দুনিয়া ও আখিরাত/ আখেরাত

শয়তান সম্পর্কে ধারনা

আদম (আঃ)-কে জান্নাত থেকে বের করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে সফলতা অর্জন করে। আদম (আঃ)-কে সিজদা না করায় মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ইবলীসের প্রতি ছিল চরম অভিশাপ। যার ফলশ্রুতিতে ইবলীস বা শয়তানের মানব জাতির সাথে চির শত্রুতা। জাত বা বংশ :  শয়তান মানুষ ও জিন উভয় শ্রেণীভুক্ত। তবে নেতা বা মূল সরদার হ’ল ইবলীস।[1] মহান আল্লাহ বলেন, وَكَذَلِكَ جَعَلْنَا لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوًّا شَيَاطِيْنَ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ ‘এভাবে আমরা প্রত্যেক নবীর জন্য মানুষ ও জিনের মধ্য থেকে বহু শয়তানকে শত্রুরূপে নিযুক্ত করেছি। তারা প্রতারণার উদ্দেশ্যে একে অপরকে […]

শয়তান সম্পর্কে ধারনা বিস্তারিত পডুন »

শয়তানের কুমন্ত্রণা

শয়তান মানুষের ভিতরে-বাইরে, দিবা-নিশি সর্বাবস্থায় পথভ্রষ্ট করার জন্য যথাযথ কুমন্ত্রণা দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আদম (আঃ)-কে জান্নাত থেকে বের করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে সফলতা অর্জন করে। আদম (আঃ)-কে সিজদা না করায় মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ইবলীসের প্রতি ছিল চরম অভিশাপ। যার ফলশ্রুতিতে ইবলীস বা শয়তানের মানব জাতির সাথে চির শত্রুতা। আল্লাহ তা‘আলা শয়তানের অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন; বরং সর্বদা তার বিরোধিতা করতে বলেছেন। কারণ শয়তানই মানুষের চির দুশমন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,يَا بَنِي آدَمَ لاَ يَفْتِنَنَّكُمُ الشَّيْطَانُ كَمَا أَخْرَجَ أَبَوَيْكُم مِّنَ الْجَنَّةِ يَنْزِعُ عَنْهُمَا لِبَاسَهُمَا

শয়তানের কুমন্ত্রণা বিস্তারিত পডুন »

হে যুবক, যৌবনকে হক্বে পথে পরিচালিত করুন!

মানুষের জীবনকে চারটি স্তরে বিভক্ত করা যায়। শৈশব, কৈশোর, যৌবন ও বার্ধক্য। তন্মধ্যে যৌবন হলো পূর্ণ মানব জীবনের মধ্যকাল এবং শ্রেষ্ঠ সময়। এটা যৌবনকাল মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। মানব জীবনের চারটি কালের মধ্যে যৌবনকাল অন্যতম। মানুষের জীবনের সকল কল্যাণের সময়, আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় হবার সময়, নিজেকে পুণ্যের আসনে সমাসীন করার সময় এ যৌবনকাল। এসময় নিজের ইজ্জতকে হেফাযত করা অতিব জরুরী। কারণ এসময় মানুষ আবেগে পড়ে নানা প্রকার পাপে জড়িয়ে পড়ে। অথচ এ গরুত্বপূর্ণ সময় নিজেকে হেফাযত করা। আবু উমামা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, এক তরুণ

হে যুবক, যৌবনকে হক্বে পথে পরিচালিত করুন! বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : বিচারের মাঠে আল্লাহ তাঁর পায়ের নলা উন্মোচন করবেন

আর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর বর্ণনায় আছে, তখন তারা বলবে, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের রব আমাদের কাছে না আসেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এ স্থানে অপেক্ষা করব। যখন আমাদের রব আসবেন, তখন আমরা তাকে চিনতে পারব। আর আবূ সাঈদ (রাঃ)-এর বর্ণনাতে আছে, আল্লাহ তআলা প্রশ্ন করবেন, তোমাদের এবং তোমাদের প্রভুর মধ্যে এমন কোন চিহ্ন আছে কি, যাতে তোমরা তাকে চিনতে পারবে? তারা বলবে, হ্যা, তখন আল্লাহ তা’আলা স্বীয় পায়ের নলা উন্মোচিত করবে। তখন যে ব্যক্তি সচ্ছতার সাথে আল্লাহ তা’আলাকে সিজদাহ্ করত, শুধু তাকেই আল্লাহ তা’আলা সিজদার অনুমতি দেবেন।

