মুসলমানদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদুল হারামের মধ্যে অবস্থিত একটি পবিত্র ও ঐতিহাসিক কুয়া, যা প্রায় ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম পানি সরবরাহ করে আসছে এবং এর পানিকে মুসলিমরা বরকতময় ও রোগমুক্তির জন্য উপকারী মনে করে, যা হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নবী ইব্রাহিম (আ.) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেভাবে যমযম কূপের সূচনা : যমযম কূপ কীভাবে সৃষ্টি হয় সেই ইতিহাস বলতে গিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নারী জাতি সর্বপ্রথম কোমরবন্দ বানানো শিখেছে ইসমাঈল (আঃ)-এর মায়ের নিকট থেকে। হাযেরা […]

যমযম কূপের ইতিহাস ও এর পানির উপকারিতা বিস্তারিত পডুন »

স্বামীর আনুগত্য

দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি হল একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি সদা অনুগত থাকবে। শারঈ নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহলে দুনিয়া ও আখেরাতে জীবন হবে সুখোময়। আল্লাহ স্বামীকে পরিবার প্রধান বানিয়েছেন, পরিবারের পরিচালনা ও দায় তার উপরেই ন্যস্ত করেছেন। আর স্ত্রীকে বানিয়েছে সহকর্মী, সহযোগী। তাই স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর একান্ত কর্তব্য। আর এ কর্তব্য পালনে সম্মান-অসম্মানের কিছু নেই। স্ত্রীদের জন্য জান্নাত অতিব সহজলভ্য যদি ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا

স্বামীর আনুগত্য বিস্তারিত পডুন »

যাকাত ও সাদাকার মধ্যে পার্থক্য এবং ফযীলত

যাকাত একটি বাধ্যতামূলক দান যা নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ নির্দিষ্ট সময় ধরে থাকলে প্রদান করতে হয়, যেখানে সাদাকা একটি ঐচ্ছিক দান যা যেকোনো ভালো কাজ বা সম্পদ দিয়ে করা যায়। যাকাত হলো ফরয বা আবশ্যিক, আর সাদাকা হলো নফল বা ঐচ্ছিক। الزكاة (যাকাত)-এর শাব্দিক অর্থ: বৃদ্ধি, লাভ, বরকত ও পবিত্র করা। (লিসানুল আরাব ১৪/৩৫৮ ও ফাতহুল কাদীর ২/৩৯৯)। আর الصدقة (সাদাকা) শব্দটি الصِّدق (আস্‌-সিদক বা সত্য) থেকে গৃহীত। যেহেতু সাদাকা করা সাদাকাকারীর ঈমানের সত্যতার দলীল (ফাতহুল কাদীর (২/৩৯৯)। শারঈ পারিভাষিক সংজ্ঞা: যাকাত হচ্ছে: বিভিন্ন শ্রেণীর সম্পদে

যাকাত ও সাদাকার মধ্যে পার্থক্য এবং ফযীলত বিস্তারিত পডুন »

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান

বিশ্ববাসীর জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছেন বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)। তিনি মাত্র ২৩ বছরের প্রচেষ্টায় আরবের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। তৎকালীন পৃথিবীর মানুষ অবাক দৃষ্টিতে অবলোকন করেছিল সমাজ পরিবর্তনের এই দৃশ্য। বহু দোষে দুষ্ট মানুষগুলিকে মুহূর্তের মধ্যে সোনার মানুষে রূপান্তরিত করার চমৎকার পদ্ধতি। এমন একজন মহান ব্যক্তির চরিত্রকে দু’চার কথায় কলমের অাঁচড়ে তুলে ধরা সম্ভব নয়। যাঁর সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ বলেছেন, وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلاَّ رَحْمَةً لِلْعَالَمِيْنَ ‘(হে মুহাম্মাদ) তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি’ (আম্বিয়া ১০৭)। তাঁকে আল্লাহ তা‘আলা উত্তম চরিত্রের নমুনা হিসাবে পাঠিয়েছেন। তিনি

রাসূলুল্লাহ (ছা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী নাস্তিকদের শারঈ বিধান বিস্তারিত পডুন »

