Author name: লিলবর আল-বারাদী

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (৪র্থ কিস্তি)

(লেখক : ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ নাজীব)….. চরিত্র-মাধুর্য : শায়খ আলবানী ছিলেন বিনয়ী, পরহেযগার, সচ্চরিত্রবান, সহনশীল ও প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী। যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ হওয়া সত্বেও জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি নিজেকে একজন ‘তালিবুল ইলম’ হিসাবেই গণ্য করতেন। ছোট-বড়, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সব শ্রেণীর মানুষের নিকট থেকে উপদেশ গ্রহণ করতেন। কারো সাথে বড়ত্ব প্রদর্শন করতেন না। বিনয়-নম্রতা ও তাক্বওয়া-পরহেযগারিতায় তিনি ছিলেন সালাফে ছালেহীনের একনিষ্ঠ অনুসারী। নিম্নে তাঁর চরিত্রের কয়েকটি দিক সম্পর্কে আলোকপাত করা হ’ল : পরহেযগারিতা : জীবনের সর্বক্ষেত্রে তিনি ছহীহ সুন্নাহর পূর্ণ অনুসরণের প্রতি ছিলেন তীব্র আকাঙ্ক্ষী। যেকোন আমলের সঠিক […]

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (৪র্থ কিস্তি) বিস্তারিত পডুন »

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (৩য় কিস্তি)

(লেখক : ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ নাজীব)…..আম্মানে হিজরত : নানাবিধ নির্যাতন-নিপীড়নের মুখোমুখি হওয়ার পর ১৪০০ হিজরীর ১লা রামাযানে তিনি সপরিবারে দামেশক হ’তে জর্দানের রাজধানী আম্মানে হিজরত করেন এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য একখন্ড জমি ক্রয় করে গৃহ নির্মাণ শুরু করেন। নির্মাণকাজে ব্যাপক পরিশ্রমের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এদিকে দামেশকে অবস্থিত তাঁর সমৃদ্ধ লাইব্রেরীর অনেককিছুই নানা জটিলতার কারণে আম্মানে স্থানান্তর সম্ভব হয়নি। ফলে এসময় তাঁর অনেক পান্ডুলিপি হারিয়ে যায়। যাইহোক কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তিনি পুনরায় দারস-তাদরীস ও তাহক্বীক্ব-তা’লীফে আত্মনিয়োগ করেন।  তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জর্দানে

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (৩য় কিস্তি) বিস্তারিত পডুন »

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (২য় কিস্তি)

(লেখক : ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ নাজীব ) ….. কর্মজীবন : শায়খ আলবানীর পিতা নূহ নাজাতী সিরিয়ার বিশিষ্ট আলেম হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষকতা ও গবেষণার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য ঘড়ি মেরামত করতেন। তাই স্বীয় রীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকালেই তিনি দ্বীন শিক্ষার সাথে সাথে জীবিকা অর্জনের জন্য আলবানীকে কাঠমিস্ত্রির কাজ শেখার ব্যবস্থা করেন। ৪ বছর তিনি এর উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।[1] পরবর্তীতে কাজটি কষ্টসাধ্য হওয়ায় পিতার পরামর্শে ও তত্ত্বাবধানে তিনি ঘড়ি মেরামতের কাজ শেখেন। অতঃপর নিজের জন্য পৃথক দোকান নির্মাণ করে কাজ শুরু করেন এবং এটাকেই মূল পেশা হিসাবে

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (২য় কিস্তি) বিস্তারিত পডুন »

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (১ম কিস্তি)

(লেখক : ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ নাজীব) …..ভূমিকা : বিংশ শতাব্দীতে যে সকল মুহাদ্দিছ ইলমে হাদীছের ময়দানে অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)। যাঁর অনন্য সাধারণ অবদানের ফলে সারা বিশ্বে ছহীহ হাদীছ অনুসরণের গুরুত্ব এবং হাদীছ যাচাই-বাছাইয়ের প্রতি আগ্রহ বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যাতে হাদীছ থেকে সরাসরি দলীল গ্রহণের পথকে আরো সুগম করেছে। বিশেষত আধুনিক যুগে হাদীছ গবেষণায় তিনি এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি করেছেন। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে ইলমে হাদীছের বহু ছাত্র এখন ইলমুত তাখরীজের ময়দানে বিচরণ করছেন এবং

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) (১ম কিস্তি) বিস্তারিত পডুন »

দ্বীনের আদলে দুনিয়া গ্রহণ করুন এবং হারামকে না বলুন!

