আত্নশুদ্ধি

দরসে হাদীস : আল্লাহর রাস্তায় খরচ করার ফযীলত

(১) কল্যাণ চিরদিন কল্যাণ বয়ে আনে। কখনও অকল্যাণ নেই। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের (মঙ্গলের) দরজা খুলে দেয়া হবে। তারপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পরে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যাক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল, ’ইয়া রাসূলাল্লাহ! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে? ’নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাঁর উপর ওহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত […]

দরসে হাদীস : আল্লাহর রাস্তায় খরচ করার ফযীলত বিস্তারিত পডুন »

দরসে কুরআন : ইলাহী গযব নাযিলের বিধি, কারণ ও করণীয়

—- প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব —– ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِي عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ- অনুবাদ: ‘স্থলে ও জলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের কৃতকর্মের দরুন। এর দ্বারা আল্লাহ তাদের কিছু কিছু কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা (সরল পথে) ফিরে আসে’ (রূম ৩০/৪১)। সূরা রূম মাক্কী সূরা। আলোচ্য আয়াতটিও মক্কাতে নাযিল হয়েছে। বর্ণনাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যেন ঐ সময়েই কেবল সারা পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছিল। যেজন্য কুরআন নাযিল করে মানুষকে ছিরাতে মুস্তাক্বীমের দিকে আহবান জানানো হয়েছে। বিষয়টি মূলতঃ

দরসে কুরআন : ইলাহী গযব নাযিলের বিধি, কারণ ও করণীয় বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : স্বামী সম্পর্কে এগারো জন নারীর মন্তব্য

স্বামী/স্ত্রীর একান্ত গোপনীয় কথা অন্যদের সামনে প্রকাশ করা ঘৃণিত ও গর্হিত কাজ। কিয়ামতের মাঠে এসব মানুষ খিয়ানতকারী হিসাবে লাঞ্চিত হবে। কারণ প্রত্যেক খিয়ানতকারী ব্যক্তির জন্য এক একটি পাতাকা থাকবে। তাই লাঞ্চিত হওয়ার পূর্বে সংশোধিত হই। তবে সৎ ও মহৎ গুণের কথা অন্যদের নিকটে বলা যাবে। এতে স্বামীর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করার নামান্তরও বটে। চলুন হাদীছটি পাঠ করি……….. আসমা বিনতে ইয়াযিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কিছু পুরুষ আছে যারা নিজ স্ত্রীর সাথে কৃত আচরণের কথা বলে বেড়ায়, তদ্রুপ কিছু নারীও আছে যারা আপন স্বামীর

দরসে হাদীছ : স্বামী সম্পর্কে এগারো জন নারীর মন্তব্য বিস্তারিত পডুন »

গুরুত্বপূর্ণ দু’টি দো‘আ

(এক) আল্লাহর নূর (আলো) কামনা করে দো‘আ : اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ يَسَارِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَعَظِّمْ لِي نُورًا ‏”‏ উচ্চারণ : আল্ল-হুম্মাজ আল ফী ক্বলবী নূরাওঁ ওয়া ফী বাসারী নূরাও, ওয়া ফী সামঈ নূরাও ওয়া আই ইয়ামীনী নুরাওঁ, ওয়া আই ইয়াসা-রী নূরাওঁ, ওয়া ফাওকী নূরাওঁ, ওয়া তাহতী নূরাওঁ, ওয়া আমামী নূরাওঁ, ওয়া খালফী নূরাওঁ,ওয়া আয্‌যিমলী নূরাওঁ। অর্থ : হে আল্লাহ! আমার কলবে নূর দান করুন, আমার দৃষ্টিতে

গুরুত্বপূর্ণ দু’টি দো‘আ বিস্তারিত পডুন »

