণের মধ্যে কোন্ দু’জনের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেনঃ ’’তোমরা দু’জন যদি অনুশোচনাভরে আল্লাহর দিকে ফিরে আস (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম), তোমাদের অন্তর (অন্যায়ের দিকে) ঝুঁকে পড়েছে।’’ (সূরাহ আত-তাহরীম ৬৬ঃ ৪) এরপর একবার তিনি [’উমার (রাঃ)] হাজ্জের জন্য রওয়ানা হলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে হাজ্জে গেলাম। (ফিরে আসার পথে) তিনি ইস্তিনজার জন্য রাস্তা থেকে সরে গেলেন।

স্বামী সম্পর্কে কন্যার প্রতি পিতার নছীহত বিস্তারিত পডুন »

লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা

বই : রামাযান ও ছিয়াম লেখক : মুহাম্মাদ লিলবর আল-বারাদী একজন মুমিন সারা বছর চাতকের মত রামাযানের প্রতীক্ষায় থাকে। অন্যদিকে রামাযান মাসের শেষ দশকে আগমনে ‘লায়লাতুল ক্বদর’ তথা ক্বদরের রাত্রী তালাশে ব্যাকুল হয়ে থাকে। ক্বদরের রাত একটি মহিমান্বিত ও বরকতময় রজনী। মহান আল্লাহ তা‘আলার কৃপায় এ রাতে সাধ্যমত ইবাদত করা এবং পাপ মোচন করিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ রাত শেষে দশকের বিজোড় রাত্রীতে তালাশ করতে হয়। লায়লাতুল ক্বদরের নামকরণ : ‘ক্বদর’ (اَلْقَدْرُ) অর্থ সম্মান, মর্যাদা। আর لَيْلَةُ الْقَدْرِ অর্থ মর্যাদার রাত্রি, বা মহিমান্বিত রজনী। যেমন

লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top