মাযহাবের পরিচয়–

(সংকলিত) ‘মাযহাব’ (مذهب) শব্দের অর্থ মত, পথ, মতবাদ, আদর্শ, বিশ্বাস ইত্যাদি। পরিভাষায় মাযহাব বলতে আক্বীদা, ফিক্বহ, উছূলে ফিক্বহ, ইলমে হাদীছ, আরবী সাহিত্য ও অন্যান্য শারঈ বিষয়ে কোন বিদ্বানের অভিমতকে বুঝায়। এ মাযহাব হ’ল দ্বীন ইসলামের মধ্যে নতুন সংযোজন। চতুর্থ হিজরীর পূর্বে যার কোন অস্তিত্ব ছিল না। ভারতগুরু নামে খ্যাত বিশিষ্ট হানাফী আলেম শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী (রহঃ) তাঁর জগদ্বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা’–তে অকপটেই স্বীকার করেছেন যে, ‘চতুর্থ হিজরীর পূর্বে লোকেরা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাযহাবের মুক্বাল্লিদ ছিলেন না’।[1] যেহেতু রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈনে এযামের কোন […]

মাযহাবের পরিচয়– বিস্তারিত পডুন »

রোহিঙ্গারা বাঁচতে চায়

—–লিলবর আল-বারাদী ভূমিকা : রোহিঙ্গারা আমাদের প্রতিবেশী ও মুসলিম ভাই। তাদের উপর যে অত্যাচার নেমে এসেছে তা মানুষ হিসাবে কারো কাম্য নয়। মিয়ানমারের বৌদ্ধদের টার্গেট একমাত্র মুসলিম জাতি। রোহিঙ্গাদের কোন অপরাধ নেই। তাদের একটি মাত্র অপরাধ তারা মুসলিম। মহান আল্লাহ আমাদেরকে হযরত আদম ও হাওয়া (আঃ)-এর মাধ্যমে সারা দুনিয়াতে গোত্র, ভাষা ও বর্ণের বিভাজনে সমস্ত মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِّنْ ذَكَرٍ وُّأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوْباً وَّقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوْا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللهَ عَلِيْمٌ خَبِيْرٌ. ‘হে মানব জাতি!

রোহিঙ্গারা বাঁচতে চায় বিস্তারিত পডুন »

ইসলামের তালাক বিধান

‘তালাক্ব’ (الطلاق) অর্থ : বদ্ধনমুক্তি। যেমন বলা হয়: أُطْلِقَ الْأسِيْرُ ‘বন্দী মুক্ত হয়েছে’। শারঈ পরিভাষায় তালাক অর্থ : স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করা। ইসলামে তালাককে অপসন্দ করা হয়েছে। যদিও বেদ্বীনী, অবাধ্যতা, যেনাকারিতা প্রভৃতি চূড়ান্ত অবস্থায় এটাকে জায়েয রাখা হয়েছে এবং তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। দরসে বর্ণিত আয়াতের আলোকে এক্ষণে আমরা ইসলামের তালাক বিধান সম্পর্কে আলোকপাত করব। ইসলামে তালাকের অধিকার সীমিত করা হয়েছে তিনবারের মধ্যে। প্রথম দু’বার ‘রাজ‘ঈ’ ও শেষেরটি ‘বায়েন’। অর্থাৎ ইসলামে তালাকের বিধান রাখা হ’লেও স্বামীকে ভাববার ও সমঝোতার সুযোগ দেওয়া হয় স্ত্রীর

ইসলামের তালাক বিধান বিস্তারিত পডুন »

নারী প্রগতি না-কি নারী দূর্গতি

—লিলবর আল-বারাদী সারা বিশ্বে প্রগতির লু হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একই। প্রগতিশীল সমাজ বিজ্ঞানীদের ধারনা নারী সমাজটা পরিবর্তন করা উচিৎ। সেকেলের সমাজ ব্যবস্থায় সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হয় নাই, বিধায় প্রগতিশীল সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে তা পরিবর্তন করা সমীচীন। এরই ধারাবাহিকতায় নারী অধিকার অন্যতম। নারী অধিকার মানেই নারীর সার্বিক সম্মান। সার্বিক স্থানে প্রগতিশীল পুরুষ নারীকে দিতে চায় অধিকার এবং নারীও তা গ্রহণে সর্বাত্মক আগ্রহী। সারা বিশ্বের প্রগতিশীল সমাজ যখন নারী অধিকারের নামে মিটিং, মিছিল, আন্দোলন করছে; ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রগতিশীল অবলা নারী সমাজও তাদের চেয়ে

নারী প্রগতি না-কি নারী দূর্গতি বিস্তারিত পডুন »

