Author name: লিলবর আল-বারাদী

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান

মানুষ সামাজকি জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষরে সহজাত প্রবৃত্ত।ি একে অন্যরে সহযোগতিা ছাড়া মানুষ একদনিও চলতে পারে না। তাই সামাজকি জীবনে পরস্পরকি সাহায্য-সহযোগতিা খুবই গুরুত্বর্পূণ। ইসলাম সমাজকল্যাণমূলক র্ধম। মানব কল্যাণ ও সমাজকল্যাণ ইসলামরে অন্যতম লক্ষ্য। ইসলাম ও সমাজকল্যাণ একটরি সাথে অন্যটি ওতপ্রোতভাবে জড়তি। সমাজকল্যাণ বলতে মানুষরে কল্যাণে র্কাযকর পদক্ষপে গ্রহণ বুঝায়। আর ইসলাম মানুষকে অন্যরে কল্যাণে পারস্পরকি সাহায্য-সহযোগতিা করতে অনুপ্রাণতি কর।ে মহান আল্লাহ বলনে, وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ، ‘তোমরা সৎর্কম ও আল্লাহভীতরি কাজে পরস্পরকে সহযোগতিা কর এবং পাপ ও […]

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান বিস্তারিত পডুন »

সালাফী দাওয়াতে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের পদ্ধতি

সালাফীগণ মাঠে ময়দানে দাওয়াত দেয় তাদের দায়িত্ববোধ থেকে। আর সালাফী আলেম সমাজ সঠিক হক্বটা প্রচার করেন এবং যা সহীহ নয়, তা প্রচার থেকে বিরত থাকেন। কেননা এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» ‘আমার পক্ষ হতে (মানুষের কাছে) একটি বাক্য হলেও পৌঁছিয়ে দাও। বনী ইসরাঈল হতে শোনা কথা বলতে পারো, এতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করবে, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে প্রস্তুত করে নেয়

সালাফী দাওয়াতে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের পদ্ধতি বিস্তারিত পডুন »

কালো জাদুর অস্তিত্ব ও এর প্রতিকার

কালো জাদু কী ? কালো জাদু বলতে এমন কিছু কাজ বুঝায়, যেগুলোর মাধ্যমে নিজ স্বার্থ হাছিল কিংবা অন্যের ক্ষতি সাধন করা হয়ে থাকে। যেমন বশীকরণ, তাবীয-কবয করা, বান মারা, জাদু-টোনা ইত্যাদি। এসব কাজকে যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন, তা জাদু হিসাবেই পরিগণিত হবে। কালো জাদু বা অন্ধকার জাদু হলো এমন এক ধরনের চর্চা যা অন্যের অনিষ্ট সাধনে কিংবা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে করা হয়। এটি অতিমানবিক ও অশুভ শক্তির সংশ্লিষ্টতা । কালো জাদু সাধারনত অতিমানবিক শক্তি দ্বারা করা হয় । তবে অনেকে বলেন এতে ভূত, প্রেত, আত্মা, প্রেতাত্মা ব্যবহার করা হয় । অর্থাৎ বলা হয়ে

কালো জাদুর অস্তিত্ব ও এর প্রতিকার বিস্তারিত পডুন »

কিয়ামতের পূর্বের আলামত

✍️ শায়খ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী। কিয়ামতের পূর্বে অনেক ফিতনার আবির্ভাব হবে। কিন্তু বর্তমানে এসকল ফিতনা খুব দ্রুতই পেতে চলেছে। ফিতনা শব্দটি বিপদাপদ, বিশৃংখলা, পরীক্ষা করা ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার হয়ে থাকে। অতঃপর শব্দটি প্রত্যেক অপছন্দনীয় বস্তু ও বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘এই উম্মতের প্রথম যুগের মুমিনদেরকে ফিতনা থেকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। আখেরী যামানায় এই উম্মতকে বিভিন্ন ধরণের ফিতনায় ও বিপদে ফেলে পরীক্ষা করা হবে। প্রবৃত্তির অনুসরণ ফির্কাবন্দী এবং দলাদলির কারণে ফিতনার সূচনা হবে। এতে সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্য করা

কিয়ামতের পূর্বের আলামত বিস্তারিত পডুন »

