আত্নশুদ্ধি

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য

ইসলামে মানুষের জীবন এক পরীক্ষার ক্ষেত্র। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিভিন্ন পরিস্থিতি, সুখ, দুঃখ, ভয় ও ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করবেন। বিনা পরীক্ষায় কোন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কেননা জান্নাত দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ঘেরা রয়েছে। (ক) দুনিয়াতে প্রকৃত মুমিন বান্দার জন্য পরীক্ষা অনিবার্য। ১. কেবল ঈমান এনেছি বললেই পরীক্ষা ছাড়া কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, اَحَسِبَ النَّاسُ اَنۡ یُّتۡرَكُوۡۤا اَنۡ یَّقُوۡلُوۡۤا اٰمَنَّا وَ هُمۡ لَا یُفۡتَنُوۡنَ ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত […]

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য বিস্তারিত পডুন »

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে

আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنِ اھْتَدٰی فَاِنَّمَا یَھْتَدِیْ لِنَفْسِھ۪ﺆ وَمَنْ ضَلَّ فَاِنَّمَا یَضِلُّ عَلَیْھَاﺚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ اُخْرٰیﺚ وَمَا کُنَّا مُعَذِّبِیْنَ حَتّٰی نَبْعَثَ رَسُوْلًاﭞ  ‘‘যে হেদায়াতের পথে চলবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যই চলবে, আর যে ভ্রষ্ট পথে চলবে এর পরিণাম তার নিজের উপরেই বর্তাবে। একজনের (পাপের) বোঝা অন্যজনে বহণ করবে না। আমরা রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেয় না’’ (ইসরা ১৭/১৫)। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, যে ব্যক্তি সৎপথ অবলম্বন করে, সত্যের অনুসরণ করে এবং নুবুওয়াতকে স্বীকার করে, এটা তার নিজের জন্যেই কল্যাণকর হয়। আর যে

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে বিস্তারিত পডুন »

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,  ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও! নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলোর উদাহরণ হল ঐ লোকদের মত যারা কোন মাঠে বা প্রান্তরে গিয়ে অবস্থান করল এবং তাদের প্রত্যেকেই কিছু কিছু করে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) সংগ্রহ করে নিয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত এতটা লাকড়ি তারা সংগ্রহ করল যা দিয়ে তাদের খাবার পাকানো হল। নিশ্চয় নগণ্য ছোট ছোট গুনাহতে লিপ্ত থাকা ব্যক্তিদেরকে যখন সেই নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলো গ্রাস করবে (পাকড়াও করবে) তখন তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে।’’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ

ছোট পাপ থেকে সাবধান হও বিস্তারিত পডুন »

সূদের পরিচয় ও বিধান

ইসলামে সূদ নিকৃষ্ট হারাম। এটা কবীরাহ গুণাহ। যা কুরআন ও হাদীছ দ্বারা এটা প্রমাণিত। এই বিষয়টি জানার পরেও যারা সূদ খায়, সূদী লেনদেন করে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافاً مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে’ (আলে ইমরান ৩/১৩০)। তিনি আরো বলেন,يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ- ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং

সূদের পরিচয় ও বিধান বিস্তারিত পডুন »

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয়

বিপদ বান্দার উপর দুভাবে আসে। এক. দুষ্ট লোকের জন্য আযাব হিসেবে দ্বীনে ফেরানোর জন্য। দুই. সৎ ব্যক্তিকে ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষা স্বরূপ। আর উভয়ের জন্যই পাপ মোচন হয়ে থাকে। প্রশ্ন হ’তে পারে যে, পৃথিবীতে নবী-রাসূল ও সৎ লোকদের উপর যেসব বালা-মুছীবত আসে, সেগুলি কি আল্লাহর গযব হিসাবে গণ্য হবে? যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়, أىُّ الناسِ أشدُّ بلاءً ؟ قال: الأنبياءُ ثمَّ الأمثلُ فالأمثلُ، يُبتلَى الرَّجلُ على حسب دينيه فإن كانَ صُلباً في دينيه اشتدَّ بلاءُه، وإن كانَ فى دينيه رِقَّةٌ هُوِّنَ عليه، فمازال كذلك

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয় বিস্তারিত পডুন »

ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তি সফল

আল্লাহর পরীক্ষায় ঈমান সুদৃঢ় হয়। ঈমান আনয়নের পরে ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষা নিয়ে থাকেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। এমনকি প্রত্যেক নবী-রাসূল অগ্নিপরীক্ষা দিয়েছেন যুগে যুগে। বলা বাহুল্য, যার ঈমানের যতবেশী তীক্ষ্ণতা, তার ততবেশী পরীক্ষা। অধিকাংশ দুর্বল মুমিন বান্দা জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে এটাকে আযাব মনে করে বিপথগামী হয়। সুতরাং আল্লাহ পরীক্ষা ব্যতীত কাউকেই জান্নাতে ঢুকাবেন না। তাই আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত ২৯/২)? অপর দিকে রাসূল (সা.) জান্নাতকে দুঃখ-কষ্টের এবং জাহান্নামকে

ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তি সফল বিস্তারিত পডুন »

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান

বিশ্ববাসীর জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছেন বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)। তিনি মাত্র ২৩ বছরের প্রচেষ্টায় আরবের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। তৎকালীন পৃথিবীর মানুষ অবাক দৃষ্টিতে অবলোকন করেছিল সমাজ পরিবর্তনের এই দৃশ্য। বহু দোষে দুষ্ট মানুষগুলিকে মুহূর্তের মধ্যে সোনার মানুষে রূপান্তরিত করার চমৎকার পদ্ধতি। এমন একজন মহান ব্যক্তির চরিত্রকে দু’চার কথায় কলমের অাঁচড়ে তুলে ধরা সম্ভব নয়। যাঁর সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ বলেছেন, وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلاَّ رَحْمَةً لِلْعَالَمِيْنَ ‘(হে মুহাম্মাদ) তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি’ (আম্বিয়া ১০৭)। তাঁকে আল্লাহ তা‘আলা উত্তম চরিত্রের নমুনা হিসাবে পাঠিয়েছেন। তিনি

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান বিস্তারিত পডুন »

সমাজ সংশোধনের পূর্বে নিজেকে সংশোধন করুন!

সমাজকে শুধু দোষ দিয়ে নয়, নিজেকে দোষারোপ করুন। নিজেদের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজ প্রতিস্থাপন হতে বাধ্য। ধোঁকাব্যঞ্জকের যুগে মানুষ আজ গুপ্ত শিরকে লিপ্ত এবং নানা রকম অপরাধে অভ্যস্ত। কেননা মানব জীবনে নানা ঘাত-প্রতিঘাত জীবনকে প্রতিনিয়ত যেমনি শোধরিয়ে দেয় তেমনি আবার কলুষিতও করে থাকে। পৃথিবীতে সৃষ্ট প্রাণীর মধ্যে মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ। এ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পেছনে যে বিষয়গুলো সদা ক্রিয়াশীল তা হ’ল তার বিবেক, বুদ্ধি, বিচক্ষণতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। ক. বিবেক হ’ল মানুষের অন্তর্নিহীত শক্তি যার দ্বারা ন্যায়, অন্যায়, ভালমন্দ, ধর্মাধর্ম বিচার-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অর্জিত হয়। খ. বুদ্ধি হ’ল

সমাজ সংশোধনের পূর্বে নিজেকে সংশোধন করুন! বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top