‘নাজী’ ফের্কা কোন্টি? (اَلْفِرْقَةُ النَّاجِيَةُ مَا هِىَ؟)

১. ইমাম বুখারী (১৯৪-২৫৬ হিঃ)-এর উস্তাদ আলী ইবনুল মাদীনী (১৬১-২৩৪ হিঃ) বলেন, هُمْ أَهْلُ الْحَدِيْثِ وَالَّذِيْنَ يَتَعَاهَدُوْنَ مَذَاهِبَ الرَّسُوْلِ وَ يَذُبُّوْنَ عَنِ الْعِلْمِ، وَ لَوْلاَ هُمْ لَمْ نَجِدْ عَنِ الْمُعْتَزِلَةِ وَالرَّافِضَةِ وَالْجَهْمِيَّةِ وَأَهْلِ الْإِرْجَاءِ وَالرَّأْىِ شَيْئًا مِّنَ السُّنَنِ، فَقَدْ جَعَلَ رَبُّ الْعَالَمِيْنَ الطَّائِفَةَ الْمَنْصُوْرَةَ حُرَّاسَ الدِّيْنِ وَ صَرَفَ عَنْهُمْ كَيْدَ الْمُعَانِدِيْنَ لِتَمَسُّكِهِمْ بِالشَّرْعِ الْمَتِيْنِ وَاقْتِفَائِهِمْ آثَارَ الصَّحَابَةِ وَالتَّابِعِيْنَ … اُوْلَئِكَ حِزْبُ اللهِ أَلاَ إِنَّ حِزْبَ اللهِ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ- ‘উক্ত দল হ’ল ‘আহলুল হাদীছ জামা‘আত’। যারা রাসূলের বিধানসমূহের হেফাযত করে ও তাঁর ইল্ম কুরআন ও হাদীছের […]

‘নাজী’ ফের্কা কোন্টি? (اَلْفِرْقَةُ النَّاجِيَةُ مَا هِىَ؟) বিস্তারিত পডুন »

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত (أَهْلُ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ)

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত এবং ছাহাবী ও তাবেঈগণের জামা‘আতের অনুসারী ব্যক্তিকে ‘আহলেসুন্নাত ওয়াল জামা‘আত’ বলা হয়। এক্ষণে আহলেসুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের পরিচয় দিতে গিয়ে স্পেনের বিশ্বখ্যাত মনীষী হিজরী পঞ্চম শতকের ইমাম আবু মুহাম্মাদ আলী ইবনু আহমাদ ইবনু হায্ম আন্দালুসী (মৃঃ ৪৫৬ হিঃ) বলেন, وَأَهْلُ السُّنَّةِ الَّذِيْنَ نَذْكُرُهُمْ أَهْلَ الْحَقِّ وَ مَنْ عَدَاهُمْ فَأَهْلُ الْبَاطِلِ فَإِنَّهُمُ الصَّحَابَةُ رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَ كُلُّ مَنْ سَلَكَ نَهْجَهُمْ مِنْ خِيَارِ التَّابِعِيْنَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ ثُمَّ أَهْلُ الْحَدِيْثِ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنَ الْفُقَهَاءِ جِيْلاً فَجِيْلاً إِلَى يَوْمِنَا هذَا وَ مَنِ

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত (أَهْلُ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ) বিস্তারিত পডুন »

আহলেহাদীছের পরিচয় (تَعَارُفُ أَهْلِ الْحَدِيْثِ)

ফারসী সম্বন্ধ পদে ‘আহলেহাদীছ’ এবং আরবী সম্বন্ধ পদে ‘আহলুল হাদীছ’-এর আভিধানিক অর্থ : হাদীছের অনুসারী। পারিভাষিক অর্থ : পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের নিরপেক্ষ অনুসারী। যিনি জীবনের সর্বক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সিদ্ধান্তকে নিঃশর্তভাবে মেনে নিবেন এবং রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও ছাহাবায়ে কেরামের তরীক্বা অনুযায়ী নিজের সার্বিক জীবন গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবেন, কেবলমাত্র তিনিই এ নামে অভিহিত হবেন। ছাহাবায়ে কেরাম হ’লেন জামা‘আতে আহলেহাদীছের প্রথম সারির সম্মানিত দল, যাঁরা এ নামে অভিহিত হ’তেন। যেমন- (১) প্রখ্যাত ছাহাবী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) (মৃঃ ৭৪হিঃ)

আহলেহাদীছের পরিচয় (تَعَارُفُ أَهْلِ الْحَدِيْثِ) বিস্তারিত পডুন »

বন্ধুত্ব

লিলবর আল-বারাদী একটি ভালো বন্ধু, জীবনের একটি অমূল্য সম্পদ। সৎ বন্ধু গ্রহণ ও অসৎ বন্ধু ত্যাগ করতে হবে। কোন ব্যক্তিকে জানতে ও বুঝতে চাইলে তার বন্ধুমহল কেমন তা দেখতে হবে। সৎ বন্ধু দ্বারা সামান্যতম হলেও ভালো কিছু আসা করা যায়। এমনকি যদি তার অজান্তে কোন ক্ষতি হয়, তবে সে বন্ধু ব্যথিত হয়ে তার সমাধান করার চেষ্টা করে, শান্তনা দেয়। তাই সৎ বন্ধুদের আর সত্যবাদী সাথীদের সাথে থাকার নির্দেশ দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُوْنُواْ مَعَ الصَّادِقِيْنَ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে

