আক্বীদাহ বা বিশ্বাস

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে

আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنِ اھْتَدٰی فَاِنَّمَا یَھْتَدِیْ لِنَفْسِھ۪ﺆ وَمَنْ ضَلَّ فَاِنَّمَا یَضِلُّ عَلَیْھَاﺚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ اُخْرٰیﺚ وَمَا کُنَّا مُعَذِّبِیْنَ حَتّٰی نَبْعَثَ رَسُوْلًاﭞ  ‘‘যে হেদায়াতের পথে চলবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যই চলবে, আর যে ভ্রষ্ট পথে চলবে এর পরিণাম তার নিজের উপরেই বর্তাবে। একজনের (পাপের) বোঝা অন্যজনে বহণ করবে না। আমরা রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেয় না’’ (ইসরা ১৭/১৫)। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, যে ব্যক্তি সৎপথ অবলম্বন করে, সত্যের অনুসরণ করে এবং নুবুওয়াতকে স্বীকার করে, এটা তার নিজের জন্যেই কল্যাণকর হয়। আর যে […]

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা

আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সাজ্দাহয় পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ

সূর্যের সেজদা করা ও পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা

সূর্য ধীরে ধীরে আলো হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়া বা নিভে যাওয়ার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং আধুনিক বিজ্ঞানের তথ্যের সাথে বিস্ময়করভাবে মিলে যায়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাকবীরে মহান আল্লাহ এর স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন: “যখন সূর্য তার আলো হারাবে (বা গুটিয়ে নেওয়া হবে)।” (সূরা আত-তাকবীর: ১) এখানে আরবি ‘কুয়্যিরাত’ (Kuwwirat) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে ‘পেঁচানো’ বা ‘গুটিয়ে নেওয়া’ (যেমন মাথার পাগড়ি গোল করে পেঁচানো হয়)। এটি নির্দেশ করে যে, সূর্য একসময় তার চারপাশের বিশাল আলোকচ্ছটা

সূর্যের আলো নিষ্প্রভ হবে ও নক্ষত্র খসে পড়বে : একটি পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব

একজন নাস্তিক প্রশ্ন করেন : আদম (আঃ) কী হওয়া (আঃ)-কে বিবাহ করেছিলেন? উনার এই প্রশ্নের জবাবে হযরত হাওয়া (আঃ) কখন ও কীভাবে আদম (আঃ)-এর স্ত্রী হলেন সেই উত্তর দলিলসহ প্রবন্ধাকারে অবতারণা করা হলো- আল্লাহ এই ধরণীতে মাটি থেকে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করেন এবং তারপর তা থেকে ক্রমশঃ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই মানব জাতি। মহান আল্লাহর ভাষায়,يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوْبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوْا   ‘হে মানবমন্ডলী! আমরা তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। আর তোমাদেরকে বিভিন্ন বংশ ও

নাস্তিক ব্যক্তির একটি প্রশ্নের জবাব বিস্তারিত পডুন »

সূদের পরিচয় ও বিধান

ইসলামে সূদ নিকৃষ্ট হারাম। এটা কবীরাহ গুণাহ। যা কুরআন ও হাদীছ দ্বারা এটা প্রমাণিত। এই বিষয়টি জানার পরেও যারা সূদ খায়, সূদী লেনদেন করে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافاً مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে’ (আলে ইমরান ৩/১৩০)। তিনি আরো বলেন,يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ- ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং

সূদের পরিচয় ও বিধান বিস্তারিত পডুন »

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া

ক্বিয়ামতের আলামত সম্পর্কিত যত হাদীস রয়েছে এই হাদীস তার অন্যতম। কিয়ামতের প্রাককালে সম্পদ ব্যপকহারে বৃদ্ধিপাবে, কিন্তু বরকত থাকবে না। বরং হারামে জড়িয়ে পড়বে। কীভাবে সম্পদ আহরিত হচ্ছে এর প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ব্যবসার প্রসার ঘটবে ঘরে ঘরে এমনকি নারী পুরুষ কাধে কাধ মিলিয়ে ব্যবসা করবে, কিন্তু ব্যবসায় বরকত কমে যাবে। ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মানুষ অধিক হারে জ্ঞানার্জন করবে কিন্তু তা আমলে নিবে না। অনেক সময় বাহবা কিংবা রিয়া বা লৌকিকতা অথবা বাহাদুরী দেখানোর জন্য অনেকে ইলম অর্জন করবে। এছাড়াও AI

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া বিস্তারিত পডুন »

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার

 বদ নজর বলতে সাধারণত হিংসা, ঈর্ষা বা অতিরিক্ত প্রশংসার মাধ্যমে অন্যের প্রতি কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করাকে বোঝানো হয়, যা ক্ষতিকারক হতে পারে।  প্রভাবশালী শক্তি নির্গত হয়, যার উপর ক্ষতি হয়, এবং বদ নজর বাস্তব, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এবং যদি ভাগ্যের আগে কিছু থাকত, তাহলে বদ নজর তার আগে আসত। এই বিষয়ে মানুষ হয় অতিরিক্ত, অথবা অতিরিক্ত, এবং এই ক্ষেত্রে মধ্যপন্থী খুব কম। আপনি এমন কিছু লোক খুঁজে পাবেন যারা অতিরিক্ত, অর্থাৎ তারা যাদের সাথে দেখা হয় তাদের সবাইকে আল্লাহকে স্মরণ করতে, আল্লাহকে স্মরণ

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার বিস্তারিত পডুন »

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান

বিশ্ববাসীর জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছেন বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)। তিনি মাত্র ২৩ বছরের প্রচেষ্টায় আরবের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। তৎকালীন পৃথিবীর মানুষ অবাক দৃষ্টিতে অবলোকন করেছিল সমাজ পরিবর্তনের এই দৃশ্য। বহু দোষে দুষ্ট মানুষগুলিকে মুহূর্তের মধ্যে সোনার মানুষে রূপান্তরিত করার চমৎকার পদ্ধতি। এমন একজন মহান ব্যক্তির চরিত্রকে দু’চার কথায় কলমের অাঁচড়ে তুলে ধরা সম্ভব নয়। যাঁর সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ বলেছেন, وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلاَّ رَحْمَةً لِلْعَالَمِيْنَ ‘(হে মুহাম্মাদ) তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি’ (আম্বিয়া ১০৭)। তাঁকে আল্লাহ তা‘আলা উত্তম চরিত্রের নমুনা হিসাবে পাঠিয়েছেন। তিনি

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top