শিক্ষা ও সংস্কৃতি

দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত

’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে উৎসুক ছিলাম যে, আমি ’উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করব, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণের মধ্যে কোন্ দু’জনের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেনঃ ’’তোমরা দু’জন যদি অনুশোচনাভরে আল্লাহর দিকে ফিরে আস (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম), তোমাদের অন্তর (অন্যায়ের দিকে) ঝুঁকে পড়েছে।’’ (সূরাহ আত-তাহরীম ৬৬ঃ ৪) এরপর একবার তিনি [’উমার (রাঃ)] হাজ্জের জন্য রওয়ানা হলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে হাজ্জে গেলাম। (ফিরে আসার পথে) তিনি ইস্তিনজার জন্য রাস্তা থেকে সরে গেলেন। […]

দরসে হাদীছ : কন্যার প্রতি পিতার নছীহত বিস্তারিত পডুন »

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে

নিয়তের দিক দিয়ে দিয়ে তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া ব্যবহার করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ঘোড়া ব্যবহারের দিক দিয়ে মানুষ তিন প্রকার। এক প্রকার লোকের জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম আর এক প্রকার লোকের জন্য তা গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার অবলম্বন এবং আর এক প্রকার লোকের ব্জন্য তা শাস্তির কারণ। (এক) যার জন্য ঘোড়া সাওয়ারের মাধ্যম সে এমন ব্যক্তি যে ঘোড়াকে আল্লাহর রাস্তায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে এবং চারণভূমি বা বাগানে প্রশস্ত রশিতে বেধে বিচরণ করতে দেয়। এই রশি যত প্রশস্ত এবং যত

তিন শ্রেণীর মানুষ ঘোড়া পালন করে বিস্তারিত পডুন »

ওযনে কম নয়, বেশী দেন : ইনসাফ-আদল প্রতিষ্ঠা করুন!

আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছা হ’ল মুমিনের জীবনের যত কাজ তা সহজ করে দেয়া। আর শয়তানের কাজ হ’ল মানুষকে উল্টা দিকে প্রবাহিত করা এবং সৎ কাজে মন্দের সংমিশ্রণ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ “ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য। যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে। আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়”(মুতাফফিফীন, ১-৩)। অথচ আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) বলেন তোমরা এমটি করো না। বরং

ওযনে কম নয়, বেশী দেন : ইনসাফ-আদল প্রতিষ্ঠা করুন! বিস্তারিত পডুন »

নিজেকে যোগ্য নয়, অধম মনে করে সংশোধন করুন!

যে ব্যক্তি নিজের ভুল স্বীকার করে, সংশোধনের নিমিত্তে ভুল থেকে ফিরে আসে, সে-ই প্রকৃত নিষ্ঠাবান ও জ্ঞানী। নিজেকে ঠিক মনে করা থেকে প্রত্যেকের ফিরে আসা উচিৎ। কেননা মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। প্রত্যেক মানুষ যুগে যুগে ভুল করেছেন বা করবেন। ভুল থেকে ফিরে আসার যোগ্যতা যে ব্যক্তির রয়েছে, সে ব্যক্তি নেতা হওয়ার অতিব যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ। মানুষ আজও উপলব্ধি করবে না? কেন আল্লাহ তা‘আলা তাকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন ? না বুঝে দুনিয়া নিয়ে মাতামাতী। দুনিয়ার প্রতি এত আকৃষ্ট? দুনিয়াতে যত দিন বেঁচে থাকবেন,

নিজেকে যোগ্য নয়, অধম মনে করে সংশোধন করুন! বিস্তারিত পডুন »

বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করুন !