বাংলাদেশের আহলেহাদীছদের প্রাণপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহিল কাফী আল-কোরায়শী ৭৫ বছর পূর্বে তাঁর লেখা ‘ইছলামি শাসনতন্ত্রের সূত্র’ বইয়ের ২১ নং পৃষ্ঠায় বলেছেন, ‘দ্বীন ও দুনিয়া বলিয়া দুইটা স্বতন্ত্র ও পৃথক বস্তুর ধারনা করিয়া লইয়াছেন, তাহার কারণ এই যে, তাহারা আখেরাত বা পরবর্তী জীবনকে দ্বীন বলিয়া ধরিয়া লইয়াছেন এবং দ্বীন শব্দের বুৎপত্তি, অর্থ ও প্রয়োগের প্রতি নিদারুণ অবহেলা প্রকাশ করিয়াছেন। দ্বীন ও দুনিয়া আলাদা কোন বিষয়বস্তু নয়। দ্বীন দ্বারা দুনিয়া একই রেখাতে পরিচালিত হবে। আর যারা আলাদা করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সুতরাং দুনিয়া নয়, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন।

দ্বীনের আদলে দুনিয়া গ্রহণ করুন এবং হারামকে না বলুন! বিস্তারিত পডুন »

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর তাৎপর্য

লেখক : নাফিয আল-মাহমূদ একাদশ শ্রেণী (বিজ্ঞান বিভাগ), রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজে, রাজশাহী।(‘আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী’-এর দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র থাকাকালিন প্রবন্ধটি রচনা করা হয়)সম্পাদনা : লিলবর আল-বারাদী ভূমিকা : আল্লাহ তা‘আলা মানব জাতীকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর একত্ববাদে সাক্ষ্য দেয়া ও ইবাদত করা জন্য। আমলের পূর্বে ঈমানের মজবুতি সুদৃঢ় করা উচিৎ। আর সেই ঈমানের প্রধান শাখা হ’ল لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ. অর্থাৎ- ‘নেই কোন ইলাহ্ (সত্য উপাস্য) আল্লাহ ব্যতীত’। এই বাক্যটির তাৎপর্য অপরিসীম। যা নিচে তুলে ধরা হ’ল- ১. নবী-রাসূলগণের দাওয়াতের প্রথম ধাপ

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর তাৎপর্য বিস্তারিত পডুন »

মুসলমানের মান-সম্মানের প্রতি হস্তক্ষেপ করার বিধান

মানুষ আল্লাহর কাংখিত সৃষ্টির সেরা জীব। সুতরাং একজন আরেকজনকে তুচ্ছজ্ঞান বা হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে না। যখন কোন ব্যক্তি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে তখন স্বভাবতই সে নিজেকে তার চেয়ে শ্রেয় মনে করে,যা অহংকারের পর্যায়ভুক্ত। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি হাদীছে জনৈক ছাহাবীর এক প্রশ্নের উত্তরে অহংকারের ব্যাখ্যা দিয়ে রাসূল (ছাঃ) বলেন, اَلْكِبْرُ بَطَرُ الْحَقِّ وَ غَمْطُ النَّاسِ. ‘অহংকার হচ্ছে সত্যকে অস্বীকার করা এবং লোকদের নীচুজ্ঞান করা’(মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৮)। এজন্য কথা, কর্ম বা আচরণের মাধ্যমে কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা বা হেয় প্রতিপন্ন করা নিষেধ। আবু

মুসলমানের মান-সম্মানের প্রতি হস্তক্ষেপ করার বিধান বিস্তারিত পডুন »

পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার বিধান

কোন ব্যক্তি শুধু পায়ে হেঁটে হজ্জব্রত পালনে যেতে ইচ্ছা পোষণ করলে সে ভুল সিন্ধান্ত নিবে। কেননা দ্বীনের মধ্যে বাড়াবাড়ী সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বাহনে ও পায়ে হেঁটে যাওয়া সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ اَذِّنۡ فِی النَّاسِ بِالۡحَجِّ یَاۡتُوۡکَ رِجَالًا وَّ عَلٰی کُلِّ ضَامِرٍ یَّاۡتِیۡنَ مِنۡ کُلِّ فَجٍّ عَمِیۡقٍ  ‘‘আর মানুষের নিকট হজ্জের ঘোষণা দাও; তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্ব প্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রসমূহের পিঠে, তারা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে‘’ (হজ্জ ২২/২৭)। শুধু পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার মানত করে নিজেকে কষ্ট দেওয়া সমীচীন নহে। কেননা

পায়ে হেঁটে হজ্জে যাওয়ার বিধান বিস্তারিত পডুন »

Scroll to Top