বায়‘এ মুআজ্জাল

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِى بَيْعَةٍ، رَوَاهُ مَالِكٌ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاؤُدَ وَالنَّسَائِيُّ- আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এক বিক্রয়ের মধ্যে দুই বিক্রয় নিষেধ করেছেন’।[1] অর্থাৎ এক ব্যবসায়ে দুই ধরনের বিক্রয়। ইমাম তিরমিযী বলেন, এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ বিন আমর, আব্দুল্লাহ বিন ওমর ও আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ থেকে হাদীছ রয়েছে। আবু হুরায়রা বর্ণিত অত্র হাদীছ ‘হাসান ছহীহ’। এর উপরে আমল রয়েছে বিদ্বানগণের মধ্যে। কোন কোন বিদ্বান ব্যাখ্যা করেছেন, ‘এক বিক্রয়ে দুই বিক্রি নিষিদ্ধ’ […]

বায়‘এ মুআজ্জাল বিস্তারিত পডুন »

ইসলামই চিরন্তন প্রগতিবাদ

সারা বিশ্বে প্রগতিবাদের লু হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একই। প্রগতিশীল সমাজবিজ্ঞানীদের ধারনা আমাদের সমাজটা পরিবর্তন করা উচিৎ। সেকেলের সমাজ ব্যবস্থায় সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠা অসম্ভব, বিধায় প্রগতিশীল সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে তা পরিবর্তন করা সমীচীন। প্রগতির উল্টোটা প্রতিক্রিয়া। আর প্রতিক্রিয়া সেই দর্শন বা মতবাদ যা মনে করে মানুষের ইতিহাস ক্রমে অবনতিশীল। মানুষ ও সভ্যতা ক্রমেই অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। কেউ চিন্তা করেন, মুলত প্রগতির ধারণা মনে করে বর্তমান অতীতের চেয়ে শ্রেয় এবং বিশ্বাস করে যে ভবিষ্যৎ আরো ভালো হতে পারে এবং হবে। পক্ষান্তরে কেউ চিন্তা

ইসলামই চিরন্তন প্রগতিবাদ বিস্তারিত পডুন »

দাওয়াত ও তাবলীগে নারীদের ভূমিকা

শরীফা বিনতে আব্দুল মতীন যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতায় নারী জাতি নানাভাবে উপেক্ষিত, নিগৃহীত ও লাঞ্ছিত হয়ে এসেছে। পুরুষরা নারীকে বাদ দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ও বাস্তবায়ন করেছে। চাই সমাজে শান্তি আসুক বা না আসুক। সতেরশ শতাব্দীতে রোম শহরে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যে বৈঠকের নাম ছিল Council of the wise ‘জ্ঞানীদের অধিবেশন’। উক্ত অধিবেশনে জ্ঞানীরা ঐক্যমতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, Women has no soul ‘নারীদের আত্মা নেই’। নারীদের ব্যাপারে যখন রোমের জ্ঞানীদের এই ধারণা, তখন বোঝাই যায় সাধারণ

দাওয়াত ও তাবলীগে নারীদের ভূমিকা বিস্তারিত পডুন »

আক্বীক্বা (العقيقة)

সংজ্ঞা: شعر المولود من بطن امه او الذبيحة التى تُذْبَحُ عن المولود يوم سُبُوْعِهِ عند حلق شعره- ‘নবজাত শিশুর মাথার চুল অথবা সপ্তম দিনে নবজাতকের চুল ফেলার সময় যবহকৃত বকরীকে আক্বীক্বা বলা হয়’।[1] আক্বীক্বার প্রচলন (১) বুরায়দা (রাঃ) বলেন, জাহেলী যুগে আমাদের কারও সন্তান ভূমিষ্ট হ’লে তার পক্ষ হ’তে একটা বকরী যবহ করা হ’ত এবং তার রক্ত শিশুর মাথায় মাখিয়ে দেওয়া হ’ত। অতঃপর ‘ইসলাম’ আসার পর আমরা শিশু জন্মের সপ্তম দিনে বকরী যবহ করি এবং শিশুর মাথা মুন্ডন করে সেখানে ‘যাফরান’ মাখিয়ে দেই’ (আবুদাঊদ)। রাযীন

আক্বীক্বা (العقيقة) বিস্তারিত পডুন »

