সমাজিক ঐক্য ও সংহতি

জ্ঞানীর জন্য ইশারা, সকলের জন্য উপদেশ

(১) মানুষ চুপ থাকলে অনেক সময় অনেক বড় ফেৎনা থেকে রক্ষা পেতে পারে। তাছাড়া সবখানে কথা বলাও জরুরী নয়। সুতরাং মাঝে মাঝে কথা বলা পূর্বে হেকমাত অবলম্বনে এড়িয়ে যাওয়াও উচিৎ। আর এটা জ্ঞানীদের জন্য অতিব ওয়াজিব।.(২) বর্তমান জামানা একটি ধোঁকাব্যঞ্জকের জামানা চলছে। আমানতদারকে খেয়ানতকারী আর খেয়ানতকারীকে আমানতদার মনে করা হচ্ছে। মানুষ প্রকৃত জ্ঞানীদের বাদ দিয়ে ইউটিউব সেলিব্রেটি বক্তাদের খুঁজছে। মানুষ পিওরিটির চেয়ে পপুলারিটিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।.(৩) প্রকৃত জ্ঞানীদেরকে অসম্মান করার কোন সুযোগ নেই। সকল জ্ঞানীদেরকে যথাযথ সম্মান করা উচিৎ। যারা তা করতে অস্বীকৃতি জানাবেন ধরে নিবেন […]

জ্ঞানীর জন্য ইশারা, সকলের জন্য উপদেশ বিস্তারিত পডুন »

‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ একটি সমাজ সংস্কারমূলক সংগঠন

একজন মুমিন মুসলমান নাফসের বিরুদ্ধে সদা যুদ্ধরত। জিহাদের ময়দানে মুজাহিদ অনুরূপ শত্রুর বিরুদ্ধে অস্ত্র, রণ কৌশল ইত্যাদি দ্বারা যুদ্ধরত থাকেন। অনুরূপ বাংলাদেশে মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হলেও পূর্ণাঙ্গ তাওহীদপন্থী দেশ নয়। এখানে বিভিন্ন ধর্মীয় মানুষের বসবাস। কেহ কারু ধর্মে আঘাত না করে সে জন্য যথেষ্ট আইন রয়েছে, রয়েছে ধর্মীয় স্বাধীনতাও। তাই এদেশে শিরক, বিদআতের মত গর্হিত কাজ বা প্রথা যথেষ্ট চালু রয়েছে। আর এই সকল শিরক, বিদআতের মত গর্হিত কাজ বা প্রথা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে দেশে বেশ কিছু সংগঠনও রয়েছে। তন্মধ্যে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ একটি

‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ একটি সমাজ সংস্কারমূলক সংগঠন বিস্তারিত পডুন »

উষ্ট্রের যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল 

ইসলামের ইতিহাসে ৩৫ হিজরীর যিলহজ্জ মাসে ওছমান (রাঃ) বিদ্রোহীদের হাতে শাহাদত বরণ করলে লোকেরা আলী (রাঃ)-এর হাতে বায়‘আত গ্রহণ করে। বিদ্রোহীরাও আলী (রাঃ)-এর হাতে বায়‘আত নেয়। আলী (রাঃ) প্রথমে রাষ্ট্রীয় শৃংখলা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনায় এবং বিদ্রোহীদের সংখ্যাধিক্যের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কিছুটা বিলম্ব করেন। এতে কেউ কেউ আলী (রাঃ)-এর প্রতি রুষ্ট হন। অন্যদিকে হজ্জের মওসুম হওয়ায় রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রীগণ সহ বহু ছাহাবী হজ্জব্রত পালনে মক্কায় ছিলেন। এভাবে চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর তালহা ও যুবায়ের (রাঃ) মক্কায় গমন করেন। সেখানেই ওছমান হত্যার ক্বিছাছ

উষ্ট্রের যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল  বিস্তারিত পডুন »

উসমান ইব্নু আফ্ফান (রাঃ)-এর খলিফা নির্বাচন ও বায়‘আত

‘আমর ইবনু মায়মূন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে আহত হবার কিছুদিন পূর্বে মদিনা্য় দেখেছি যে তিনি হুযায়ফাহ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) ও ‘উসমান ইবনু হুনায়ফ (রহ.)-এর নিকট দাঁড়িয়ে তাঁদেরকে লক্ষ্য করে বলছেন, তোমরা এটা কী করলে? তোমরা এটা কী করলে? তোমরা কি আশঙ্কা করছ যে, তোমরা ইরাক ভূমির উপর যে কর ধার্য করেছ তা বহনে ঐ ভূখন্ড অক্ষম? তারা বললেন, আমরা যে পরিমাণ কর ধার্য করেছি, ঐ ভূ-খন্ড তা বহনে সক্ষম। এতে বাড়তি কোন বোঝা চাপান হয়নি। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন,

উসমান ইব্নু আফ্ফান (রাঃ)-এর খলিফা নির্বাচন ও বায়‘আত বিস্তারিত পডুন »

আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কথা বলুন !