যার আমল নামায় সবচেয়ে বেশী ইস্তেগফার যোগ হবে, কেবল সেই ব্যক্তিই দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা দিনে রাতে ৭০ বার, অন্যত্র বলেন, ১০০ বার ক্ষমা প্রার্থনা করবে। উক্ত বর্ণনা অনুসারে যে সমস্ত ব্যক্তি ফরয ছালাতের প্রতি রাকা‘আতে ১০ বার, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্তে ফরয ছালাতে মোট ১৭ রাকা‘আতে ১৭০ বার নিম্নের দো‘আগুলি পাঠ করে আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থণা করে থাকে। সিজদার দো‘আ (তিনবার) : (متفق عليه) سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ (সুবহ-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়া বিহাম্দিকা, আল্লা-হুম্মাগ্ফিরলী) অর্থ:‘হে আল্লাহ হে আমাদের

বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করুন ! বিস্তারিত পডুন »

দ্বীন ও দুনিয়া অর্জন করুন সালাফীদের মত করে

দ্বীন ও দুনিয়া আলাদা কোন বিষয়বস্তু নয়। দ্বীন দ্বারা দুনিয়া একই রেখাতে পরিচালিত হবে। আর যারা আলাদা করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিকির ও পরকালের বিষয়ে চিন্তা করা ও আল্লাহর ধ্যানে মশগুল থাকা এবং কোন কোন সময় তা ছেড়ে দেয়া ও দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত থাকা জায়েয রয়েছে। তবে হ্যা বৈষয়িক বিষয়ে চলাফেরা করার জন্য সৎসঙ্গ অপরিহার্য। এই সৎসঙ্গ পাওয়া সম্ভব দ্বীনি পরিবেশে দ্বীনদার বন্ধুদের সাহচার্যে। আর এটা সম্ভব জামাআতবদ্ধ জীবন যাপনের ফলে। প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সন্তান-সন্ততি সকলের প্রভাব রয়েছে এই দ্বীনি পরিবেশের। যেকোন মূল্যে

দ্বীন ও দুনিয়া অর্জন করুন সালাফীদের মত করে বিস্তারিত পডুন »

সাংগঠনিক বায়‘আত নিয়ে কিছু কথা

সংগঠন হারাম বলার পরে এখন আবার বায়‘আত হারাম মনে করছেন…… ‘বায়‘আত’ শব্দের শরীয়াতের পরিভাষায় অর্থ হলো: আনুগত্যের অঙ্গীকার করা, কথা পালন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হওয়া, দ্বীনের নির্দেশ যথাযথ প্রতিপালনে শপথ করা। রূহ জগতে প্রথম বায়‘আত :আল্লাহ নিজেই রূহ জগতে বান্দার নিকট থেকে বায়‘আত গ্রহণ করেছেন। আল্লাহ বলেন, وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِيْ آدَمَ مِنْ ظُهُوْرِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوْا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُوْلُوْا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِيْنَ ‘হে নবী! যখন তোমার প্রতিপালক বনী আদমের পৃষ্ঠদেশ হ’তে তাদের সন্তানদেরকে বের

সাংগঠনিক বায়‘আত নিয়ে কিছু কথা বিস্তারিত পডুন »

দ্বীনে ফেরা আর দিনে ফেরা এক নয়

দ্বীন আপনার ফেৎরাতগত বিষয়। এটা সকলের মধ্যেই রয়েছে যা কারু সঞ্চালিত হয় আবার কারু বিকৃত হয় আবার কারু তা সীসা ঢালা রুদ্ধদ্বারের মত আবদ্ধ হয়ে যায়। এর অন্যতম দায়বদ্ধ মানুষের পিতা-মাতা। পিতা-মাতা তার সন্তানকে ফেৎরাতের পথ থেকে তাগুতের পথে হাটতে সাহায্য সহযোগীতা করে। অনেক সময় দেখা যায় কোন কোন মানুষের জীবনের কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পরে ফিৎরাতের সঞ্চালন তার ক্বালবে নাড়া দেয় এবং তা বেগবান হয়। তখন তারা দ্বীনের পথ তালাশ করে এবং সঠিক দিন খুজে ফিরে। দ্বীন খুজে পাওয়ার পরে কিছু সমস্যা পরিলক্ষিত হয়,

দ্বীনে ফেরা আর দিনে ফেরা এক নয় বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top