দরসে হাদীস : বিচারের মাঠে আল্লাহ তাঁর পায়ের নলা উন্মোচন করবেন বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : আল্লাহকে দর্শন

আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদিন কতিপয় লোক প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন কি আমরা আমাদের প্রভুকে দেখতে পাব? তিনি (সা.) বললেন, হ্যাঁ, মেঘমুক্ত দ্বিপ্রহরের আকাশে তোমরা সূর্য দেখতে কি কষ্ট পাও? এবং মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোন সমস্যা হয়? তারা বলল, না, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি (সা.) বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহকে দেখতে তোমাদের এর চেয়ে বেশি কোন সমস্যা হবে না যা এ দুটিকে দেখতে তোমাদের হয়ে থাকে। যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে, তখন একজন ঘোষক ঘোষণা দেবে, প্রত্যেক

দরসে হাদীস : আল্লাহকে দর্শন বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : বিচার দিবসে আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ছা.)-কে সন্তুষ্ট করে দেবেন

আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) ইবরাহীম আলায়হিস সালাম-এর উক্তি সংবলিত এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, (অর্থাৎ) “হে প্রভু! এ সকল মূর্তিগুলো বহু মানুষকে বিভ্রান্ত ও গোমরাহ করেছে, অতএব যে আমার অনুকরণ করবে সে-ই আমার দলভুক্ত, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে তুমি তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ ইব্রাহীম ১৪: ৩৬)।আর ’ঈসা আলায়হিস সালাম-এর উক্তিও পাঠ করলেন, অর্থাৎ “যদি তুমি তাদেরকে শাস্তি দাও, তারা তো তোমারই বান্দা”- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫:১১৮)। অতঃপর নবী (সা.) নিজের হস্তদ্বয় উঠিয়ে এ ফরিয়াদ করতে লাগলেন,

দরসে হাদীস : বিচার দিবসে আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ছা.)-কে সন্তুষ্ট করে দেবেন বিস্তারিত পডুন »

গীবত থেকে নিজেকে রক্ষা করুন !

গীবত অর্থ হ’ল পরচর্চা, দোষচর্চা, পরনিন্দা এবং তোহমত অর্থ হ’ল মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা। এ বিষয় দুটির কারণে সমাজে নানা বিশৃঙ্ক্ষলা সৃষ্টির হয়। অথচ উভয়টিই কবীরা গোনাহ ও বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট। বান্দা ক্ষমা না করলে আল্লাহ এ গোনাহ মাফ করবেন না। কারণ এর মাধ্যমে মানুষের ইয্যত-সম্মান নষ্ট হয়, তার হক্ব বিনষ্ট হয়। অনেকে দোষচর্চা করে মনে করেন তিনি সঠিক কথাইতো বলেছেন। সুতরাং তার দোষের হবে কেন? অথচ কারো মধ্যে থাকা দোষ-ত্রুটি তার অবর্তমানে আলোচনা করাই গীবত। গীবত বা দোষচর্চা থেকে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,وَلَا

গীবত থেকে নিজেকে রক্ষা করুন ! বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : আল্লাহর সেবা

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের (কিয়ামতের) দিন বলবেন, ১. হে বানী আদম! আমি অসুস্থ ছিলাম। তুমি আমাকে দেখতে আসোনি। সে বলবে, হে আমার রব! আমি তোমাকে কিভাবে দেখতে যাব? তুমি তো বিশ্বজাহানের রব! আল্লাহ বলবেন, أَمَّا عَلِمْتَ أَنَّ عَبْدِي فُلَانًا مَرِضَ فَلَمْ تَعُدْهُ؟ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ لَوْ عُدْتَهُ لَوَجَدْتَنِي عِنْدَهُ؟ তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ ছিল? তুমি তাকে দেখতে যাওনি। তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তাকে দেখতে যেতে, আমাকে অবশ্যই তার

দরসে হাদীস : আল্লাহর সেবা বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top