দুনিয়া ও আখিরাত/ আখেরাত

দরসে হাদীছ : অধিকাংশ ব্যক্তির স্বভাবে ইহুদীদের সাদৃশ্যপূর্ণ

আমাদের গোত্র সাদৃশ্য হলে ভালো ব্যক্তি, আর সাদৃশ্য না হলেই সে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি। এহেন হীন মনোভাব প্রদর্শনকারী ব্যক্তিরা ইহুদীদের সাদৃশ্য স্বরূপ অপবাদ ও কুৎসারটনাকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। আনাস (রাঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু সালামের কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মদিনায় আগমনের খবর পৌঁছল, তখন তিনি তাঁর কাছে আসলেন। এরপর তিনি বলেছেন, আমি আপনাকে এমন তিনটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চাই যার উত্তর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কেও অবগত নয়। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কিয়ামতের প্রথম নিদর্শন কি? আর সর্বপ্রথম খাবার কি, যা জান্নাতবাসী […]

দরসে হাদীছ : অধিকাংশ ব্যক্তির স্বভাবে ইহুদীদের সাদৃশ্যপূর্ণ বিস্তারিত পডুন »

দরসে কুরআন : আরাফবাসী যারা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ بَیۡنَهُمَا حِجَابٌ ۚ وَ عَلَی الۡاَعۡرَافِ رِجَالٌ یَّعۡرِفُوۡنَ کُلًّۢا بِسِیۡمٰهُمۡ ۚ وَ نَادَوۡا اَصۡحٰبَ الۡجَنَّۃِ اَنۡ سَلٰمٌ عَلَیۡکُمۡ ۟ لَمۡ یَدۡخُلُوۡهَا وَ هُمۡ یَطۡمَعُوۡنَ وَ اِذَا صُرِفَتۡ اَبۡصَارُهُمۡ تِلۡقَآءَ اَصۡحٰبِ النَّارِ ۙ قَالُوۡا رَبَّنَا لَا تَجۡعَلۡنَا مَعَ الۡقَوۡمِ الظّٰلِمِیۡنَ- ‘যে সকল ব্যক্তির আমলনামা সমান হবে তাদেরকে কুরআনের ভাষায় বলা হয়েছে ‘আরাফবাসী’। ‘আরাফ’ জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি উঁচু স্থানের নাম। যা প্রাচীর স্বরূপ। যাদের নেকী সেই পরিমাণ হবে না যার ফলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং গোনাহও সেই পরিমাণ হবে না

দরসে কুরআন : আরাফবাসী যারা বিস্তারিত পডুন »

ইস্তেখারার বিধি-বিধান

ইস্তেখারা শব্দের অর্থ: ইস্তেখারা শব্দটি আরবি। আভিধানিক অর্থ: কল্যাণ প্রার্থনা করা বা এমন কিছু প্রার্থনা করা যাতে কল্যাণ রয়েছে।ইসলামি পরিভাষায়: দু রাকাআত সালাত ও ইস্তেখারার দুআর মাধ্যমে বিশেষ কোন কাজে আল্লাহর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করাকেই ইস্তেখারা বলা হয়।ইস্তেখারা করার হুকুম: এটি সুন্নত-যা সহীহ বুখারির হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।🔸 ইস্তিখারা কখন করতে হয়?মানুষ বিভিন্ন সময় একাধিক বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে গ্রহণ করবে সে ব্যাপারে দ্বিধা-ধন্ধে পড়ে যায়। কারণ, কোথায় তার কল্যাণ নিহিত আছে সে ব্যাপারে কারো জ্ঞান নাই। তাই সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য আসমান জমিনের সৃষ্টিকর্তা, অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ

ইস্তেখারার বিধি-বিধান বিস্তারিত পডুন »

মেহমানদারীতা

বাসায় মেহমান আসলে কীভাবে বুঝবেন তিনি খেয়ে এসেছেন নাকি খাবেন? উসমানি আমলে এটা বুঝার একটি উপায় ছিলো। বাসায় কোনো মেহমান আসলে তাকে এক গ্লাস পানি এবং এক কাপ কফি দেয়া হতো। মেহমান যদি প্রথমে কফির কাপ হাতে নিতো, তাহলে ধরা হতো মেহমান খেয়ে এসেছেন। অন্যদিকে, মেহমান যদি আগে পানির গ্লাস হাতে নিতো, তাহলে ধরে নেয়া হতো মেহমান ক্ষুধার্ত, তিনি খাবেন। বাড়ির লোকজনকে তখন সিগনাল দেয়া হতো মেহমানের জন্য যেন খাবার প্রস্তুত করা হয়। মেহমান খেয়ে আসলে তার জন্য ভারী খাবার প্রস্তুত না করে ফলমূল দেয়া

