মুসলমানদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী।  [ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর রচনা সমূহ] ২. আত-তাযকিরাহ বি-আহওয়ালিল মাওতা ওয়া উমূরিল আখিরাহ : ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর গ্রন্থ সমূহের মাঝে তাফসীরে কুরতুবীর পর এটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও বহুল পঠিত। শায়খ মুহাম্মাদ মাখলূফ (মৃঃ ১৩৬০ হিঃ) উক্ত গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, كتاب ليس له مثيل فى بابه ‘এটি এমন একটি গ্রন্থ, যার তুলনীয় কোন গ্রন্থ নেই’।[1] হাজী খলীফা বলেন, هو كتاب مشهور فى مجلد ضخم ‘বৃহৎ একটি খন্ডে সংকলিত এটি একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ’।[2] শায়খ শিহাবুদ্দীন করাফী […]

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর রচনা সমূহ : ইমাম কুরতুবী (রহঃ) সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও জ্ঞান সাধনায় নিয়োজিত থাকতেন। তিনি শহরের কোলাহলমুক্ত নির্ঝঞ্ঝাট গ্রামীণ পরিবেশে নীরবে রচনা করে গেছেন তাঁর সুবিশাল সাহিত্যকর্ম।[1] এসব রচনা বিভিন্ন শাস্ত্রে তাঁর অগাধ পান্ডিত্য ও গভীর জ্ঞানের পরিচয় বহন করে। তাইতো ঐতিহাসিকগণ বলেছেন,لَهُ تصانيف مفيدة تدل على كَثْرَة اطلاعه ووفور فضله ‘তাঁর অনেক উপকারী গ্রন্থ রয়েছে। যা তাঁর অধিক অধ্যয়ন ও অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর বহন করে’।[2] আধুনিক গবেষক মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। কর্মজীবন : ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর কর্মজীবন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় না। তিনি যেসব শহরে-নগরে অবস্থান করেছিলেন, সে সকল স্থানে দরস প্রদানের কোন তথ্যও ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থগুলিতে পাওয়া যায় না। আসলেই কি তার দরসের কোন হালাকা ছিল না? এর সঠিক উত্তর দেওয়া বেশ মুশকিল। কারণ তাঁর যুগের ইলমী পরিবেশ দরস ও সংলাপে গুঞ্জরিত থাকত। তাছাড়া শেষ জীবনে তিনি মিসরের ‘মুনয়াতু বানী খাছীব’ নামক যে স্থানে বসবাস করতেন তা ইলমে দ্বীন চর্চার কেন্দ্রস্থল ও আলেম-ওলামার

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। ভূমিকা : ইমাম কুরতুবী (রহঃ) হিজরী ৭ম শতকের একজন প্রখ্যাত স্প্যানিশ মুফাস্সির, ফকীহ ও ধর্মতাত্ত্বিক। কর্ডোভার পতনের পর এই অনন্য ইলমী প্রতিভার দ্যুতি নীলনদ বিধেŠত মিসরে বিচ্ছুরিত হয়। নিরলস জ্ঞানসাধনার মাধ্যমে তিনি রচনা করেন তাঁর জগদ্বিখ্যাত তাফসীর ‘আলে-জামে লি-আহকামিল কুরআন’। যা ‘তাফসীরে কুরতুবী’ নামে খ্যাত। আহকামুল কুরআন বিষয়ক এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও অসাধারণ তাফসীর। তাফসীর সাহিত্যের দিগ্বলয়ে এটি চির ভাস্বর। নাম ও বংশ পরিচয় : ইমাম কুরতুবীর আসল নাম মুহাম্মাদ। কুনিয়াত বা উপনাম আবু