দ্বীন ও দুনিয়া পৃথক বস্তু

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব    عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ قَدِمَ نَبِىُّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِيْنَةَ وَهُمْ يَأْبُرُوْنَ النَّخْلَ يَقُوْلُوْنَ يُلَقِّحُونَ النَّخْلَ فَقَالَ : مَا تَصْنَعُوْنَ. قَالُوْا كُنَّا نَصْنَعُهُ قَالَ : لَعَلَّكُمْ لَوْ لَمْ تَفْعَلُوْا كَانَ خَيْرًا. فَتَرَكُوْهُ فَنَفَضَتْ أَوْ فَنَقَصَتْ- قَالَ : فَذَكَرُوْا ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ : إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ إِذَا أَمَرْتُكُمْ بِشَىْءٍ مِنْ دِيْنِكُمْ فَخُذُوْا بِهِ وَإِذَا أَمَرْتُكُمْ بِشَىْءٍ مِنْ رَأْىٍ فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ. قَالَ عِكْرِمَةُ أَوْ نَحْوَ هَذَا. قَالَ الْمَعْقِرِىُّ فَنَفَضَتْ. وَلَمْ يَشُكَّ.- رواه مسلم অনুবাদ : হযরত রাফে‘ বিন খাদীজ (রাঃ) বলেন,

দ্বীন ও দুনিয়া পৃথক বস্তু বিস্তারিত পডুন »

অমর বাণী-২

১. হাসান বছরী (রহঃ) বলেন, الدُّنْيَا ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ: أَمَا أَمْسِ فَقَدْ ذَهَبَ بِمَا فِيهِ، وَأَمَّا غَدًا فَلَعَلَّكَ لَا تُدْرِكُهُ، وَالْيَوْمُ فَاعْمَلْ فِيهِ দুনিয়াবী জীবন তিনদিনের। (১) গতকাল- যা ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে, (২) আগামীকাল-সম্ভবতঃ তুমি তার নাগাল পাবে না এবং (৩) আজ। অতএব তোমার যা করার তা আজই কর (ইবনু আবিদ্দুনিয়া, আয-যুহুদ, ১৯৭ পৃঃ)। ২. মা‘কিল বিন ওবায়দুল্লাহ জাযারী (রহঃ) বলেন, كَانَتِ الْعُلَمَاءُ إِذَا الْتَقَوْا تَوَاصَوْا بِهَذِهِ الْكَلِمَاتِ، وَإِذَا غَابُوا كَتَبَ بِهَا بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ أَنَّهُ: مَنْ أَصْلَحَ سَرِيرَتَهُ أَصْلَحَ اللَّهُ عَلَانِيَتَهُ، وَمَنْ أَصْلَحَ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ اللَّهِ كَفَاهُ اللَّهُ

অমর বাণী-২ বিস্তারিত পডুন »

তাফসীর : সূরা ইখলাছ

সূরা ইখলাছ (বিশুদ্ধ করণ) মক্কায় অবতীর্ণ। সূরা ১১২, আয়াত ৪, শব্দ ১৫, বর্ণ ৪৭। بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) বল, তিনি আল্লাহ এক قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ (২) আল্লাহ মুখাপেক্ষীহীন اللَّهُ الصَّمَدُ (৩) তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি এবং তিনি (কারও) জন্মিত নন لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ (৪) তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ বিষয়বস্ত্ত : আল্লাহ স্বীয় সত্তা ও গুণাবলীতে একক ও অনন্য এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই- সেকথাই আলোচিত হয়েছে পুরা সূরাটিতে। শানে

তাফসীর : সূরা ইখলাছ বিস্তারিত পডুন »

কুরআন-হাদীছের আলোকে ক্ষমা

-রফীক আহমাদ ‘ক্ষমা’ অর্থ- দোষ-ত্রুটি, অপরাধ মার্জনা করে দেওয়া। আলোচ্য প্রবন্ধে আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমাই উদ্দেশ্য। মহান আল্লাহ ক্ষমাশীল। পবিত্র কুরআনের এই সুসংবাদ হ’তেই মানুষ তাঁর নিকট বিভিন্নভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তওবা করে, নিজের পিতা-মাতা, পরিবারবর্গ, আত্মীয়-স্বজন, সকল ঈমানদার মুমিন-মুসলমানদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। অবশ্য আল্লাহর নিকট প্রত্যেকেরই ক্ষমা প্রার্থনা করা অপরিহার্য কর্তব্য। কারণ স্বয়ং আল্লাহ ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন, وَاسْتَغْفِرُوْا اللهَ إِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَحِيْمٌ ‘তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর আল্লাহর কাছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (মুযযাম্মিল ৭৩/২০)। অন্যত্র সবার উদ্দেশ্যে তাঁর প্রিয় হাবীব (ছাঃ)-কে প্রত্যাদেশ করেন,وَقُلْ

কুরআন-হাদীছের আলোকে ক্ষমা বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top