কুরবানীর ইতিহাস ও ভাগা কুরবানীর পর্যালোচনা

কুরবানী আমাদের আদি পিতা আদম (আঃ) ও তদীয় পুত্র হাবিল-কাবীল এবং মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পুত্র ইসমাঈল (আঃ)-এর সুমহান আত্মত্যাগ এবং আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা-ভরসা ও জীবনের সর্বস্ব সমর্পণের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সমন্বয়। কুরবানী করা ওয়াজিব নয়; সুন্নাতে মুআক্কাদাহ্। ঠিক অনুরূপ লোক দেখানোর জন্য বেশ কয়েকটি কুরবানী করাও সুন্নাহর পরিপন্থী। যেহেতু হাদীসানুসারে একটি পরিবারের সকলের তরফ হতে কেবল একটি পশুই যথেষ্ট। সাহাবাদের আমলও অনুরূপ ছিল। গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু’ হল উট, গরু, ছাগল ও ভেড়াকে বুঝানো হয়েছে। এদের উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করার

কুরবানীর ইতিহাস ও ভাগা কুরবানীর পর্যালোচনা বিস্তারিত পডুন »

মানুষের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি যারা

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‏كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ ‘তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি, তোমাদেরকে মানবজাতির কল্যাণের জন্য বের করা হয়েছে। (আলে ইমরান  ১১০) কিয়ামতের মাঠে মুমিন বান্দা তথা নাজি ফির্কার লোক প্রতি হাযারে একজন হবে এবং জান্নাতের একশত বিশ কাতারে আশি কাতার হবেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর জান্নাতি উম্মত। মুসলিম উম্মতকে ‘শ্রেষ্ঠতম সম্প্রদায়’ হওয়ার কারণ হলো যে, মানব জাতির উপকারার্থে সমুত্থিত হয়েছে। মানব জাতি তাদের নিজেদের আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক সংশোধনের চেষ্টা করাই প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পূর্ববর্তী সম্প্রদায়সমূহের তুলনায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মাধ্যমে সৎকাজে আদেশ দান এবং অসৎকাজে নিষেধ করার দায়িত্ব

মানুষের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি যারা বিস্তারিত পডুন »

ইসলামে পোশাকের সঠিক নীতিমালা

পোশাক ব্যক্তিত্ব, আভিজাত্য, সভ্যতা ও লজ্জাশীলতার পরিচায়ক। মানুষ পোশাক পরিধানের তাগিদ অনুভব করেছিল সেই আদিম আমলেই। আদিম থেকে আধুনিক—সব যুগেই আছে পোশাকের কদর। হোক না তা গাছের পাতা কিংবা সুতায় বোনা কাপড়। তাই লাজুকতায় বশীভূত হয়ে লজ্জাস্থান ঢাকার প্রবণতা প্রাকৃতিক। মানুষ বিবস্ত্র হয়ে জন্মগ্রহণ করে; কিন্তু নগ্নতার চাদর ছুড়ে ফেলে খুব শিগগিরই সে নিজেকে পোশাকের আবরণে ঢেকে ফেলে। এ চেতনাবোধ স্বভাবজাত। ইসলাম মানুষের স্বভাবজাত ধর্ম। ফিতরাতের চাহিদার বিপরীত কোনো নির্দেশনা ইসলামে নেই। স্বভাবধর্ম ইসলামে পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। পোশাককে আরবিতে ‘লিবাস’ বলা হয়।

ইসলামে পোশাকের সঠিক নীতিমালা বিস্তারিত পডুন »

কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে যে যুদ্ধ

বনী ইসরাঈল চিরদিন লানত পাওয়ার হক্বদার। মুসলিম ঈমানে বলিয়ান হয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালেই ভীতু জাতি তলপিতলপা ফেলে পালিয়ে যাবে। নাফি’ ইবনু ’উতবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা ’আরব উপদ্বীপে যুদ্ধ অভিযান চালাবে এবং আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে তাতে বিজয়ী করবেন। অতঃপর পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, তাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে জয়যুক্ত করবেন। তারপর রূমকদের (রোমানদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, এটাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে জয়যুক্ত করবেন। অবশেষে তোমরা দাজ্জালের বিরুদ্ধে লড়াই করবে, তাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন। (মুসলিম হা/২৯০০), মুসনাদে আহমাদ হা/১৫৪১, ছহীহুল জামি’

কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে যে যুদ্ধ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top