দরিদ্রতা হতাশার কারণ নয়

দরিদ্রতার সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে সমাজতত্ববিদ গোডার্ড বলেছেন , দারিদ্রতা হল ব্যক্তির সেই অবস্থা – যার ফলে ব্যক্তি নিজের ও নিজের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয় অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে।  দরিদ্রতা বিষয়টি আপেক্ষিক। অর্থাৎ এটি কোনো নির্দিষ্ট সমাজের ব্যক্তিবর্গের জীবনযাত্রার উপর নির্ভরশীল। কেননা , সকল সমাজে জীবন যাত্রার মান একই ধরণের হয়না। ধরা যাক A নামক ব্যক্তি B নামক ব্যক্তির তুলনায় বেশি রোজগার করেন। সেক্ষেত্রে B ব্যক্তি A ব্যক্তির তুলনায় দরিদ্র। আবার C ব্যক্তি B ব্যক্তির তুলনায় কম রোজগার করেন। সেক্ষেত্রে C

দরিদ্রতা হতাশার কারণ নয় বিস্তারিত পডুন »

তাক্বদীর সম্পর্কে ধারনা

ভূমিকা : যে ব্যক্তি তাক্বদীর সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করেছে, সে কখনও হতাশ, নিরাশ ও অসন্তুষ্ট হবে না, আর জীবন নিয়ে আফসোসও করবে না। হিংসুক ব্যক্তির অন্তরে তাক্বদীরের প্রতি বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে। হিংসা না করে, তাক্বদীর বিষয়ে জ্ঞানার্জন করুন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ’’আমার উম্মাতের মধ্যে যারা তাক্বদীর অস্বীকারকারী তাদের মধ্যে ভূমি ধ্বস ও চেহারা বিকৃতি ঘটবে’’(মিশকাত হা/১০৬) । জীব সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর পূর্বে তাক্বদীর লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষের তাক্বদীর লিপিবদ্ধ করেছেন আসমান-যমীন সৃষ্টির ৫০ হাযার বছর পূর্বে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,كَتَبَ اللهُ

তাক্বদীর সম্পর্কে ধারনা বিস্তারিত পডুন »

‘কুরায়েশ’ নামের পর্যালোচনা

এ বিষয়ে একবার মু‘আবিয়া (রাঃ) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন‘একটি সামুদ্রিক প্রাণীর কারণে, যা সমুদ্রের সকল প্রাণীর চাইতে অধিক শক্তিশালী, যাকে ‘ক্বিরশ’ বলা হয়। যে অন্যকে ধরে খায়। কিন্তু তাকে কেউ খেতে পারে না। সে বিজয়ী হয়। কিন্তু পরাজিত হয় না’ (কুরতুবী)। উপমহাদেশের খ্যাতনামা জীবনীকার ও রাসূল (ছাঃ)-এর জীবনচরিত ‘রহমাতুল্লিল আলামীন’-এর স্বনামধন্য লেখক ক্বাযী সুলায়মান বিন সালমান মানছূরপুরী (মৃ:১৩৪৯/১৯৩০ খৃ:) বলেন, ‘কুরায়েশ’ অর্থ সাগরের তিমি মাছ। ইয়ামনের বাদশাহ হাসসান একবার মক্কা আক্রমণ করে কা‘বা গৃহ উঠিয়ে নিজ দেশে নিয়ে যেতে চেয়েছিল।

‘কুরায়েশ’ নামের পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

জিহ্বার হেফাযত করুন !

❝জিহ্বা পরিস্কার রাখুন! মিথ্যা কথা বলা ও হারাম ভক্ষণ থেকে বিরত থেকে সর্বদা আল্লাহর ভয়ে যিকির ও ইস্তেগফার পাঠ করুন❞। জিহ্বা দ্বারা মানুষ নানা প্রকার পাপ করে থাকে। যেমন মিথ্যা কথা বলা, হারাম ভক্ষণ করা, গীবত করা, অপবাদ দেয়া, অশালীন বাক্য বলে, মানুষকে মুখের কথায় কষ্ট দেয় ইত্যাদি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا یَسۡخَرۡ قَوۡمٌ مِّنۡ قَوۡمٍ عَسٰۤی اَنۡ یَّکُوۡنُوۡا خَیۡرًا مِّنۡهُمۡ وَ لَا نِسَآءٌ مِّنۡ نِّسَآءٍ عَسٰۤی اَنۡ یَّکُنَّ خَیۡرًا مِّنۡهُنَّ ۚ وَ لَا تَلۡمِزُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ وَ لَا تَنَابَزُوۡا بِالۡاَلۡقَابِ ؕ بِئۡسَ

জিহ্বার হেফাযত করুন ! বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top