দরসে হাদীছ/হাদীস

দরসে হাদীস : ধোঁকাব্যঞ্জকের যুগে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন!

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) বলেন, একদিন নবী (ছাঃ) আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, (হে ’আবদুল্লাহ!) তখন তোমার কিরূপ হবে? যখন তুমি নিকৃষ্ট ও ইতর লোকদের মধ্যে যাবে, তাদের (দ্বীনের ব্যাপারে) অস্বীকার ও আমানতের মাঝে ভেজাল এসে যাবে এবং পরস্পরে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে পড়বে। তাদের অবস্থা হবে এরূপ এবং (এ কথা বলে) উভয় হাতের অঙ্গুলিসমূহকে পরস্পরের মধ্যে ঢুকালেন। ’আবদুল্লাহ বললেন, ফেৎনার সময় আমার কর্তব্য কি হবে? আপনিই আমাকে নির্দেশ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, عَلَيْكَ بِمَا تَعْرِفُ وَدَعْ مَا تُنْكِرُ وَعَلَيْكَ بِخَاصَّةِ نَفْسِكَ وَإِيَّاكَ وَعَوَامِّهِمْ […]

দরসে হাদীস : ধোঁকাব্যঞ্জকের যুগে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন! বিস্তারিত পডুন »

দাজ্জাল কি জীবিত (?)

দাজ্জাল : আরবী শব্দ المسيح الدجّال‎, প্রতিবর্ণী. al-Masīḥ ad-Dajjāl‎; প্রতিবর্ণী. মসিহা দগ্গাল) ইসলামি বিধান অনুসারে একটি অশুভ চরিত্র। বিভিন্ন স্থান থেকে—সাধারণত পূর্বাঞ্চল, খোরাসান বা সিরিয়া ও ইরানের মধ্যবর্তী কোনো এলাকা থেকে—তার আগমন ঘটবে বলে ধারণা করা। দাজ্জাল চরিত্রটি খ্রিষ্টান পরলোকতত্ত্বে বর্ণিত খ্রিষ্টারি চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। দাজ্জাল পূর্ব থেকেই জীবিত রয়েছে এবং বিখ্যাত ছাহাবী তামীম দারী (রাঃ) ও তার ত্রিশজন সাথী সাগরে পথ হারিয়ে এক দ্বীপে গিয়ে ওঠেন। সেখানে পানির খোঁজে বের হ’লে একজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়। যে তার চুল টেনে নিয়ে চলছিল। অতঃপর তিনি দাজ্জালের কাহিনী বর্ণনা করেন। যেখানে দাজ্জালের বক্তব্য এসেছে এভাবে যে, যদি আমাকে এখান থেকে বের হওয়ার

দাজ্জাল কি জীবিত (?) বিস্তারিত পডুন »

মুমিন ব্যক্তির স্বপ্ন

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই তাঁর সাহাবীদেরকে বলতেন, তোমাদের কেউ কোন স্বপ্ন দেখেছ কি? রাবী বলেন, যাদের ক্ষেত্রে আল্লাহর ইচ্ছা, তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে স্বপ্ন বর্ণনা করত। তিনি একদিন সকালে আমাদেরকে বললেনঃ গত রাতে আমার কাছে দু’জন আগন্তুক আসল। তারা আমাকে উঠাল। আর আমাকে বলল, চলুন। আমি তাদের সঙ্গে চললাম। আমরা কাত হয়ে শুয়ে থাকা এক লোকের কাছে আসলাম। দেখলাম, অন্য এক লোক তার নিকট পাথর নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে তার মাথায় পাথর নিক্ষেপ করছে। ফলে তার মাথা ফেটে যাচ্ছে। আর পাথর নিচে

মুমিন ব্যক্তির স্বপ্ন বিস্তারিত পডুন »

