লজ্জা হ’ল কল্যাণ

লজ্জা ঈমানের এক অপরিহার্য গুণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এবং কল্যাণপ্রাপ্ত মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ হল লজ্জাশীলতা। এটা মানুষকে অন্যায় ও অপরাধমুক্ত থাকতে সহায়তা করে। যার লজ্জা-শরম কম, তার আল্লাহভীতি কম। আর যার আল্লাহভীতি কম তার অন্তর নিস্প্রাণ ফসলহীন বিরাণ মাঠের মত। সে কোন ভাল কাজ করার আগ্রহ পায় না ফলে সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়। অপরদিকে লজ্জাশীল ব্যক্তির কাছে কল্যাণ আগমন করে উপর থেকে পানির স্রোতধারা দ্রুত নিচে নেমে আসার মতো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, الْحَيَاءُ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ ’লজ্জশীলতা কল্যাণ বৈ […]

লজ্জা হ’ল কল্যাণ বিস্তারিত পডুন »

লাঠিতে ভর দিয়ে বক্তব্য প্রদানের বিধান

ভালো সত্য কথা বলা উচিৎ এবং মিথ্যা বানোয়াট কথা বলা থেকে বিরত থাকা অতিব জরুরী। তাছাড়া তর্ক সম্পূর্ণ ভাবে এড়িয়ে চলা উচিৎ যদিও আপনি সত্যবাদী তথা হক্বের উপর অবিচল রয়েছেন। যদিও মানুষ তর্ক প্রিয় জীব। এরা বিতর্ক বুঝে না। কেননা, তর্কবাগীশ মূর্খতার বশ্যতা স্বীকার করে, কিন্তু বিতর্ক মানুষকে জ্ঞানী করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,  ‏وَكَانَ الإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَىْءٍ جَدَلاً‏ ‘মানুষ অধিকাংশ ব্যাপারেই বিতর্ক প্রিয়’ (ক্বাহাফ : ৫৪)। রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইলম শিখে এজন্য যে, তার দ্বারা সে আলেমদের সাথে বিতর্ক করবে ও মূর্খদের সঙ্গে ঝগড়া করবে কিংবা

লাঠিতে ভর দিয়ে বক্তব্য প্রদানের বিধান বিস্তারিত পডুন »

চুপ থাকা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যাণকর

যে ব্যক্তি চুপ থাকল, সে নাজাত পেল। বর্তমানে কিছু বক্তা বের হয়েছে যারা কথা বলতে বলতে এমন পর্যায়ে চলে গেছেন যে, এখন তার কথা শুনার রুচী কমে গেছে সাধারণের। কথা বললে সত্য, কল্যাণকর ও উত্তম কথা বলা উচিৎ। ভাইরাল হওয়ার জন্য মিথ্যে কথা বা আষাঢ়ে গল্প বলা মিথ্যুকের শামিল। আর মিথ্যুকের নিকট থেকে কোন ইলম গ্রহণ করা জায়েজ নয়। কেননা তারা সত্য গোপন করে মিথ্যে বলে ভুল শিখাতে পারে। তাছাড়া ভিডিও গুলোর থাম্বেলে বা শিরোনামে আকাশে তোলা অবিশ্বাস্য লেখা দেখে নিজেকেই লজ্জায় পড়তে হয়। তিনদিন

চুপ থাকা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যাণকর বিস্তারিত পডুন »

মুছীবতে মৃত্যু কামনা করার বিধান

মৃত্যু নিশ্চিত হবে। আর বান্দা যদি দু’টি শর্ত পূরণ করে তবেই জান্নাত অবধারিত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘’প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে, তারপর আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। আর যারা ঈমান আনে ও সৎ কর্ম করে, তাদেরকে অবশ্যই আমি জান্নাতে কক্ষ বানিয়ে দেব, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কতইনা উত্তম আমলকারীদের প্রতিদান!’’ (আনকাবূত ২৯/৫৭-৫৮) বালা মুছীবত জীবনে আছে বলেই মানুষ সঠিক উপলব্ধি করতে শেখে। কিংবা মানুষ পথ ভুলে গেলে আল্লাহ তা‘আলা সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য বালা মুছীবত বান্দার

মুছীবতে মৃত্যু কামনা করার বিধান বিস্তারিত পডুন »

