ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। কর্মজীবন : ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর কর্মজীবন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় না। তিনি যেসব শহরে-নগরে অবস্থান করেছিলেন, সে সকল স্থানে দরস প্রদানের কোন তথ্যও ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থগুলিতে পাওয়া যায় না। আসলেই কি তার দরসের কোন হালাকা ছিল না? এর সঠিক উত্তর দেওয়া বেশ মুশকিল। কারণ তাঁর যুগের ইলমী পরিবেশ দরস ও সংলাপে গুঞ্জরিত থাকত। তাছাড়া শেষ জীবনে তিনি মিসরের ‘মুনয়াতু বানী খাছীব’ নামক যে স্থানে বসবাস করতেন তা ইলমে দ্বীন চর্চার কেন্দ্রস্থল ও আলেম-ওলামার […]

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। ভূমিকা : ইমাম কুরতুবী (রহঃ) হিজরী ৭ম শতকের একজন প্রখ্যাত স্প্যানিশ মুফাস্সির, ফকীহ ও ধর্মতাত্ত্বিক। কর্ডোভার পতনের পর এই অনন্য ইলমী প্রতিভার দ্যুতি নীলনদ বিধেŠত মিসরে বিচ্ছুরিত হয়। নিরলস জ্ঞানসাধনার মাধ্যমে তিনি রচনা করেন তাঁর জগদ্বিখ্যাত তাফসীর ‘আলে-জামে লি-আহকামিল কুরআন’। যা ‘তাফসীরে কুরতুবী’ নামে খ্যাত। আহকামুল কুরআন বিষয়ক এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও অসাধারণ তাফসীর। তাফসীর সাহিত্যের দিগ্বলয়ে এটি চির ভাস্বর। নাম ও বংশ পরিচয় : ইমাম কুরতুবীর আসল নাম মুহাম্মাদ। কুনিয়াত বা উপনাম আবু

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

দুনিয়ার খেজুর বাগানের বিনিময়ে জান্নাতে বাগান খরিদ করেন !

মদীনার বাগান সমূহের মধ্যে এক ইয়াতীম বাচ্চার একটি বাগান ছিল। তার বাগানের সাথে অন্য এক লোকেরও একটি বাগান ছিল। যার নাম ছিল আবু লুবাবা। ইয়াতীম চিন্তা করল, আমি জমির সীমানা বরাবর প্রাচীর নির্মাণ করে বাগানটি আদালা করে নেব। যাতে  প্রত্যেকের অংশ পৃথক হয়ে যায়। যখন প্রাচীর দিতে শুরু করল তখন দেখা গেল তার প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ সীমানার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। যার কারণে প্রাচীরটি সোজা হচ্ছে না। তাই সে তার প্রতিবেশীর নিকট গিয়ে বলল, আপনার বাগানে অনেক খেজুর গাছ। আমি একটি প্রাচীর দিতে চাচ্ছি, কিন্তু

দুনিয়ার খেজুর বাগানের বিনিময়ে জান্নাতে বাগান খরিদ করেন ! বিস্তারিত পডুন »

জ্ঞানের কথা-জ্ঞানীর কথা’

মূল : ড. শাইখ উরাইফী, অনুবাদ : আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল ১. নিজের গুনাহের কথা মানুষের নিকট প্রকাশ করা উচিৎ নয় তিন কারণে: ক. গুনাহ কোনো গর্বের বিষয় নয়। খ. আপনি গুনাহ থেকে তওবা করলেও মানুষ তা মনে রেখে দেয়। গ. গুনাহ করার পর যে তা প্রকাশ করে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না। ২. সব চেয়ে খারাপ চরিত্রের মানুষ কে? – যে রাগ হলে আপনার সব অবদান অস্বীকার করে। – আপনার গোপন কথা ফাঁস করে দেয়। – এবং আপনার প্রতি এমন সব মিথ্যা অভিযোগ

জ্ঞানের কথা-জ্ঞানীর কথা’ বিস্তারিত পডুন »