মানুষ অনেক সময় মুখে এমন কথা উচ্চারণ করে যা খুবই কল্যাণকর কথা এবং আল্লাহর কাছে অতীব পছন্দনীয় বাক্য। কিন্তু সে জানে না আল্লাহ তার ঐ কথার কি মূল্য ও মর্যাদা। উচ্চারণকারী তাকে ক্ষীণ বা ছোট করেই দেখেছে, কিন্তু আল্লাহর নিকট ঐ কথার সাওয়াব তার জন্য দীর্ঘায়িত করে দেন এবং আল্লাহর সাথে তার সাক্ষাত পর্যন্ত স্বীয় সন্তষ্টি তার জন্য অবধারিত করে নেন। পক্ষান্তরে আল্লাহর অতীব অপছন্দনীয় এবং অসন্তুষ্টির কিছু কথা রয়েছে, যা তার বান্দা উচ্চারণ করে থাকে। উচ্চারণকারী সে নিজেও জানে না যে ঐ কথা আল্লাহর

আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কথা বলুন ! বিস্তারিত পডুন »

পালকপুত্র সম্পর্কিত বিধান

ইসলামে দত্তক জায়েজ নেই। তবে মানুষকে (কোন সন্তানকে) আপনি দয়া করে তাঁকে লালন-পালন করতে পারেন শরীয়ার ভিত্তিতে।কিন্তু সন্তান দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই, এটা বিধর্মীদের মধ্যে আছে। এটা কখনো ইসলামে নেই। ইসলামে দত্তক নিলে সে সন্তান কোনো ওয়ারিশ হবে না, সে কোনো সম্পত্তির ভাগ পাবে না। পালক সন্তান পালনের শরীয়াগত শর্তাবলী : ১.পালক সন্তানের আসল বাপের পরিচয় গোপন করা যাবে না,করলে তা হারাম। ২. পালক সন্তানকে নিজের সন্তান বা নিজের ছেলে বলে পরিচয় দেয়া যাবে না, দিলে তা হারাম।৩.একইভাবে পালক সন্তান সেই পিতাকে আসল পিতা বলে

পালকপুত্র সম্পর্কিত বিধান বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোরতা

আবূ নাওফাল মু’আবিয়াহ্ ইবনু মুসলিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদীনামুখী মক্কার গিরিপথে আমি ’আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে (অর্থাৎ তাঁর মৃত লাশ) দেখতে পাই। তিনি বলেন, তাঁর কাছ দিয়ে কুরায়শ ও অন্যান্য বহু লোকই অতিক্রম করে যাচ্ছিল, অবশেষে ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) তার পার্শ্ব দিয়ে যাওয়ার বেলায় দাঁড়িয়ে বললেন, ’আস্সালামু আলাইকা ইয়া আবা খুবায়ব, আসসালামু আলাইকা ইয়া আবা খুবায়ব, আসসালামু আলাইকা ইয়া আবা খুবায়ব। অতঃপর বললেন, জেনে রাখ! আল্লাহর শপথ! নিশ্চয় আমি তোমাকে এমন কাজ হতে নিষেধ করেছিলাম যার ফলে এটা হয়েছে, জেনে রাখ! আল্লাহর

দরসে হাদীস : হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোরতা বিস্তারিত পডুন »

উয়াইস কারনীর মর্যাদা

উসাইর ইবনু জাবির (রাঃ) বলেন, ইয়ামানে বসবাসকারীদের পক্ষ থেকে ওমর (রাঃ)-এর নিকট সাহায্যকারী দল আসলে তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করতেন, ‘তোমাদের মাঝে কি উয়াইস ইবনু আমির আছে’? অবশেষে (একদিন) উয়াইস (রহঃ) এসে গেলেন। তাকে ওমর প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি কি উয়াইস ইবনু আমির’? সে বলল, হ্যাঁ। ওমর (রাঃ) আবার বললেন, ‘মুরাদ’ সম্প্রদায়ের উপগোত্র ‘কারনের’ লোক? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, ‘আপনার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল, আপনি তা হ’তে সুস্থ হয়েছেন এবং মাত্র এক দিরহাম পরিমাণ স্থান বাকী আছে’? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, ‘আপনার মা জীবিত আছে কি’?

উয়াইস কারনীর মর্যাদা বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top