বন্ধুত্ব বিস্তারিত পডুন »

মা দিবস ও বৃদ্ধাশ্রম : ইসলামী দৃষ্টিকোণ

লিলবর আল-বারাদী  ভূমিকা : আমরা শিশুকালে এমন অসহায় মুখাপেক্ষী যে নিজে নিজে কোন কাজ করার শক্তি থাকেনা, আমাদের পিতামাতা আমাদের এই সময় আমাদের অতি যতেœ লালন পালন করেন, তারা কখনও বিরক্ত বোধ করেন না, যদি মনে রাগের ছায়া পড়ে পরক্ষণে বুকে আগলে আদও ও মমতার চাদরে আচ্ছাদিত করে সন্তানকে। আর কোমল পরশে শান্ত হয় সন্তান। পিতামাতা নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ান, নিজের প্রতি খেয়াল করে না সর্বদা তার সন্তানের চিন্তায় মগ্ন। কিভাবে আমার সন্তান ভূবনে মানুষের মত মানুষ হিসাবে গড়ে উঠবে? পিতামাতা পৃথিবীর সকল কিছু

মা দিবস ও বৃদ্ধাশ্রম : ইসলামী দৃষ্টিকোণ বিস্তারিত পডুন »

ইসলাম ও জঙ্গীবাদ

কখনো তালেবান, কখনো আল-কায়েদা, কখনো জেএমবি, কখনো আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, কখনো আইএস; এভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটে, যাদেরকে আমরা জঙ্গী গোষ্ঠী বলে জানি। সময়ের ব্যবধানে এক পর্যায়ে এদের সাময়িক পতনও হয়। কিন্তু মাঝখান দিয়ে প্রাণ হারায় অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ। গুরুতর আহত ও পঙ্গু হয় অনেকেই। ধ্বংস হয় বহু স্থাপনা। শুধু তাই নয়, প্রতিবারই সারা বিশ্বে মুসলমানদের দেখানো হয় একটা সন্ত্রাসী জাতি হিসাবে। আর এভাবেই একদল বিপথগামী চরমপন্থীদের কারণে ইসলাম, মুসলিম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অবস্থা এখন এমন

ইসলাম ও জঙ্গীবাদ বিস্তারিত পডুন »

ইসলামে তাক্বলীদের বিধান

ভূমিকা : চোখ বন্ধ করে, চিন্তা-ভাবনা ছাড়া, দলীল ও প্রমাণ ব্যতীত নবী ছাড়া অন্য কারো কথা মানাকে (এবং সেটাকে নিজের উপর আবশ্যিক মনে করাকে) তাক্বলীদ (মুত্বলাক বা নিঃশর্ত তাক্বলীদ) বলা হয়। তাক্বলীদের একটি প্রকার হ’ল তাক্বলীদে শাখছী। যাতে মুক্বাল্লিদ প্রকারান্তরে (আমলের ক্ষেত্রে) এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, ‘মুসলমানদের উপর চার ইমামের (মালেক, শাফেঈ, আহমাদ ও আবূ হানীফা) মধ্য থেকে শুধুমাত্র একজন ইমামের (যেমন- পাক-ভারতে ইমাম আবূ হানীফার) (দলীলবিহীন এবং ইজতিহাদী রায়সমূহের) তাক্বলীদ ওয়াজিব। আর অবশিষ্ট তিন ইমামের তাক্বলীদ হারাম’। তাক্বলীদের এ দু’টি প্রকার[1] বাতিল এবং প্রত্যাখ্যাত।

ইসলামে তাক্বলীদের বিধান বিস্তারিত পডুন »

ঈদে মীলাদুন্নবী

সংজ্ঞা : ‘জন্মের সময়কাল’কে আরবীতে ‘মীলাদ’ বা  ‘মাওলিদ’ বলা হয়। সে হিসাবে ‘মীলাদুন্নবী’-র অর্থ দাঁড়ায় ‘নবীর জন্ম মুহূর্ত’। নবীর জন্মের বিবরণ, কিছু ওয়ায ও নবীর রূহের আগমন কল্পনা করে তার সম্মানে উঠে দাঁড়িয়ে ‘ইয়া নাবী সালামু আলায়কা’ বলা ও সবশেষে জিলাপী বিতরণ- এই সব মিলিয়ে ‘মীলাদ মাহফিল’ ইসলাম প্রবর্তিত ‘ঈদুল ফিতর’ ও ‘ঈদুল আযহা’ নামক দু’টি বার্ষিক ঈদ উৎসবের বাইরে ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ নামে তৃতীয় আরেকটি ধর্মীয়(?) অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। উৎপত্তি : ক্রুসেড বিজেতা মিসরের সুলতান ছালাহুদ্দীন আইয়ূবী (৫৩২-৫৮৯ হিঃ) কর্তৃক নিযুক্ত ইরাকের ‘এরবল’ এলাকার গভর্ণর

ঈদে মীলাদুন্নবী বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top