শাকওয়ান জিনের ঘটনা

ঘটানা-1 : জনৈক মহিলা তার স্বামীকে অত্যন্ত ঘৃণা করত। যার উপর যাদুর প্রভাব ও আলামত অনেক স্পষ্ট ছিল। এমনকি সে তার স্বামী এবং তার বাড়ির সংসারকে চরম ঘৃণা করত। আর তার স্বামীকে খুব ভয়ঙ্কর দৃষ্টিতে দেখত। পরিশেষে তার স্বামী তাকে এমন এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে গেল; যে কুরআনে কারীমের মাধ্যমে চিকিৎসা করে। সেখানে জিন কথা বলা শুরু করল ও বললঃ সে যাদুকরের মাধ্যমে এসেছে, তার দায়িত্ব হলো এ লোকটি ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটান। এরপর চিকিৎসক তাকে অনেক পিটাই করল; কিন্তু তারপরও কোন ফল

শাকওয়ান জিনের ঘটনা বিস্তারিত পডুন »

খুবায়ব (রাঃ)-এর শাহাদাত

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু ‘উমার ইবনু খাত্তাবের নাতি আসিম ইবনু সাবিত আনসারীর পরিচালনায় দশজন সাহাবীর একটি দল গোয়েন্দা কাজের জন্য পাঠালেন। তাঁরা উসফান ও মক্কার মধ্যবর্তী স্থান হান্দায় পৌঁছলে হুযাইল গোত্রের একটি শাখা বানু লিহয়ানকে তাদের আগমনের কারণ সম্পর্কে জানানো হয়। (এ সংবাদ শুনে) তারা প্রায় একশ’ জন তীরন্দাজ প্রস্তুত হয়ে মুসলিমদের বিপক্ষে যুদ্ধ করার জন্য রওয়ানা হয়ে তাদের পদচিহ্ন ধরে পথ চলতে আরম্ভ করে। যেতে যেতে তারা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যেখানে অবস্থান করে সাহাবীগণ খেজুর খেয়েছিলেন। তা দেখে

খুবায়ব (রাঃ)-এর শাহাদাত বিস্তারিত পডুন »

লেনদেনের সময় সাক্ষী ও লিখে রাখার নির্দেশ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ لَا یَاۡبَ الشُّهَدَآءُ اِذَا مَا دُعُوۡا ؕ وَ لَا تَسۡـَٔمُوۡۤا اَنۡ تَكۡتُبُوۡهُ صَغِیۡرًا اَوۡ كَبِیۡرًا اِلٰۤی اَجَلِهٖ ؕ ذٰلِكُمۡ اَقۡسَطُ عِنۡدَ اللّٰهِ وَ اَقۡوَمُ لِلشَّهَادَۃِ وَ اَدۡنٰۤی اَلَّا تَرۡتَابُوۡۤا اِلَّاۤ اَنۡ تَكُوۡنَ تِجَارَۃً حَاضِرَۃً تُدِیۡرُوۡنَهَا بَیۡنَكُمۡ فَلَیۡسَ عَلَیۡكُمۡ جُنَاحٌ اَلَّا تَكۡتُبُوۡهَا ؕ وَ اَشۡهِدُوۡۤا اِذَا تَبَایَعۡتُمۡ ۪ وَ لَا یُضَآرَّ كَاتِبٌ وَّ لَا شَهِیۡدٌ ۬ؕ وَ اِنۡ تَفۡعَلُوۡا فَاِنَّهٗ فُسُوۡقٌۢ بِكُمۡ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ وَ یُعَلِّمُكُمُ اللّٰهُ ؕ وَ اللّٰهُ بِكُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمٌ  ‘সাক্ষীরা যেন অস্বীকার না করে, যখন

লেনদেনের সময় সাক্ষী ও লিখে রাখার নির্দেশ বিস্তারিত পডুন »

গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ আমল

(‘ফযীলতপূর্ণ দো‘আ ও যিকির’ বই থেকে নেয়া)১. ওযূ শেষে পঠিতব্য বিশেষ দো‘আ ও ফযীলত : سُبْحَانَكَ أللهمّ وَبِحَمْدِكَ ، أَشْهَدُ أَنْ لَّآ إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ.উচ্চারণ : ‘সুবাহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা’।অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র এবং তোমার প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আমি তোমার নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তওবা করে তোমার দিকে ফিরে যাচ্ছি’(ছহীহ আত-তারগীব হা/২২৫)। ফযীলত : আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন,

গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ আমল বিস্তারিত পডুন »

Scroll to Top