উপদেশ

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা

ইসলাম মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। মানুষের জীবনে আল্লাহ তাআলার নিয়ামত, সুখ-সমৃদ্ধি কিংবা বিপদ-আপদ—সবই পরীক্ষা। অনেক মানুষ দুনিয়ার ধন-সম্পদ, ক্ষমতা ও সাফল্যকে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিদর্শন মনে করে। কিন্তু কুরআন ও হাদীস শিক্ষা দেয় যে, সব নিয়ামত আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষণ নয়। অনেক সময় অবাধ্য বান্দাকে আরও গুনাহে নিমজ্জিত করার জন্য আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন, যা ইস্তিদরাজ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, ঈমান ও তাকওয়ার ওপর অটল থেকে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলাকে ইস্তিকামাত বলা হয়। একজন মুমিনের জীবনে ইস্তিকামাত […]

ইস্তিদরাজ ও ইস্তিকামাত : একটি তুলনামূলক আলোচনা বিস্তারিত পডুন »

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য

ইসলামে মানুষের জীবন এক পরীক্ষার ক্ষেত্র। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিভিন্ন পরিস্থিতি, সুখ, দুঃখ, ভয় ও ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করবেন। বিনা পরীক্ষায় কোন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কেননা জান্নাত দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ঘেরা রয়েছে। (ক) দুনিয়াতে প্রকৃত মুমিন বান্দার জন্য পরীক্ষা অনিবার্য। ১. কেবল ঈমান এনেছি বললেই পরীক্ষা ছাড়া কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, اَحَسِبَ النَّاسُ اَنۡ یُّتۡرَكُوۡۤا اَنۡ یَّقُوۡلُوۡۤا اٰمَنَّا وَ هُمۡ لَا یُفۡتَنُوۡنَ ‘মানুষ কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেয়া হবে?’(আনকাবুত

মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা অনিবার্য বিস্তারিত পডুন »

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে

আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنِ اھْتَدٰی فَاِنَّمَا یَھْتَدِیْ لِنَفْسِھ۪ﺆ وَمَنْ ضَلَّ فَاِنَّمَا یَضِلُّ عَلَیْھَاﺚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ اُخْرٰیﺚ وَمَا کُنَّا مُعَذِّبِیْنَ حَتّٰی نَبْعَثَ رَسُوْلًاﭞ  ‘‘যে হেদায়াতের পথে চলবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যই চলবে, আর যে ভ্রষ্ট পথে চলবে এর পরিণাম তার নিজের উপরেই বর্তাবে। একজনের (পাপের) বোঝা অন্যজনে বহণ করবে না। আমরা রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেয় না’’ (ইসরা ১৭/১৫)। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, যে ব্যক্তি সৎপথ অবলম্বন করে, সত্যের অনুসরণ করে এবং নুবুওয়াতকে স্বীকার করে, এটা তার নিজের জন্যেই কল্যাণকর হয়। আর যে

কৃতকর্মফল প্রত্যেকের নিজের উপরেই বর্তাবে বিস্তারিত পডুন »

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার

যে সন্তান পিতামাতার প্রতি সদাচারণে ত্রুটি খুঁজে যায়, সে সন্তান অনুগত ও তাক্বওয়াবান হয়। পক্ষান্তরে যে সন্তানকে পিতামাতা ভয় পায়, সে সন্তান তাক্বওয়াহীন কুলাঙ্গার হয়। প্রত্যেক সন্তান তার পিতামাতার সম্পদ। এমনকি সন্তানের উপার্জন ও সঞ্চয় তার পিতামাতার অধিকার ও সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। যদিও সন্তানের প্রতি মুখাপেক্ষী হোক বা না হোক। পিতামাতা সন্তানের মুখাপেক্ষী হলে তাদের ভরণপোষণ সন্তানের জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। আর পিতামাতা সম্পদশালী হোক বা না হোক সন্তানের সম্পদে তাদের হক্ব বা অধিকার রয়েছে। আমর বিন শুয়াইব (রাঃ), তাঁর পিতা ও তাঁর দাদার সূত্রে

সন্তানের সম্পদে পিতামাতার অধিকার বিস্তারিত পডুন »

