শিক্ষা ও সংস্কৃতি

মুমিনের গুণাবলী

পবিত্র কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর আলোকে মুমিনের ১৬টি গুণাবলী বর্ণনা করা হয়েছে। তন্মধ্যে কুরআনে ১০টি মুমিনের গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে। প্রকৃত মুমিন হতে গেলে যে দু’টি গুণাবলী অপরিহার্য সেই সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ آمَنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوْا وَجَاهَدُوْا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيْلِ اللهِ أُولَئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ- (سورت الحجرات ১৫)- ‘প্রকৃত মুমিন তারাই, ১. যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। অতঃপর তাতে কোনরূপ সন্দেহ পোষণ করে না এবং ২. তাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। বস্তুতঃপক্ষে […]

মুমিনের গুণাবলী বিস্তারিত পডুন »

বন্ধুত্ব নির্বাচন

প্রকৃত বন্ধু তার সাথীদেরকে জান্নাতের দিকে আহ্বান করে। কখনো তাদের ক্ষতি করার মনোভাব পোষণ করে না। বরং সর্বদা তাদের ভালো করে ও পরামর্শ দেয়। ভালো বন্ধু হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যেমন জটিল তেমনি ভালো বন্ধু পাওয়াও অনেক কঠিন। ভালো বন্ধুর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতের অনুকৃপা। তখন আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, হে মু’মিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছ অথচ তারা তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এবং তোমাদেরকে (স্বদেশ থেকে)

বন্ধুত্ব নির্বাচন বিস্তারিত পডুন »

কুরআন কারীমের ধারক ও বাহক সদা সম্মানিত ও সেরা

কুরআন পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য জ্ঞান ও হেদায়াত লাভের উৎসমূল। রাসূল (ছাঃ) বলেন,عَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ، فَإِنَّهُ فَهْمُ الْعَقْلِ وَنُورُ الْحِكْمَةِ وَيَنَابِيْعُ الْعِلْمِ وَأَحْدَثُ الْكُتُبِ بِالرَّحْمَنِ عَهْدًا، وَقَالَ فِي التَّوْرَاةِ : يَا مُحَمَّدُ إِنِّي مُنَزِّلٌ عَلَيْكَ تَوْرَاةً حَدِيْثَةً تَفْتَحُ فِيْهَا أَعْيُنًا عُمْيًا وَآذَانًا صُمًّا وَقُلُوْبًا غُلْفًا- ‘তোমরা কুরআনকে আবশ্যক করে নাও। কেননা এটি বিবেকের খোরাক, প্রজ্ঞার আলোকমালা, জ্ঞানের প্রস্রবন, আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের মধ্যে সর্বাধুনিক। আর আল্লাহ তাওরাতে বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি তোমার উপর সর্বাধুনিক কিতাব নাযিল করেছি। যা অন্ধের দৃষ্টিকে, বধিরের শ্রবণশক্তিকে এবং অনুভূতিশূন্য বদ্ধ হৃদয়ের বোধশক্তিকে

কুরআন কারীমের ধারক ও বাহক সদা সম্মানিত ও সেরা বিস্তারিত পডুন »

মুসলিম ভাইয়ের গলা কেটে দিয়ো না

মানুষ নিজের নামে প্রশংসা শুনতে পছন্দ করে। কিন্তু মন্দ শুনতে অপছন্দ করে। পক্ষান্তরে নিজের প্রশংসা শুনা উচিৎ নয়, বরং মন্দ বিষয়গুলো জানা আবশ্যক। কেননা মন্দ বিষয় জেনে নিজেকে শুধরিয়ে নিতে পারবে। আত্মশুদ্ধি ব্যতীত কোন মানুষ পরিপূর্ণ মুমিন বান্দা হতে পারে না। আত্ম সংশোধনের মাধ্যমে লোকমান (আঃ) নিজেকে একজন জ্ঞানী হিসেবে পরিচিত করেছিলেন। যা কুরআনুল কারীমে বর্ণিত হয়েছে। কোন ব্যক্তি যখন তার অপর ভাইয়ের নামে প্রশংসায় পঞ্চমূখ হয়, তখন সে নিরবে তার ভাইয়ের গলা কেটে দেয়। তবে হ্যা, মানুষের প্রশংসা করা যাবে যা সত্য তাই বলে।

মুসলিম ভাইয়ের গলা কেটে দিয়ো না বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : সৃষ্টি, স্রষ্টার লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না

