আত্নশুদ্ধি

মু‘আমালাত ও মু‘আশারাত সম্পর্কে ধারনা

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। আল্লাহ প্রত্যেক মানুষকেই একে অপরের পরিপূরক করে সৃষ্টি করেছেন। মানুষের ব্যক্তিগত ইবাদত যেমন সালাত, সিয়াম, যাকাত ও হজ্জের বিধান ইসলাম দিয়েছে, তেমনি মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবার, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও সমাজের মানুষের সঙ্গে আচরণের জন্যও সুস্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। ইসলামী শরিয়তের এই সামাজিক ও পারস্পরিক আচরণসংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা হলো- মু‘আমালাত (المعاملات) ও মু‘আশারাত (المعاشرات)। (ক) মু‘আমালাত বলতে সাধারণত মানুষের পারস্পরিক লেনদেন ও অধিকার-সম্পর্কিত বিষয় বোঝায়।যেমন ক্রয়-বিক্রয়, ঋণ, আমানত, অংশীদারি, চুক্তি, ভাড়া, শ্রমিকের অধিকার ইত্যাদি। (খ) মু‘আশারাত বলতে মানুষের সঙ্গে […]

মু‘আমালাত ও মু‘আশারাত সম্পর্কে ধারনা বিস্তারিত পডুন »

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও তা উত্তম

সর্বাবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও তা উত্তম। সুতরাং হয় ভালো কথা বলো নতুবা চুপ থাকো। তবুও রাগ করো না। রাগ শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, যা গর্হিত কাজ। মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, লাভ-ক্ষতি, সম্মান-অপমান, রাগ-অনুরাগ ও বিপদ-আপদ—বিভিন্ন পরিস্থিতি আসতেই থাকে। এসব পরিস্থিতিতে নিজের আবেগ, রাগ, প্রবৃত্তি, কথা ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ নয়। বিশেষ করে রাগের মুহূর্তে মানুষ অনেক সময় এমন কথা বলে বা এমন কাজ করে বসে, যার জন্য পরবর্তীতে তাকে অনুতপ্ত হতে হয়। ইসলাম মানুষকে আবেগহীন হতে বলেনি; বরং আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে আল্লাহর

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও তা উত্তম বিস্তারিত পডুন »

প্রতিদিন ক্ষমা করো এবং ক্ষমা চাও

আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কাজের লোককে প্রতিদিন কতোবার ক্ষমা করবো? তিনি চুপ থাকলেন। লোকটি আবার একই প্রশ্ন করলে এবারও তিনি চুপ থাকলেন। তৃতীয় বার প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সত্তর বার’ (আবু দাউদ হা/৫১৬৪, তিরমিযী হা/১৯৪৯)। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে: “এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা একজন বান্দাকে কতবার ক্ষমা করব?” অর্থাৎ: সে যখন কোনো অন্যায় কাজ করে অথবা

প্রতিদিন ক্ষমা করো এবং ক্ষমা চাও বিস্তারিত পডুন »

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা

ইসলাম মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। মানুষের জীবনে আল্লাহ তাআলার নিয়ামত, সুখ-সমৃদ্ধি কিংবা বিপদ-আপদ—সবই পরীক্ষা। অনেক মানুষ দুনিয়ার ধন-সম্পদ, ক্ষমতা ও সাফল্যকে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিদর্শন মনে করে। কিন্তু কুরআন ও হাদীস শিক্ষা দেয় যে, সব নিয়ামত আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষণ নয়। অনেক সময় অবাধ্য বান্দাকে আরও গুনাহে নিমজ্জিত করার জন্য আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন, যা ইস্তিদরাজ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, ঈমান ও তাকওয়ার ওপর অটল থেকে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলাকে ইস্তিকামাত বলা হয়। একজন মুমিনের জীবনে ইস্তিকামাত

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা বিস্তারিত পডুন »

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য

ইসলামে মানুষের জীবন এক পরীক্ষার ক্ষেত্র। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিভিন্ন পরিস্থিতি, সুখ, দুঃখ, ভয় ও ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করবেন। বিনা পরীক্ষায় কোন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কেননা জান্নাত দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ঘেরা রয়েছে। (ক) দুনিয়াতে প্রকৃত মুমিন বান্দার জন্য পরীক্ষা অনিবার্য। ১. কেবল ঈমান এনেছি বললেই পরীক্ষা ছাড়া কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, اَحَسِبَ النَّاسُ اَنۡ یُّتۡرَكُوۡۤا اَنۡ یَّقُوۡلُوۡۤا اٰمَنَّا وَ هُمۡ لَا یُفۡتَنُوۡنَ ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য বিস্তারিত পডুন »

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে

আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنِ اھْتَدٰی فَاِنَّمَا یَھْتَدِیْ لِنَفْسِھ۪ﺆ وَمَنْ ضَلَّ فَاِنَّمَا یَضِلُّ عَلَیْھَاﺚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ اُخْرٰیﺚ وَمَا کُنَّا مُعَذِّبِیْنَ حَتّٰی نَبْعَثَ رَسُوْلًاﭞ  ‘‘যে হেদায়াতের পথে চলবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যই চলবে, আর যে ভ্রষ্ট পথে চলবে এর পরিণাম তার নিজের উপরেই বর্তাবে। একজনের (পাপের) বোঝা অন্যজনে বহণ করবে না। আমরা রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেয় না’’ (ইসরা ১৭/১৫)। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, যে ব্যক্তি সৎপথ অবলম্বন করে, সত্যের অনুসরণ করে এবং নুবুওয়াতকে স্বীকার করে, এটা তার নিজের জন্যেই কল্যাণকর হয়। আর যে

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে বিস্তারিত পডুন »

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,  ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও! নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলোর উদাহরণ হল ঐ লোকদের মত যারা কোন মাঠে বা প্রান্তরে গিয়ে অবস্থান করল এবং তাদের প্রত্যেকেই কিছু কিছু করে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) সংগ্রহ করে নিয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত এতটা লাকড়ি তারা সংগ্রহ করল যা দিয়ে তাদের খাবার পাকানো হল। নিশ্চয় নগণ্য ছোট ছোট গুনাহতে লিপ্ত থাকা ব্যক্তিদেরকে যখন সেই নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলো গ্রাস করবে (পাকড়াও করবে) তখন তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে।’’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও বিস্তারিত পডুন »

সূদের পরিচয় ও বিধান

ইসলামে সূদ নিকৃষ্ট হারাম। এটা কবীরাহ গুণাহ। যা কুরআন ও হাদীছ দ্বারা এটা প্রমাণিত। এই বিষয়টি জানার পরেও যারা সূদ খায়, সূদী লেনদেন করে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافاً مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে’ (আলে ইমরান ৩/১৩০)। তিনি আরো বলেন,يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ- ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং

সূদের পরিচয় ও বিধান বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top