দরসে হাদীস : গরুর দুধ, দধি ও গোশতের উপকার

রাসূলুল্লাহ (ছা.) বলেন, ألبانها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء . يعني البقر  ‘গরুর দুধে সুস্থ্যতা ও দধি (ঘী, মাখন, দই) হ’ল রোগ প্রতিষেধক । আর এর গোশত (অধিক) আহারে ব্যাধী রয়েছে। (ছহীহুল জামি‘ হা/৪০৬১, হাসান হাদীস) ব্যাখ্যা :  আপনার গরুর দুধ খাওয়া উচিত, কারণ অনেক গাছ-গাছালি, ঘাস-পাতা থেকে নিংড়ানো নির্যাস থেকে তৈরী হয় দুধ।  অর্থাৎ দুধ বিভিন্ন গাছ এবং বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদের শক্তি দ্বারা গঠিত। এটি একটি রান্না করা মিশ্র (ঘাস-পাতের নির্যাস)পানীয় বা দুধ। যা মানব শরীরকে রোগ থেকে আরোগ্য বা প্রতিরোধ করে। এই দুধ […]

দরসে হাদীস : গরুর দুধ, দধি ও গোশতের উপকার বিস্তারিত পডুন »

সততা ও ক্ষমাশীলতার বিরল দৃষ্টান্ত

আল্লাহ ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমাশীলতাকে পসন্দ করেন। পৃথিবীতে যারা ক্ষমাশীলতা ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। তাদেরই একজন হ’লেন আববাসীয় খলীফা  মুক্তাফী লি-আমরিল্লাহ ও তাঁর পুত্র মুস্তানজিদের সময়ের সফল মন্ত্রী ইবনু হুবায়রাহ। আলোচ্য নিবন্ধে তাঁর মন্ত্রীত্ব লাভের ইতিহাস এবং সততা ও ক্ষমাশীলতার কিছু নমুনা তুলে ধরা হ’ল।- তাঁর পুরো নাম আইনুদ্দীন আবুল মুযাফফর ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ হুবায়রাহ আশ-শায়বানী। তিনি বাগদাদের নিকটবর্তী ‘আদ-দূর’ মতান্তরে ‘সাওয়াদ’ গ্রামে ৪৯৯ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। অত্যন্ত নিরীহ ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর

সততা ও ক্ষমাশীলতার বিরল দৃষ্টান্ত বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আবদুল্লাহ ইবনু সালাম রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মদীনায় আগমনের সংবাদ শুনতে পেলেন। এ সময় তিনি নিজের এক বাগানে খেজুর পাড়ছিলেন। অতঃপর নবী (সা.) -এর কাছে এসে বললেন, আমি আপনাকে এমন তিনটি প্রশ্ন করব, যা নবী  ছাড়া আর কেউই জানে না।১. কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত কি?২. জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কি?৩. কিসের কারণে সন্তান (আকৃতিতে) কখনো তার পিতার মতো হয়, আবার কখনো তার মায়ের মতো হয়?নবী (সা.) বললেন, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জিবরীল আলায়হিস সালাম এইমাত্র আমাকে অবহিত করে গেলেন। কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামাত হলো

দরসে হাদীস : আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণ বিস্তারিত পডুন »

কুরআনের আলোকে চিন্তা ও গবেষণা

মানুষের যে কোনো কাজ তার নিয়তের ওপর ভিত্তি করে ইবাদতে পরিণত হতে পারে। নিয়ত পরিশুদ্ধ হলে খাওয়া ও ঘুমানোর মতো জাগতিক বিষয়গুলোতে সওয়াব পাওয়া যায়, তেমনি মানুষের চিন্তা ও গবেষণা ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। বিশেষত যখন মানুষ এর মাধ্যমে সত্যের অনুসন্ধান, আল্লাহর পরিচয় লাভ ও ঈমান দৃঢ় করার নিয়ত করে। আল্লামা ইবনুল কায়্যিম জাওজি (রহ.) বলেন, ‘সেই চিন্তা ও গবেষণাই ইবাদতের মর্যাদা রাখে, যা মানুষকে উদাসীনতার জীবন থেকে সচেতন জীবনের দিকে, অপছন্দনীয় বিষয়কে পছন্দনীয় বিষয়ের দিকে, মোহ ও লালসার জীবন থেকে সংযম ও অল্পতুষ্টির জীবনের

কুরআনের আলোকে চিন্তা ও গবেষণা বিস্তারিত পডুন »