মেহমানদারীতা বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : কবরে বারযাখী জীবন

একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদের এক ব্যক্তির জানাযায় বের হয়ে কবর খুঁড়তে দেরী হচ্ছিল বলে সেখানে বসে গেলেন। তাঁর আশে-পাশে সকল সাহাবাগণও নিশ্চুপ, ধীর ও শান্তভাবে বসে গেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে একটি কাঠের টুকরা ছিল যার দ্বারা তিনি (চিন্তিত ব্যক্তিদের ন্যায়) মাটিতে দাগ কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব হতে পানাহ্ চাও। তিনি এ কথা দুই কি তিনবার বললেন। তারপর বললেন, মুমিন বান্দা যখন দুনিয়াকে ত্যাগ করতে এবং আখেরাতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে, তখন

দরসে হাদীস : কবরে বারযাখী জীবন বিস্তারিত পডুন »

ফিৎরাত হ’ল দ্বীন

প্রত্যেক জীবের ফিৎরাত রয়েছে। আছে দ্বীনের প্রতি সম্মান ও আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য। فطرت শব্দের মৌলিক অর্থ হল সৃষ্টি। এখানে আল্লাহর সৃষ্টি বা প্রকৃতি বলে ইসলাম ও তওহীদকে বুঝানো হয়েছে। উদ্দেশ্য এই যে, আল্লাহ তাআলা মু’মিন-কাফের প্রত্যেক মানুষকে ইসলাম ও তওহীদের প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর একত্ব ও তাঁর ইবাদতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এবং বাতিল ধর্মসমূহের প্রতি ভ্রূক্ষেপও না করাকে ফিৎরাত বলে।ফিৎরাত সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّيْنِ حَنِيفًا فِطْرَتَ اللهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا لاَ تَبْدِيْلَ لِخَلْقِ اللهِ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ

ফিৎরাত হ’ল দ্বীন বিস্তারিত পডুন »

যে দেহে ঈমান থাকে না

উপস্থাপনা : ঈমান হবে শিরক মুক্ত, ইবাদত হবে বিদ‘আত মুক্ত। আক্বীদা বিশ্বাসের মযবুতী না থাকায় মানুষ নানাভাবে ঈমানের স্বাদ থেকে বিমুখ হচ্ছে। ঈমান ব্যতীত কোন মানুষ মুমিন হিসেবে যেমন দাবী করতে পারে না। তেমনি মুমিন ব্যতীত ইবাদতের স্বাদ গ্রহণ করতে পারে না। মসজিদে মুছল্লীর সংখ্যা ক্রমে ক্রমে বাড়লেও প্রকৃত মুমিন মুছল্লীর সংখ্যা সে হারে বাড়েনি। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, ‘মানুষের কাছে এমন এক যুগ আসবে। লোকেরা মসজিদে একত্রিত হয়ে ছালাত আদায় করবে। কিন্তু তাদের মধ্যে একজনও ঈমানদার থাকবে না’।[1] মূলতঃ পাপ- পঙ্কিলতার ফলে ঈমানের হ্রাস হয়

যে দেহে ঈমান থাকে না বিস্তারিত পডুন »

আযানের ইতিহাস সার-সংক্ষেপ

আযান (আরবি: أَذَان আযান্‌) হচ্ছে মসজিদে জামাতে সালাত আদায়ের জন্য ইসলামি আহ্বান বা ডাকধ্বনি। দিনের নির্ধারিত সময়ে একজন মুয়াজ্জিন আযান পাঠ করেন।ʾআযান শব্দের মূল অর্থ দাড়ায় أَذِنَ ডাকা, আহবান করা। যার মূল উদ্দেশ্য হলো অবগত করানো। এই শব্দের আরেকটি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হল ʾআজুন। (أُذُن), যার অর্থ হলো “শোনা”। কুরআনে মোট পাঁচ স্থানে আজুন শব্দটি এসেছে। পারিভাষিক অর্থে, শরিয়ত নির্ধারিত আরবি বাক্যসমূহের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে উচ্চকণ্ঠে সালাতের আহবান করাকে আযান বলা হয়।মক্কায় অবস্থানকালে মহানবী (ﷺ) তথা মুসলিমগণ বিনা আযানে নামায পড়েছেন। অতঃপর মদ্বীনায় হিজরত করলে হিজরী

আযানের ইতিহাস সার-সংক্ষেপ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top