শিক্ষা ও সংস্কৃতি

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদুল হারামের মধ্যে অবস্থিত একটি পবিত্র ও ঐতিহাসিক কুয়া, যা প্রায় ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম পানি সরবরাহ করে আসছে এবং এর পানিকে মুসলিমরা বরকতময় ও রোগমুক্তির জন্য উপকারী মনে করে, যা হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নবী ইব্রাহিম (আ.) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেভাবে যমযম কূপের সূচনা : যমযম কূপ কীভাবে সৃষ্টি হয় সেই ইতিহাস বলতে গিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা […]

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা বিস্তারিত পডুন »

সূদের পরিচয় ও বিধান

ইসলামে সূদ নিকৃষ্ট হারাম। এটা কবীরাহ গুণাহ। যা কুরআন ও হাদীছ দ্বারা এটা প্রমাণিত। এই বিষয়টি জানার পরেও যারা সূদ খায়, সূদী লেনদেন করে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ বলেন,يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ الرِّبَا أَضْعَافاً مُّضَاعَفَةً وَاتَّقُواْ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে’ (আলে ইমরান ৩/১৩০)। তিনি আরো বলেন,يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ- ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং

সূদের পরিচয় ও বিধান বিস্তারিত পডুন »

স্বামীর আনুগত্য

দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি হল একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি সদা অনুগত থাকবে। শারঈ নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহলে দুনিয়া ও আখেরাতে জীবন হবে সুখোময়। আল্লাহ স্বামীকে পরিবার প্রধান বানিয়েছেন, পরিবারের পরিচালনা ও দায় তার উপরেই ন্যস্ত করেছেন। আর স্ত্রীকে বানিয়েছে সহকর্মী, সহযোগী। তাই স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর একান্ত কর্তব্য। আর এ কর্তব্য পালনে সম্মান-অসম্মানের কিছু নেই। স্ত্রীদের জন্য জান্নাত অতিব সহজলভ্য যদি ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا

স্বামীর আনুগত্য বিস্তারিত পডুন »

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয়

বিপদ বান্দার উপর দুভাবে আসে। এক. দুষ্ট লোকের জন্য আযাব হিসেবে দ্বীনে ফেরানোর জন্য। দুই. সৎ ব্যক্তিকে ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষা স্বরূপ। আর উভয়ের জন্যই পাপ মোচন হয়ে থাকে। প্রশ্ন হ’তে পারে যে, পৃথিবীতে নবী-রাসূল ও সৎ লোকদের উপর যেসব বালা-মুছীবত আসে, সেগুলি কি আল্লাহর গযব হিসাবে গণ্য হবে? যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়, أىُّ الناسِ أشدُّ بلاءً ؟ قال: الأنبياءُ ثمَّ الأمثلُ فالأمثلُ، يُبتلَى الرَّجلُ على حسب دينيه فإن كانَ صُلباً في دينيه اشتدَّ بلاءُه، وإن كانَ فى دينيه رِقَّةٌ هُوِّنَ عليه، فمازال كذلك

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয় বিস্তারিত পডুন »

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার

 বদ নজর বলতে সাধারণত হিংসা, ঈর্ষা বা অতিরিক্ত প্রশংসার মাধ্যমে অন্যের প্রতি কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করাকে বোঝানো হয়, যা ক্ষতিকারক হতে পারে।  প্রভাবশালী শক্তি নির্গত হয়, যার উপর ক্ষতি হয়, এবং বদ নজর বাস্তব, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এবং যদি ভাগ্যের আগে কিছু থাকত, তাহলে বদ নজর তার আগে আসত। এই বিষয়ে মানুষ হয় অতিরিক্ত, অথবা অতিরিক্ত, এবং এই ক্ষেত্রে মধ্যপন্থী খুব কম। আপনি এমন কিছু লোক খুঁজে পাবেন যারা অতিরিক্ত, অর্থাৎ তারা যাদের সাথে দেখা হয় তাদের সবাইকে আল্লাহকে স্মরণ করতে, আল্লাহকে স্মরণ

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার বিস্তারিত পডুন »

যাকাত ও সাদাকার মধ্যে পার্থক্য এবং ফযীলত

যাকাত একটি বাধ্যতামূলক দান যা নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ নির্দিষ্ট সময় ধরে থাকলে প্রদান করতে হয়, যেখানে সাদাকা একটি ঐচ্ছিক দান যা যেকোনো ভালো কাজ বা সম্পদ দিয়ে করা যায়। যাকাত হলো ফরয বা আবশ্যিক, আর সাদাকা হলো নফল বা ঐচ্ছিক। الزكاة (যাকাত)-এর শাব্দিক অর্থ: বৃদ্ধি, লাভ, বরকত ও পবিত্র করা। (লিসানুল আরাব ১৪/৩৫৮ ও ফাতহুল কাদীর ২/৩৯৯)। আর الصدقة (সাদাকা) শব্দটি الصِّدق (আস্‌-সিদক বা সত্য) থেকে গৃহীত। যেহেতু সাদাকা করা সাদাকাকারীর ঈমানের সত্যতার দলীল (ফাতহুল কাদীর (২/৩৯৯)। শারঈ পারিভাষিক সংজ্ঞা: যাকাত হচ্ছে: বিভিন্ন শ্রেণীর সম্পদে

যাকাত ও সাদাকার মধ্যে পার্থক্য এবং ফযীলত বিস্তারিত পডুন »

ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তি সফল

আল্লাহর পরীক্ষায় ঈমান সুদৃঢ় হয়। ঈমান আনয়নের পরে ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষা নিয়ে থাকেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। এমনকি প্রত্যেক নবী-রাসূল অগ্নিপরীক্ষা দিয়েছেন যুগে যুগে। বলা বাহুল্য, যার ঈমানের যতবেশী তীক্ষ্ণতা, তার ততবেশী পরীক্ষা। অধিকাংশ দুর্বল মুমিন বান্দা জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে এটাকে আযাব মনে করে বিপথগামী হয়। সুতরাং আল্লাহ পরীক্ষা ব্যতীত কাউকেই জান্নাতে ঢুকাবেন না। তাই আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত ২৯/২)? অপর দিকে রাসূল (সা.) জান্নাতকে দুঃখ-কষ্টের এবং জাহান্নামকে

ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তি সফল বিস্তারিত পডুন »

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান

বিশ্ববাসীর জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছেন বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)। তিনি মাত্র ২৩ বছরের প্রচেষ্টায় আরবের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। তৎকালীন পৃথিবীর মানুষ অবাক দৃষ্টিতে অবলোকন করেছিল সমাজ পরিবর্তনের এই দৃশ্য। বহু দোষে দুষ্ট মানুষগুলিকে মুহূর্তের মধ্যে সোনার মানুষে রূপান্তরিত করার চমৎকার পদ্ধতি। এমন একজন মহান ব্যক্তির চরিত্রকে দু’চার কথায় কলমের অাঁচড়ে তুলে ধরা সম্ভব নয়। যাঁর সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ বলেছেন, وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلاَّ رَحْمَةً لِلْعَالَمِيْنَ ‘(হে মুহাম্মাদ) তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি’ (আম্বিয়া ১০৭)। তাঁকে আল্লাহ তা‘আলা উত্তম চরিত্রের নমুনা হিসাবে পাঠিয়েছেন। তিনি

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top