নারী অঙ্গন

স্বামীর আনুগত্য

দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি হল একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি সদা অনুগত থাকবে। শারঈ নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহলে দুনিয়া ও আখেরাতে জীবন হবে সুখোময়। আল্লাহ স্বামীকে পরিবার প্রধান বানিয়েছেন, পরিবারের পরিচালনা ও দায় তার উপরেই ন্যস্ত করেছেন। আর স্ত্রীকে বানিয়েছে সহকর্মী, সহযোগী। তাই স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর একান্ত কর্তব্য। আর এ কর্তব্য পালনে সম্মান-অসম্মানের কিছু নেই। স্ত্রীদের জন্য জান্নাত অতিব সহজলভ্য যদি ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا […]

স্বামীর আনুগত্য বিস্তারিত পডুন »

স্বামীকে কষ্ট দিয়ো না

মুমিন স্বামীর অবাধ্য হওয়া কুফরী। স্বামী তার স্ত্রীর পরিচালক এবং অভিভাবক, সে যে কোনো কাজে তাকে আহবান করে সে আহবানে তাকে সাড়া দেয়া আবশ্যক, বিশেষ করে তার জৈবিক চাহিদা পূরণের আহবানে তাকে অবশ্যই সাড়া দিতে হবে। অত্র হাদীস সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। সে যদি চুলায় রুটি তৈরিতেও লিপ্ত থাকে আর সে ছাড়া বিকল্প কোনো লোক না থাকে তবু তা মূলতবী রেখে স্বামীর আহবানে সাড়া দিবে। ইবনুল মালিক বলেন, এ রুটি যদি স্বামীর হয় তবেই এ হুকুম। কারণ স্বামী জানছে যে, সে রুটি তৈরিতে ব্যস্ত, এ সময়

স্বামীকে কষ্ট দিয়ো না বিস্তারিত পডুন »

সমকামিতা একটি অশ্লীলতা

সমকামী একটি শব্দ যা প্রাথমিকভাবে একজন সমকামী ব্যক্তি বা সমকামী হওয়ার বৈশিষ্ট্যকে বোঝায়। ১৯ শতকের শেষের দিকে সমকামী পুরুষ কথা উল্লেখ করে স্বল্প ব্যবহার হয়, অর্থটি ২০ শতকের মাঝামাঝি থেকে ক্রমশ সাধারণ হয়ে ওঠে এবং  সমকামী শব্দটি প্রধান স্টাইল গাইড দ্বারা সুপারিশ করা হয়েছিল একই লিঙ্গের সদস্যদের প্রতি আকৃষ্ট ব্যক্তিদের বর্ণনা করার জন্য এটি বিশেষভাবে পুরুষদের বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই ব্যবহারগুলি এখনও সমকামিতার সংজ্ঞা ধরে রেখেছে তা নিয়ে বিতর্ক এবং কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। বিবাহ বহির্ভূত যৌনাচারের কারণে সিফিলিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, মোনিলিয়াসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, ব্যাকটেরিয়াল ভেজাইনোসিস, জেনিটাল হার্পিস, জেনিটাল ওয়ার্টস প্রভৃতি মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ঘাতক ব্যাধি এইডস ও এ্যাবোলা

সমকামিতা একটি অশ্লীলতা বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : কৃতজ্ঞতা (আলহামদুলিল্লাহ)

ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা (আঃ) কোমরবন্দ লাগাতেন সারাহ (আঃ) থেকে নিজের মর্যাদা গোপন রাখার জন্য। অতঃপর ইবরাহীম (আঃ) হাযেরা (আঃ) এবং তাঁর শিশু ছেলে ইসমাঈল (আঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে বের হলেন এ অবস্থায় যে, হাযেরা (আঃ) শিশুকে দুধ পান করাতেন। অবশেষে যেখানে কা’বার ঘর অবস্থিত, ইবরাহীম (আঃ) তাঁদের উভয়কে সেখানে নিয়ে এসে মসজিদের উঁচু অংশে যমযম কূপের উপরে অবস্থিত একটি বিরাট গাছের নীচে তাদেরকে রাখলেন। তখন মক্কা্য় না ছিল কোন মানুষ, না ছিল কোনরূপ

দরসে হাদীছ : কৃতজ্ঞতা (আলহামদুলিল্লাহ) বিস্তারিত পডুন »