যিকিরকারীকে আল্লাহ পুরস্কৃত করেন

যিকিরের মজলিশ নিয়ে আল্লাহ ফেরেশতাদের সামনে গর্ববোধ করেন। আল্লাহ্কে স্মরণ করা হয় যে মজলিসে তা জান্নাতের সাথে তুলনা করে রাসূল (ছাঃ) বলেন, إِذَا مَرَرْتُمْ بِرِيَاضِ الْجَنَّةِ فَارْتَعُوا ‘যখন তোমরা জান্নাতের বাগানে পৌঁছবে তখন উহার ফল খাবে। ছাহাবীগণ বলেন, জান্নাতের বাগান কি? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সেটা হ’ল- حِلَقُ الذِّكْرِ ‘যিকিরের মজলিস’ (তিরমিযী হা/৩৫১০; মিশকাত হা/২২৭১)। (حِلَقُ الذِّكْرِ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ‘ইলম অন্বেষণের স্থান যেখানে বসে বসে মানুষ দীনী ‘ইলম শিক্ষা করতে পারে। হাসান বসরী (রহঃ) বলেন, ‘দুনিয়া পুরোটাই অন্ধকার; শুধু জ্ঞানীদের মাজলিস ব্যতীত’ (জামিয়ু বায়ানিল ইলমি

যিকিরকারীকে আল্লাহ পুরস্কৃত করেন বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : কৃতজ্ঞতা (আলহামদুলিল্লাহ)

ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা (আঃ) কোমরবন্দ লাগাতেন সারাহ (আঃ) থেকে নিজের মর্যাদা গোপন রাখার জন্য। অতঃপর ইবরাহীম (আঃ) হাযেরা (আঃ) এবং তাঁর শিশু ছেলে ইসমাঈল (আঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে বের হলেন এ অবস্থায় যে, হাযেরা (আঃ) শিশুকে দুধ পান করাতেন। অবশেষে যেখানে কা’বার ঘর অবস্থিত, ইবরাহীম (আঃ) তাঁদের উভয়কে সেখানে নিয়ে এসে মসজিদের উঁচু অংশে যমযম কূপের উপরে অবস্থিত একটি বিরাট গাছের নীচে তাদেরকে রাখলেন। তখন মক্কা্য় না ছিল কোন মানুষ, না ছিল কোনরূপ

দরসে হাদীছ : কৃতজ্ঞতা (আলহামদুলিল্লাহ) বিস্তারিত পডুন »

দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা কামনা করে দো‘আ

দো‘আ : اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْمُعَافَاةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ ‏ ‏. উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল মুআফাতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ। অর্থ : ’’হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা কামনা করি’’ (ইবনু মাজাহ হা/৩৮৫১; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১১৩৮)। ফযীলত : আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, বান্দা যত রকম দোআ করে তার মধ্যে اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْمُعَافَاةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ অর্থাৎ- ’’হে আল্লাহ আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা কামনা করি’’ এ দোআর চেয়ে উত্তম কোন দোআ নাই’’(ইবনু মাজাহ হা/৩৮৫১; সিলসিলা

দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা কামনা করে দো‘আ বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : মিরাজের রাতের ঘটনাবলী

সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর অভ্যাস ছিল তিনি ফজরের সালাত শেষে প্রায়ই আমাদের দিকে মুখ করে বসতেন এবং জিজ্ঞেস করতেন, তোমাদের কেউ আজ রাতে কোন স্বপ্ন দেখেছ কি? রাবী বলেন, আমাদের কেউ কোন স্বপ্ন দেখে থাকলে তাঁর নিকট বলত। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর হুকুম মোতাবেক তার তা’বীর করতেন। যথারীতি একদিন সকালে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কেউ (আজ রাতে) কোন স্বপ্ন দেখেছ কি? আমরা বললাম, না। অতঃপর তিনি বললেন, কিন্তু আমি দেখেছি, আজ রাতে দু’ ব্যক্তি আমার নিকট এলো এবং তারা উভয়ে

দরসে হাদীছ : মিরাজের রাতের ঘটনাবলী বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : মৃত্যু ও তৎপরবর্তী সময়

মৃত্যুর পরে কী হবে আমাদের সাথে তা জেনে নিন। বারা ইবনু আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জনৈক আনসারির জানাজায় বের হলাম, আমরা তার কবরে পৌঁছলাম, তখনো কবর খোঁড়া হয়নি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবসলেন আমরা তার চারপাশে বসলাম, যেন আমাদের মাথার ওপর পাখি বসে আছে, তার হাতে একটি লাকড়ি ছিল তিনি মাটি খুড়তে ছিলেন, অতঃপর মাথা উঠিয়ে বললেন: “তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব থেকে পানাহ চাও, দুইবার অথবা তিনবার (বললেন)”। অতঃপর বললেন: “নিশ্চয় মুমিন বান্দা যখন দুনিয়া প্রস্থান

দরসে হাদীছ : মৃত্যু ও তৎপরবর্তী সময় বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top