আক্বীদাহ বা বিশ্বাস

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২

তাওহীদে বিশ্বাসী সালাফী মুমিন সদা আল্লাহরই সাহায্য প্রার্থনা করেন। তাঁরই নিকটে আশ্রয় ভিক্ষা করেন। তাঁরই ‘তাক্বদীরের’ ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস রেখে যথাসাধ্য ‘তদবীর’ করে চলেন। পরকালীন মুক্তির জন্য তারা শিরক ও বিদ‘আতমুক্ত এবং শরী‘আত অনুমোদিত নেক আমলকেই একমাত্র ‘অসীলা’ হিসাবে মনে করেন। যে সকল কথায় ও কর্মে শিরক ও বিদ‘আতের সামান্যতম ছিটে-ফোঁটা থাকে, তা হ’তে তারা দূরে থাকেন। কোন মানুষকে ‘ইলমে গায়েব’ বা অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী বলে তারা বিশ্বাস করেন না। নবী ব্যতীত অন্য কাউকে তারা মা‘ছূম বা নিষ্পাপ বলে মনে করেন না। শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে […]

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২ বিস্তারিত পডুন »

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-১

আহলেহাদীস বা সালাফীদের আক্বীদার জিরক্স কপি তৈরী করা উচিৎ নয়। নানা ভাবে সালাফী আক্বীদাকে বিকৃত করে প্রকৃত দ্বীন থেকে সরে যাচ্ছেন হাজারো মুসলিম। এটা মোটেও কাম্য নয় একজন প্রকৃত ঈমানের দাবীদার বান্দার পক্ষে। মানুষ দ্বীনের হুকুমাত প্রতিষ্ঠার অর্থ তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা। অথচ যারা এর অর্থ রাষ্ট্রে দ্বীন কায়েম করা বলে মনে করেন। এরা আক্বীদা থেকে বিচ্যুত হয়ে তথাকতিথ পশ্চিমাদের গণতন্ত্র রাজনীতিতে বিশ্বাসী। একজন বক্তা, আলোচক, লেখক কিংবা শিক্ষক যে ব্যক্তিই হোক না কেন, উনাদের কথা, লেখা গ্রহণের পূর্বে জেনে নিন তাদের আক্বীদা কী (?)আবূ জাহেলের

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-১ বিস্তারিত পডুন »

ফিৎরাত, ঈমানদার, মুত্তাক্বী ও মুসলিম

ফিৎরাত : ফিৎরাত দ্বারা স্বভাবগত দ্বীন ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দেশ্য হ’ল আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষকে প্রকৃতিগতভাবে মুসলিম ফিৎরাতের ওপর সৃষ্টি করেছেন। যদি পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশগত কোন কিছুর মন্দ প্রভাব না পড়ে,তবে প্রতিটি জন্মগ্রহণকারী শিশু ভবিষ্যতে মুমিন মুসলমান হবে। কিন্তু পারিবারিক অভ্যাসগতভাবেই পিতা-মাতা তাকে ইসলাম বিরোধী বিষয়াদি শিক্ষা দেয়। ফলে ফিৎরাতের স্বভাব পরিবর্তন হয় এবং সে ইসলামের উপর কায়েম হ’তে পারে না। হেদায়াত বা ইসলাম গ্রহণের স্বাভাবিক যোগ্যতা আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দান করেছেন। যেমন তিনি বলেন, فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّيْنِ حَنِيفًا فِطْرَتَ اللهِ الَّتِي فَطَرَ

ফিৎরাত, ঈমানদার, মুত্তাক্বী ও মুসলিম বিস্তারিত পডুন »

কুরআনের অপব্যাখ্যার জবাব

(সূরা আনআমের ৬/১১৫ নং আয়াতের অপব্যাখ্যার জবাব লিখিত ভাবে দিলাম) আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ صِدْقًا وَعَدْلًا لَا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِهِ  ‘‘আর সত্য ও ন্যায়ের দিক দিয়ে আপনার রব-এর বাণী পরিপূর্ণ। তাঁর বাক্যসমূহ পরিবর্তনকারী কেউ নেই’’ (আনআম ৬/১১৫)। (১) আল্লাহ বলেন, আর সত্য ও ন্যায়ের দিক দিয়ে আপনার রব-এর বাণী পরিপূর্ণ। এখানে যা বুঝানো হয়েছে…. আল্লাহর কথা বা বাণী বা কালাম সত্যতা, ইনসাফ ও সমতার দিক দিয়ে সম্পূর্ণ। এর মাঝে কোন প্রকার ফাঁক ফোকর নেই। বান্দা যেকোন ভাবে এর মাঝে অসত্য, বেইনসাফ, অন্যায়, যুলুম, অসঙ্গতি,

কুরআনের অপব্যাখ্যার জবাব বিস্তারিত পডুন »