মাল ও মর্যাদার লোভ দ্বীনের জন্য নেকড়ে স্বরূপ

–মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِىِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا ذِئْبَانِ جَائِعَانِ أُرْسِلاَ فِى غَنَمٍ بِأَفْسَدَ لَهَا مِنْ حِرْصِ الْمَرْءِ عَلَى الْمَالِ وَالشَّرَفِ لِدِينِهِ- হযরত কা‘ব বিন মালেক আনছারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেছেন যে, দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছাগপালের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া অত বেশী ধ্বংসকর নয়, যত না বেশী মাল ও মর্যাদার লোভ মানুষের দ্বীনের জন্য ধ্বংসকর।[1] জাবের (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে غَابَ عَنْهَا رِعَاؤُهَا ‘যখন ছাগপালের রাখাল অনুপস্থিত থাকে।[2] রাবী হ’লেন, তাবূক যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে থাকা সেই

মাল ও মর্যাদার লোভ দ্বীনের জন্য নেকড়ে স্বরূপ বিস্তারিত পডুন »

শারঈ ইমারত

মূল (উর্দূ) : মাওলানা আব্দুল কাদের হিছারী  অনুবাদ : নূরুল ইসলামপিএইচ.ডি. গবেষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।  [প্রখ্যাত আহলেহাদীছ আলেম মাওলানা আব্দুল কাদের হিছারী ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের হিছার যেলার গঙ্গা গ্রামে ১৯০৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর দাদা ও পিতা উভয়ে আলেম ছিলেন। পিতা মাওলানা মুহাম্মাদ ইদরীসের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর উচ্চশিক্ষা অর্জনের নিমিত্তে তিনি ফিরোযপুর যেলার লাক্ষৌকেতে যান। সেখানে মাওলানা মুহাম্মাদ আতাউল্লাহ লাক্ষাবীর কাছে ফুনূনের কিতাব সমূহ এবং মাওলানা মুহাম্মাদ আলী লাক্ষাবীর কাছে তাফসীর ও হাদীছের গ্রন্থাবলী অধ্যয়ন করেন। ফারেগ হওয়ার পর নিজ গ্রামে পাঠদানের মাধ্যমে তাঁর

শারঈ ইমারত বিস্তারিত পডুন »

ইসলাম বনাম গণতন্ত্র

গণতন্ত্র কি ? তা বুঝতে বিশ্লেষাত্তক ব্যাখ্যা প্রয়োজন ।  ‘গণতন্ত্র’ শব্দটির ব্যুত্পত্তিগত অর্থ জনগণের ক্ষমতা। অর্থাত্ সরকার বা শাসন ব্যবস্থা যখন জন অভিমত দ্বারা পরিচালিত হয় তখন তাকে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। তার মানে সরকার পরিচালনায় যখন জনগণের অভিমত প্রতিফলিত হয় তখন উক্ত শাসন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক সরকার বা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বলা হয়। আমেরিকার তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন তাঁর গেটিসবার্গ এড্রেস-এ বলেছিলেন, গণতন্ত্র জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা গঠিত সরকার এবং জনগণের জন্য সরকার। গণতন্ত্র সম্পর্কে বিভিন্ন জন বিভিন্ন অভিব্যক্তি

ইসলাম বনাম গণতন্ত্র বিস্তারিত পডুন »

‘নাজী’ ফের্কা কোন্টি? (اَلْفِرْقَةُ النَّاجِيَةُ مَا هِىَ؟)

১. ইমাম বুখারী (১৯৪-২৫৬ হিঃ)-এর উস্তাদ আলী ইবনুল মাদীনী (১৬১-২৩৪ হিঃ) বলেন, هُمْ أَهْلُ الْحَدِيْثِ وَالَّذِيْنَ يَتَعَاهَدُوْنَ مَذَاهِبَ الرَّسُوْلِ وَ يَذُبُّوْنَ عَنِ الْعِلْمِ، وَ لَوْلاَ هُمْ لَمْ نَجِدْ عَنِ الْمُعْتَزِلَةِ وَالرَّافِضَةِ وَالْجَهْمِيَّةِ وَأَهْلِ الْإِرْجَاءِ وَالرَّأْىِ شَيْئًا مِّنَ السُّنَنِ، فَقَدْ جَعَلَ رَبُّ الْعَالَمِيْنَ الطَّائِفَةَ الْمَنْصُوْرَةَ حُرَّاسَ الدِّيْنِ وَ صَرَفَ عَنْهُمْ كَيْدَ الْمُعَانِدِيْنَ لِتَمَسُّكِهِمْ بِالشَّرْعِ الْمَتِيْنِ وَاقْتِفَائِهِمْ آثَارَ الصَّحَابَةِ وَالتَّابِعِيْنَ … اُوْلَئِكَ حِزْبُ اللهِ أَلاَ إِنَّ حِزْبَ اللهِ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ- ‘উক্ত দল হ’ল ‘আহলুল হাদীছ জামা‘আত’। যারা রাসূলের বিধানসমূহের হেফাযত করে ও তাঁর ইল্ম কুরআন ও হাদীছের

‘নাজী’ ফের্কা কোন্টি? (اَلْفِرْقَةُ النَّاجِيَةُ مَا هِىَ؟) বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top