খোলা তালাক্ব

— (’’তালাক্ব ও তাহলীল’’ বই থেকে নেয়া)……….. ‘খোলা’ (الْخُلْعُ) অর্থ : কাপড় খুলে ফেলা। পবিত্র কুরআনে স্বামী-স্ত্রীকে ‘পরস্পরের জন্য পোষাক’ (বাক্বারাহ ২/১৮৭) স্বরূপ বলা হয়েছে। স্বামীর নিকট থেকে স্ত্রী কোন কিছুর বিনিময়ে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়াকেই শারঈ পরিভাষায় ‘খোলা’ বলা হয়।[1] মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের কন্যা জামীলা কিংবা সাহ্ল আনছারী (রাঃ)-এর কন্যা হাবীবাহ নাম্নী জনৈকা মহিলা একদিন ফজরের অন্ধকারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দরবারে এসে তার স্বামী ছাবিত বিন ক্বায়েস বিন শাম্মাস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল যে, সে তাকে মেরেছে ও অঙ্গহানি করেছে। সে বলল, আল্লাহর কসম!

খোলা তালাক্ব বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : স্বামী সম্পর্কে এগারো জন নারীর মন্তব্য

স্বামী/স্ত্রীর একান্ত গোপনীয় কথা অন্যদের সামনে প্রকাশ করা ঘৃণিত ও গর্হিত কাজ। কিয়ামতের মাঠে এসব মানুষ খিয়ানতকারী হিসাবে লাঞ্চিত হবে। কারণ প্রত্যেক খিয়ানতকারী ব্যক্তির জন্য এক একটি পাতাকা থাকবে। তাই লাঞ্চিত হওয়ার পূর্বে সংশোধিত হই। তবে সৎ ও মহৎ গুণের কথা অন্যদের নিকটে বলা যাবে। এতে স্বামীর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করার নামান্তরও বটে। চলুন হাদীছটি পাঠ করি……….. আসমা বিনতে ইয়াযিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কিছু পুরুষ আছে যারা নিজ স্ত্রীর সাথে কৃত আচরণের কথা বলে বেড়ায়, তদ্রুপ কিছু নারীও আছে যারা আপন স্বামীর

দরসে হাদীছ : স্বামী সম্পর্কে এগারো জন নারীর মন্তব্য বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : দ্বীনের খোঁজে এক যুবক

মূসা (রহ.) বলেন, আমার জানা মতে তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে এ ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন যে, যায়দ ইবনু ‘আমর সঠিক তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত দ্বীনের খোঁজে সিরিয়ায় যান। সে সময় একজন ইয়াহূদী আলেমের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হল। তিনি তার নিকট তাদের দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন এবং বললেন, হয়ত আমি তোমাদের দ্বীনের অনুসারী হব, আমাকে সে সম্পর্কে জানাও। তিনি বললেন, তুমি আমাদের দ্বীন গ্রহণ করবে না। গ্রহণ করলে যতখানি গ্রহণ করবে সে পরিমাণ আল্লাহর গযব তোমার উপর পতিত হবে। যায়দ বললেন, আমি তো আল্লাহর গযব হতে পালিয়ে

দরসে হাদীছ : দ্বীনের খোঁজে এক যুবক বিস্তারিত পডুন »

লজ্জা হ’ল কল্যাণ

লজ্জা ঈমানের এক অপরিহার্য গুণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এবং কল্যাণপ্রাপ্ত মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ হল লজ্জাশীলতা। এটা মানুষকে অন্যায় ও অপরাধমুক্ত থাকতে সহায়তা করে। যার লজ্জা-শরম কম, তার আল্লাহভীতি কম। আর যার আল্লাহভীতি কম তার অন্তর নিস্প্রাণ ফসলহীন বিরাণ মাঠের মত। সে কোন ভাল কাজ করার আগ্রহ পায় না ফলে সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়। অপরদিকে লজ্জাশীল ব্যক্তির কাছে কল্যাণ আগমন করে উপর থেকে পানির স্রোতধারা দ্রুত নিচে নেমে আসার মতো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, الْحَيَاءُ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ ’লজ্জশীলতা কল্যাণ বৈ

লজ্জা হ’ল কল্যাণ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top