আবূ যার গিফারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার নাম করে যেসব হাদীস বর্ণনা করেছেন তার একটি হলো, তিনি বলেন যে, আল্লাহ তাবারক ওয়াতা’আলা বলেন, (১) হে আমার বান্দাগণ! আমি আমার ওপর যুলুম করাকে হারাম করে দিয়েছি। আমি তোমাদের জন্যও যুলুম করা হারাম করে দিয়েছি। অতঃপর তোমরা পরস্পরের প্রতি যুলম করো না। (২) হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের প্রত্যেকেই পথভ্রষ্ট। কিন্তু আমি যাকে পথ দেখাই সে-ই পথের সন্ধান পায়। সুতরাং তোমরা আমার নিকট পথের সন্ধান কামনা কর, তাহলে আমি তোমাদেরকে পথের সন্ধান দেবো। (৩)

দরসে হাদীস : সৃষ্টি, স্রষ্টার লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : দুর্বলদের মাঝে রাসূল (ছা.)-কে সন্ধান করো

আবু দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, «ابْغُونِي فِي ضُعَفَائِكُمْ فَإِنَّمَا تُرْزَقُونَ – أَوْ تُنْصَرُونَ – بِضُعَفَائِكُمْ» “তোমাদের দুর্বলদের মধ্যে আমাকে খোঁজ করো। কেননা তোমাদের দুর্বলদের ওয়াসীলায় তোমাদেরকে রিযিক দান করা হয়, বা সাহায্য করা হয়’’। (আবু দাউদ হা/২৩৩৫, মিশকাত হা/৫২৪৬, ছহীহুল জামি‘ হা/৪১)। ব্যাখ্যা : ‘তোমরা দুর্বলদের মাঝে আমাকে সন্ধান কর’-এর অর্থ হ’ল- তাদের ভালোবাসার মাধ্যমে আমার সন্তুষ্টি সন্ধান কর। এখানে  (ضُعَفَاء) দ্বারা উদ্দেশ্য দুস্থ, অসহায়, ফকীর, মিসকীন, ইয়াতিম; তাদের মাঝে’ মানে, তাদের প্রতি ইহসানের মাধ্যমে।‘তোমরা দুর্বলদের কারণে সাহায্যপ্রাপ্ত হও’, এর অর্থ হ’ল- শত্রুদের

দরসে হাদীস : দুর্বলদের মাঝে রাসূল (ছা.)-কে সন্ধান করো বিস্তারিত পডুন »

মুহাম্মাদ (ছা.)-এর উম্মত মর্যাদায় প্রথম

উম্মতে মুহাম্মাদ (ছা.)-এর ঐ সকল মানুষকে বুঝানো হয়েছে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। দ্বীনের বিধি-বিধানে আদেশ মেনে চলে এবং নিষেধ পরিত্যাগ করে । (১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, نحن آخر الأمم و أول من يحاسب يقال : أين الأمة الأمية و نبيها ؟ فنحن الآخرون الأولون . “আমরা হলাম জাতিসমূহের সর্বশেষ। কিন্তু কেয়ামতে আমাদের হিসাব সর্ব প্রথম করা হবে। তখন বলা হবে: উম্মী (আসল) জাতি ও তাদের নবী কোথায়? তাই আমরা সর্বশেষ অথচ মর্যাদায় প্রথম”। (ইবনু মাজাহ হা/৪২৯০, ছহীহুল জামি‘ হা/৬৭৪৯) আমরা সৌভাগ্যবান

মুহাম্মাদ (ছা.)-এর উম্মত মর্যাদায় প্রথম বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : নবী (সা.)-এর জীবন-যাপন, মুমিনের জন্য শিক্ষা

’আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সা.) -এর পরিবারবর্গ লাগাতার দু’দিন যবের রুটি খেয়ে পরিতৃপ্ত হননি এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মৃত্যু হয়েছে। (বুখারী হা/ ৫৪১৬, মুসলিম হা/২৯৭০, মিশকাত হা/৫২৩৭) ব্যাখ্যা : রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর পরিবার হলো তার পূতপবিত্র স্ত্রীগণ এবং তাদের খাদিমগণ। যব গমের তুলনায় কম মূল্যমানের, যবের রুটিই যেহেতু পাননি তাহলে গমের রুটির তো প্রশ্নই ওঠে না। রাসূলুল্লাহ (সা.) দু’দিন একাধারে পেট পুরে খেতে পাননি, একদিন পেটপুরে খেলে অন্যদিনে উপোষ থাকতেন। এটা এজন্য যে, আল্লাহ তা’আলা জমিনের ধনভাণ্ডারের চাবি তার কাছে পেশ করেছিলেন

দরসে হাদীস : নবী (সা.)-এর জীবন-যাপন, মুমিনের জন্য শিক্ষা বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top