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

শা‘বে তালেবের বয়কট দলিল ছিন্ন হওয়ার ঘটনা

ইসলামের প্রচারের প্রাথমিক কালে মক্কার পৌত্তলিকরা দিন দিন অস্থির হয়ে উঠলো। অস্থির হবে না কেন? তারা বুঝতে পেরেছিলযে, এখন যদি মুহাম্মদকে হত্যা করার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, তা হলে তাঁকে রক্ষা করার জন্য যে রক্তপাত হবে এতে মক্কা পান্তর লালে রন্জিত হয় যাবে। তাদের নিজেদের গোষ্ঠির মধ্যে ধ্বংশ হয়ে যাবার সম্ভাবনা ছিল। এ কারনে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কে হত্যা করার পরিকল্পনা পরিত্যাগ করে পৌত্তলিকরা অমানুষিক অত্যাচার নির্যাতনের নতুন পথ আবিষ্কার করল। আর এই পরিকল্পনা ছিল ইতোপূর্বে গৃহিত সকর পদক্ষেপের চেয়ে আরও বেশী মারাত্মক। সর্বাত্মক বয়কট

শা‘বে তালেবের বয়কট দলিল ছিন্ন হওয়ার ঘটনা বিস্তারিত পডুন »

কাদিয়ানীদের পরিচয়, আক্বীদাসমূহ ও শেষ পরিণতি

শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে অস্বীকার করায় কাদিয়ানী সম্প্রদায় কাফের। চৌদ্দশ’ হিজরীর প্রথম দিকে গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীর (১৮৩৫-১৯০৮) মাধ্যমে মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতায় এ সম্প্রদায় জন্মলাভ করে (পৃঃ ১১৮-২২)। গোলাম আহমাদ প্রথমে নিজেকে মুজাদ্দিদ ও ইমাম মাহদী দাবী করে। এরপর নিজেকে ঈসা ইবনু মারইয়াম এবং সবশেষে নিজেকে ‘নবী’ বলে দাবী করে। এমনকি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর চেয়ে নিজেকে শ্রেষ্ঠ বলে (পৃঃ ১০৮)। তাদের কিছু আক্বীদা উল্লেখ করা হ’ল : (১) তারা বিশ্বাস করে যে, স্বয়ং আল্লাহ্ ছালাত আদায় করেন, ছওম পালন করেন, ঘুমান, জাগ্রত থাকেন, লিখেন, সঠিক

কাদিয়ানীদের পরিচয়, আক্বীদাসমূহ ও শেষ পরিণতি বিস্তারিত পডুন »

সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) জেনে জীবনকে সঠিক পদ্ধতিতে সাজান

আরবি ভাষায় সীরাত বা সিরাত শব্দটি (আরবি: سيرة‎‎) সারা (বর্তমান কাল : ইয়াসিরু ) ক্রিয়াপদ থেকে এসেছে , যার অর্থ ভ্রমণ করা বা ভ্রমণ করে আসা। একজন ব্যক্তির সীরাত হল সেই ব্যক্তির জীবন, বা জীবনী, তার জন্ম, তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য এবং তার মৃত্যু। আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ছাঃ)-কে হেদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন (ছাফফাত ৩৭/৯, ফাতহ ৪৮/২৮)। তাঁর দায়িত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তো তোমাকে সমগ্র মানব জাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী রূপে প্রেরণ করেছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না’

সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) জেনে জীবনকে সঠিক পদ্ধতিতে সাজান বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : বিজাতীয় সাদৃশ্যতা ত্যাগ করুন !

’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, «مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ» ‘যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি (কিয়ামতের দিন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ (আবূদাঊদ হা/৪০৩১; মিশকাত হা/৪৩৪৭ ‘পোষাক’ অধ্যায়)। ব্যাখ্যাঃ ‘‘যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য গ্রহণ করবে’’-এর অর্থে আল মানাভী ও আলকামী বলেনঃ যে প্রকাশ্যে তাদের বেশ-ভূষা গ্রহণ করলো, পোশাক-পরিচ্ছদে তাদের জীবনাচার ও সংস্কৃতি এবং জীবনযাপনে তাদের কিছু কাজকর্ম গ্রহণ করলো। কারী বলেনঃ এর অর্থ হলো, যে তার নিজের পোশাক বা অন্য কিছুতে কাফির, ফাসিক, পাপিষ্ঠ, সূফী ইত্যাদি জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন

দরসে হাদীছ : বিজাতীয় সাদৃশ্যতা ত্যাগ করুন ! বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top