ইসলামী আইনের কল্যাণকারিতা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবআমীর, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ।সম্পাদকীয়, নভেম্বর ২০২০। কথায় বলে ‘ঠেলার নাম বাবাজী’। দেশ যখন একের পর ধর্ষণ-গণধর্ষণে ছেয়ে যাচ্ছে, চারদিকে ছিঃ ছিঃ রব উঠছে, পিতা-মাতারা যখন তাদের ধর্ষক সন্তানদের ফাঁসি চাচ্ছে, তখনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর টনক নড়েছে। সংসদ অধিবেশন লাগেনি। কয়েকজন মন্ত্রীকে ডেকে নিয়ে মন্ত্রী সভার বৈঠকে এক নিঃশ্বাসে তিনি ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করলেন। যার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টাঙ্গাইলের যেলা আদালত ৫ ধর্ষকের মৃত্যুদন্ডের রায় দিলেন। একদিন পরেই ‘ধর্ষণের জন্য কেবল ডাক্তারী পরীক্ষা যথেষ্ট নয়, আনুষঙ্গিক কারণ সমূহ ধর্তব্য হবে’ বলে হাইকোর্ট

ইসলামী আইনের কল্যাণকারিতা বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : মৃত্যুর সময় আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখুন !

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মৃত্যুর তিনদিন আগে এ কথা বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, «لَا يَمُوتَنَّ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ يُحْسِنُ الظَّنَّ بِاللَّه» ‘আল্লাহর ওপর ভাল ধারণা পোষণ করা ছাড়া তোমাদের কেউ যেন মৃত্যুবরণ না করে। (মুসলিম হা/২৮৭৭, মিশকাত হা/১৬০৫) ব্যাখ্যা: মুল্লা ‘আলী ক্বারী বলেন, অবশ্যই আবশ্যই তোমাদের কেউ যেন এ চেতনা ও বিশ্বাস নিয়ে মৃত্যুবরণ করে যে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করবেন। আর হাদীসটিতে অনুপ্রেরণা রয়েছে যে সৎ ‘আমলের চাহিদা হল সুধারণা। খাত্ত্বাবী বলেন, কারও আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা হল

দরসে হাদীস : মৃত্যুর সময় আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখুন ! বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : দেখতে মানুষ হলেও দেহে শয়তানের অন্তর

হুযায়ফাহ্ (রাঃ) বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হুযায়ফাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা এক সময় মূর্খতা ও অকল্যাণের মাঝে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (দীন-ইসলাম) দান করেন। তবে কি এ কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ আসবে? তিনি (সা.) বললেন, হ্যা, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি (সা.) বললেন, হ্যা আসবে, তবে তা

দরসে হাদীস : দেখতে মানুষ হলেও দেহে শয়তানের অন্তর বিস্তারিত পডুন »

সর্বোত্তম আমল হ’ল সালাত

হিজরতের পূর্বে মি’রাজ রজনীতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে। এর পূর্বে দু’ ওয়াক্ত সালাত ফরয ছিল। সূর্যোদয়ের পূর্বে অর্থাৎ- ফজরের সালাত। আর সূর্যাস্তের পূর্বে অর্থাৎ- ’আসরের সালাত। আল্লাহ তা’আলা বলেন, وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِالْعَشِيِّ وَالْإِبْكَارِ ’’সকাল ও সন্ধ্যায় তোমার প্রভুর প্রশংসাসহ তার পবিত্রতা বর্ণনা করো’’- (সূরাহ্ আল গাফির/মু’মিন ৪০: ৫৫)। সর্বোত্তম আমল সালাত : মানুষ সালাত-সিয়াম পালন করার সাথে সাথে যদি কাবীরাহ্ (কবিরা) গুনাহ হতে বাঁচতে পারে তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার সগীরাহ্ গুনাহগুলো সালাত-সিয়ামের মাধ্যমে ক্ষমা করে দিবেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা

সর্বোত্তম আমল হ’ল সালাত বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top