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান

বান্দার প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সকল রহমত ও কল্যাণ নাযিল হয়, আর তা হলো- বারাকাহ। বারাকাহর ব্যাপক অর্থ হলেও সৎ আমল করার জন্য যোগ্যতা সমচেয়ে উত্তর বারাকাহ। সৎ আমল করার পূর্বে যা অর্জন করতে হয় তা হলো- ঈমান, ইলম ও দ্বীনের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সুস্থ্যতা, পবিত্র সম্পদ ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন, ঈমান, ইলমের সঠিক বুঝ, হেদায়াত, সম্পদ, হায়াত প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার উপযুক্ততা বা ধারন ক্ষমতানুসারে রূহ জগতে বণ্টন করে দিয়েছেন। আর এগুলো প্রাপ্তি রিযিক এবং বৃদ্ধি হওয়াকে বারাকাহ বলে।  আল্লাহ তাআলা বলেন, مَنْ ذَا

উত্তম দানের উত্তম প্রতিদান বিস্তারিত পডুন »

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া

ক্বিয়ামতের আলামত সম্পর্কিত যত হাদীস রয়েছে এই হাদীস তার অন্যতম। কিয়ামতের প্রাককালে সম্পদ ব্যপকহারে বৃদ্ধিপাবে, কিন্তু বরকত থাকবে না। বরং হারামে জড়িয়ে পড়বে। কীভাবে সম্পদ আহরিত হচ্ছে এর প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ব্যবসার প্রসার ঘটবে ঘরে ঘরে এমনকি নারী পুরুষ কাধে কাধ মিলিয়ে ব্যবসা করবে, কিন্তু ব্যবসায় বরকত কমে যাবে। ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মানুষ অধিক হারে জ্ঞানার্জন করবে কিন্তু তা আমলে নিবে না। অনেক সময় বাহবা কিংবা রিয়া বা লৌকিকতা অথবা বাহাদুরী দেখানোর জন্য অনেকে ইলম অর্জন করবে। এছাড়াও AI

কিয়ামতের আলামত : সম্পদ, ব্যবসা ও ইলম বা কলমের জোর বৃদ্ধি পাওয়া বিস্তারিত পডুন »

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয়

বিপদ বান্দার উপর দুভাবে আসে। এক. দুষ্ট লোকের জন্য আযাব হিসেবে দ্বীনে ফেরানোর জন্য। দুই. সৎ ব্যক্তিকে ঈমানের দৃঢ়তার পরীক্ষা স্বরূপ। আর উভয়ের জন্যই পাপ মোচন হয়ে থাকে। প্রশ্ন হ’তে পারে যে, পৃথিবীতে নবী-রাসূল ও সৎ লোকদের উপর যেসব বালা-মুছীবত আসে, সেগুলি কি আল্লাহর গযব হিসাবে গণ্য হবে? যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়, أىُّ الناسِ أشدُّ بلاءً ؟ قال: الأنبياءُ ثمَّ الأمثلُ فالأمثلُ، يُبتلَى الرَّجلُ على حسب دينيه فإن كانَ صُلباً في دينيه اشتدَّ بلاءُه، وإن كانَ فى دينيه رِقَّةٌ هُوِّنَ عليه، فمازال كذلك

সৎ ব্যক্তির উপর বিপদাপদের কারণ ও করণীয় বিস্তারিত পডুন »

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার

 বদ নজর বলতে সাধারণত হিংসা, ঈর্ষা বা অতিরিক্ত প্রশংসার মাধ্যমে অন্যের প্রতি কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করাকে বোঝানো হয়, যা ক্ষতিকারক হতে পারে।  প্রভাবশালী শক্তি নির্গত হয়, যার উপর ক্ষতি হয়, এবং বদ নজর বাস্তব, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এবং যদি ভাগ্যের আগে কিছু থাকত, তাহলে বদ নজর তার আগে আসত। এই বিষয়ে মানুষ হয় অতিরিক্ত, অথবা অতিরিক্ত, এবং এই ক্ষেত্রে মধ্যপন্থী খুব কম। আপনি এমন কিছু লোক খুঁজে পাবেন যারা অতিরিক্ত, অর্থাৎ তারা যাদের সাথে দেখা হয় তাদের সবাইকে আল্লাহকে স্মরণ করতে, আল্লাহকে স্মরণ

বদ নজর এবং এর কুপ্রভাব ও প্রতিকার বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top