আত্ম-সম্মানবোধ

আত্মসম্মানবোধ বলতে বোঝায় আপনি নিজেকে যে সম্মানটা দেন সেটা। একজন মানুষ হিসেবে আপনি আবশ্যই সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত থাকবেন যে কোন বিষয়গুলো ঠিক আর কোনগুলো ভুল এবং কোন বিষয়গুলো করার মাধ্যমে আপনি সকলের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হবেন। সেক্ষেত্রে সেসকল ভালো কাজ করার মাধ্যমে সকলের সামনে নিজের সুস্থ মানসিকতার পরিচয় দেওয়া, নিজের সুরুচিগুলো অন্যের কাছে তুলে (অবশ্যই সেটা একান্তই কাজের মাধ্যমে, কোনো কথা বা অন্যকে ছোট করার মাধ্যমে নয়) ধরা এবং সকল ধরনের অন্যায়, খারাপ ও অসম্মানজনক কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখার নামই আত্মসম্মানবোধ। অপরদিকে, আপনার

আত্ম-সম্মানবোধ বিস্তারিত পডুন »

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান : দ্বিতীয় বিয়ে

প্রথম পর্ব -শুন, আমি দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাই! -কেন! আমি কি দেখতে যথেষ্ট খারাপ! আমি কি যথেষ্ট ভালো নই? -ব্যাপারটি তা নয়। যাকে বিয়ে করতে চাচ্ছি সে সদ্য সদ্য-তালাকপ্রাপ্তা ২ সন্তানের মা। খুব দু:খ-কষ্টে নাকি দিন কাটছে তাদের। তাদের অবস্থা এতোটাই শোচনীয় যে দুপুর হলে তার বাচ্চাদের জন্য কোথা থেকে খাবার আসবে সেটাও নাকি তার জানা নেই। আমি বললাম, -কেন? ওদের বাবা কোথায়? সে কি নিজের বাচ্চাদের দেখাশোনা করতে পারছে না? -তাদের তালাক মানে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। -তাহলে বিয়ে করতে হবে কেন? নিশ্চয়ই উনাকে সাহায্য

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান : দ্বিতীয় বিয়ে বিস্তারিত পডুন »

আল্লাহর জন্য তাকবীর দেয়ার বিধান

তাকবীর দেয়া সওয়াবের কাজ। আমরা প্রত্যেক দলের শ্লোগান যখন বলি, তখন ইসলাম পন্থী দলগুলোও একটি শ্লোগান ঠিক করেছেন। কেহ নারায়ে তাকবীর, লিল্লাহে তাকবীর ইত্যাদি। নারায়ে (نعره) শব্দটি উর্দূ। অর্থ: ধ্বনী বা উচ্চ আওয়াজ। তাকবীর শব্দটি আরবী। যার অর্থ: আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব। আর লিল্লাহে আরবী শব্দ। যার অর্থ আল্লাহর জন্য। তবে জন সন্মুখে উচ্চস্বরে তাকবীর দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে রাসূল (ছাঃ) এটাকে থামিয়েও দিয়ে ছিলেন। যেমন – আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খায়বার যুদ্ধের জন্য বের হলেন কিংবা

আল্লাহর জন্য তাকবীর দেয়ার বিধান বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : দুনিয়ার দৃষ্টান্ত চারজন লোকের অনুরূপ

আবূ কাবশা আল-আনমারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ আমি তিনটি বিষয়ে শপথ করছি এবং সেগুলোর ব্যাপারে তোমাদেরকে বলছি। তোমরা এগুলো মনে রাখবে। তিনি বলেন, (১) দান-খাইরাত করলে কোন বান্দার সম্পদ হ্রাস পায় না। (২) কোন বান্দার উপর যুলুম করা হলে এবং সে তাতে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই তার সম্মান বাড়িয়ে দেন। (৩) কোন বান্দাহ ভিক্ষার দরজা খুললে অবশ্যই আল্লাহ তা’আলাও তার অভাবের দরজা খুলে দেন অথবা তিনি অনুরূপ কথা বলেছেন। আমি তোমাদেরকে একটি কথা বলছি, তোমরা তা

দরসে হাদীছ : দুনিয়ার দৃষ্টান্ত চারজন লোকের অনুরূপ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top