ঈমানদার যুবক ও আছহাবুল উখদূদের কাহিনী

বহুকাল পূর্বে একজন রাজা ছিলেন। সেই রাজার ছিল একজন যাদুকর। ঐ যাদুকর বৃদ্ধ হ’লে একদিন সে রাজাকে বলল, ‘আমি তো বৃদ্ধ হয়ে গেছি। সুতরাং আমার নিকট একটি ছেলে পাঠান, যাকে আমি যাদুবিদ্যা শিক্ষা দিব’। বাদশাহ তার নিকট একটি বালককে পাঠিয়ে দিলেন। তিনি তাকে যাদুবিদ্যা শিক্ষা দিতে লাগলেন। বালকটি যাদুকরের নিকট যে পথ দিয়ে যাতায়াত করত, সে পথে ছিল এক সন্ন্যাসীর আস্তানা। বালকটি তার নিকট বসল এবং তার কথা শুনে মুগ্ধ হ’ল। বালকটি যাদুকরের নিকট যাওয়ার সময় ঐ সন্ন্যাসীর নিকট বসে তাঁর কথা শুনত। ফলে যাদুকরের

ঈমানদার যুবক ও আছহাবুল উখদূদের কাহিনী বিস্তারিত পডুন »

মুমিন ও মুসলিমের পরিচয়

পৃথিবীতে মানুষে মানুষে পার্থক্যের মানদণ্ড হ’ল ঈমান। যারা আল্লাহতে বিশ্বাসী, তারা ইহকাল ও পরকালে সফল। পক্ষান্তরে যারা আল্লাহতে অবিশ্বাসী, তারা ইহকাল ও পরকালে বিফল। ঈমানদারের সকল কাজ হয় আখিরাতমুখী। পক্ষান্তরে অবিশ্বাসীদের সকল কাজ হয় প্রবৃত্তিমুখী। দু’জনের জীবনধারা হয় সম্পূর্ণ পৃথক। আল্লাহ বলেন, ‘আমরা রাসূলদের পাঠিয়ে থাকি এজন্য যে, তারা মানুষকে জান্নাতের সুসংবাদ দিবে ও জাহান্নামের ভয় প্রদর্শন করবে। এক্ষণে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও নিজেকে সংশোধন করে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা কোনরূপ চিন্তান্বিত হবে না’। ‘পক্ষান্তরে যারা আমাদের আয়াতসমূহে মিথ্যারোপ করে, তাদের পাপাচারের

মুমিন ও মুসলিমের পরিচয় বিস্তারিত পডুন »

দরূদ পাঠের ফযীলত

(ফযীলতপূর্ণ দো‘আ ও যিকির’ বই থেকে নেয়া) বিদ্বানগণের মতে রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি ছালাতে (দরূদ) পাঠ কখনো ওয়াজিব আবার কখনো মুস্তাহাব। ইমাম শাফেঈ ও আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ)-এর মতে তাশাহহুদের পর দরূদ পাঠ করা ওয়াজিব। আর ইমাম আবূ হানীফা ও মালেক (রহঃ)-এর মতে সুন্নাত।(আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-বাসসাম, তায়সীরুল আল্লাম শরহে উমদাতুল আহকাম, (কুয়েত : জমঈয়াতু ইহয়াইত তুরাছ আল-ইসলামী, ১৯৯৪ খৃঃ), পৃঃ ১/২৬৮।)নবী করীম (ছাঃ) নিজের উপর তাশাহহুদ ও তাশাহহুদের পরে দরূদ পাঠ করতেন এবং উম্মতদেরকে পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। (আলবানী, ছিফাতু ছালাতিন নাবী (ছাঃ), ‘দরূদ পাঠ’

দরূদ পাঠের ফযীলত বিস্তারিত পডুন »

‘‘আহলেহাদীছ’’ সম্পর্কে ইমামগণের মতামত

মুসলমানদের অনেক গুণবাচক নাম রয়েছে। যেমন মুমিন, ইবাদুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা), হিযবুল্লাহ (আল্লাহর দল)। তদ্রূপ ছাহাবা, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন, মুহাজির, আনছার ইত্যাদি নামসমূহ। ঠিক তেমনিভাবে ঐসকল গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে ‘আহলেহাদীছ’ ও ‘আহলে সুন্নাত’ উপাধিদ্বয় ‘খায়রুল কুরূন’ বা সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ হ’তে সাব্যস্ত রয়েছে। মুসলমানদের মাঝে উভয় গুণবাচক উপাধির ব্যবহার নির্দ্বিধায় প্রচলিত আছে। বরং এর বৈধতার পক্ষে মুসলিম উম্মাহর ইজমা রয়েছে। ‘আহলেহাদীছ’ এবং ‘আহলে সুন্নাত’ দু’টি সমার্থবোধক গুণবাচক নাম। যার দ্বারা ছহীহ আক্বীদা সম্পন্ন মুসলমানদের অর্থাৎ সাহায্য ও নাজাতপ্রাপ্ত দলের পরিচয় পাওয়া যায়। ‘আহলেহাদীছ’ এই গুণবাচক নাম

‘‘আহলেহাদীছ’’ সম্পর্কে ইমামগণের মতামত বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top