নেতৃত্বের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়

অজ্ঞ, অক্ষম, যালেম, খেয়ানতকারী, অযোগ্য নেতার নেতৃত্বের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। নেতৃত্ব গ্রহণের পূর্বে আল্লাহ তা‘আলাকে যথাযথ ভয় করা উচিৎ। নেতা হয়ে যা ইচ্ছে তাই করার চেয়ে বা যথাযথ দায়িত্ব পালণে অক্ষম হলে এর চেয়ে মৃত্যু কাম্য। কেননা দায়িত্ব যেমন শ্রেষ্ঠ্যত্ব প্রকাশ করে, তেমনি দায়িত্ব সম্পর্কে ছোট বড় সকল হিসেব আল্লাহ বিচার দিবসে গ্রহণ করবেন। নিজের দায়িত্ব নেয়া সহজ, কিন্তু অন্যের দায়িত্ব নেয়া বেশ কঠিন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হাতে নেতৃত্বের ক্ষমতা দিয়ে চেয়ে থাকেন বান্দা কী আমলটা করে। অতএব সাবধান! নেতৃত্ব পেয়ে দায়িত্ব যথাসাধ্য পালনে

নেতৃত্বের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয় বিস্তারিত পডুন »

অভাবী গভর্ণরের অনুপম দানশীলতা

ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর খেলাফতকাল ছিল ইসলামের ইতিহাসের এক সোনালী অধ্যায়। এ সময় খলীফা ও জনসাধারণের মাঝে ছিল গভীর সম্পর্ক। খলীফা তাদের সুবিধা-অসুবিধার প্রতি খুব বেশী দৃষ্টি রাখতেন। জনসাধারণও তাদের অভাব-অনটন ও দুঃখ-দুর্দশার কথা খলীফাকে বলার সুযোগ পেত। এমনকি সাধারণ মানুষ খলীফার নিকটে তাদের স্থানীয় আমীরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেও কোন ভয় পেত না। ওমর (রাঃ)-এর খেলাফতকালে বিভিন্ন স্থান জয় লাভের ফলে ইসলামী রাষ্ট্রের পরিধি ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।  বিজয়ী অঞ্চল সমূহে গভর্ণর নির্বাচন করার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেন। আল­াহভীরু ও যোগ্যতা সম্পন্ন লোকদেরকেই

অভাবী গভর্ণরের অনুপম দানশীলতা বিস্তারিত পডুন »

ইবনুল মুবারক (রহঃ)-এর জীবনী থেকে কতিপয় শিক্ষণীয় ঘটনা

আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (১১৮-১৮১ হি.) খোরাসান তথা বর্তমান তুর্কমেনিস্তানের মার্ভ শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং এই শহরেই তিনি বেড়ে ওঠেন। তিনি ছিলেন একাধারে মুহাদ্দিছ, ফক্বীহ, আলেম, মুজতাহিদ, কবি, সাহিত্যিক, দানশীল এবং একজন সাহসী বীর মুজাহিদ। তিনি ‘আমীরুল মুমিনীন ফিল হাদীছ’ উপাধিতে ভূষিত হন। আবূ উসামা (রহঃ) বলেন,ما رأيت رجلًا أطلب للعلم من ابن المبارك، وهو في المحدِّثين مثلُ أمير المؤمنين في الناس، ‘আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারকের চেয়ে অধিক ইলম অন্বেষী ব্যক্তি আর কাউকে দেখিনি। মানুষের মাঝে আমীরুল মুমিনীনের মর্যাদা যেমন, মুহাদ্দিছগণের মাঝে তিনি তেমন’।[1] ইবনু হিববান বলেন,

ইবনুল মুবারক (রহঃ)-এর জীবনী থেকে কতিপয় শিক্ষণীয় ঘটনা বিস্তারিত পডুন »

পবিত্র কুরআন, ইলাহী সংরক্ষণ

আববাসীয় খলীফা মামূনুর রশীদের দরবারে মাঝে মাঝে শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হ’ত। এতে তৎকালীন বিভিন্ন বিষয়ে বিদগ্ধ পন্ডিতগণ অংশগ্রহণ করতেন। একদিন এমনি এক আলোচনা সভায় সুন্দর চেহারাধারী, সুগন্ধযুক্ত উত্তম পোষাক পরিহিত জনৈক ইহুদী পন্ডিত আগমন করলেন এবং অত্যন্ত প্রাঞ্জল, অলংকারপূর্ণ এবং জ্ঞানগর্ভ আলোচনা রাখলেন। বিস্মিত খলীফা সভা শেষে তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি ইহুদী? সে স্বীকার করল। মামূন তাকে বললেন, আপনি যদি মুসলমান হয়ে যান তবে আপনার সাথে উত্তম ব্যবহার করা হবে। তিনি উত্তরে বললেন, পৈত্রিক ধর্ম বিসর্জন দেওয়া আমার পক্ষে

পবিত্র কুরআন, ইলাহী সংরক্ষণ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top