শিক্ষা ও সংস্কৃতি

আধুনিক বিজ্ঞান ও ইসলাম

বিজ্ঞান অর্থ বিশেষ জ্ঞান। আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান মানব, জীবজগত ও বিভিন্ন বস্ত্ত মানুষের মনে কৌতুহল সৃষ্টি করে এবং এসবের সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে সন্তোষজনক সমাধান খুঁজে ফিরে। এই বিশাল বিশ্বজগত কেমন করে চলছে সেই সত্য উদঘাটনই বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য। কিন্তু বাহ্যিকভাবে পঞ্চেন্দ্রিয়লব্ধ জ্ঞানকেই বিজ্ঞান একদিন শ্বাশত সত্য বলে যাহির করেছিল এবং ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আল্লাহর বাণীকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অথচ বিংশ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষের যুগে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বললেন, Science without religion is lame and religion without science is blind অর্থাৎ ধর্মহীন বিজ্ঞান খোড়া এবং বিজ্ঞানহীন ধর্ম […]

আধুনিক বিজ্ঞান ও ইসলাম বিস্তারিত পডুন »

ছালাত পরবর্তী দো‘আ ও যিকির সমূহ

ফরজ ছালাত সমাপান্তে ইমাম-মুক্তাদী সবার জন্য পঠিতব্য দো‘আ ও যিকির সমূহ তুলে ধরা হ’ল – (1) اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ- উচ্চারণ : ১. আল্লা-হু আকবার (একবার সরবে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)। অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।[1] (2) اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَ الْإِكْرَامِ. ২. আল্লা-হুম্মা আন্তাস্ সালা-মু ওয়া মিন্কাস্ সালা-মু, তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে

ছালাত পরবর্তী দো‘আ ও যিকির সমূহ বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : অন্তরের ধনীই হ’ল প্রকৃত ধনবান

রাসূল (ছাঃ) আরো বলেন, لَيْسَ الْغِنَى عَنْ كَثْرَةِ الْعَرَضِ، وَلَكِنَّ الْغِنَىْ غِنَى النَّفْسِ ‘ধনের আধিক্য হ’লেই ধনী হয় না, বরং অন্তরের ধনীই হ’ল প্রকৃত ধনী’। [মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫১৭০। ] ব্যাখ্যা  : মনের সুখই তো প্রকৃত সুখ। আর অন্তরের ধনাঢ্যতাই প্রকৃত সম্পদশালী।  : (لَيْسَ الْغِنَى عَنْ كَثْرَةِ الْعَرَضِ وَلَكِنَّ الْغِنَى غِنَى النَّفس) উল্লেখিত হাদীসে (الْعَرَضُ) শব্দটি যদি ‘হরকত’ যোগে পড়া হয় তবে অর্থ হবে টাকা-পয়সা যাবতীয় সম্পদ। আর ‘সাকীন’ যোগে পড়া হলে অর্থ হবে টাকা-পয়সা ব্যতীত অন্যান্য সকল সম্পদ।  আবূ ‘উবায়দ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন,(الْعَرَضُ) হলো সব ধরনের ভোগ্য সামগ্রী। তবে জীবজন্তু

দরসে হাদীস : অন্তরের ধনীই হ’ল প্রকৃত ধনবান বিস্তারিত পডুন »

যথা সময়ে বিবাহের গুরুত্ব

ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ ও পরিবার সম্পূর্ণ একটি চুক্তিনামা জীবন ও দায়িত্ববোধ। বিয়ের উপযুক্ত সকল নারীকে বিবাহের জন্য শরীয়াহ্ মোতাবেক উপস্থাপিত করা এবং সকল পুরুষের তা সাদরে গ্রহণ করা এই ‘ঈজাব’ ও ‘কবুল’ কর্তৃক বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। আর এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের সঙ্গে মিলে-মিশে দাম্পত্য জীবন যাপন করার সুযোগ লাভ করে। তাছাড়া বিবাহিত জীবন যাপনে একটি বিশেষ উদ্দেশ্যও রয়েছে। পৃথিবীর যাবতীয় ক্রিয়াকর্ম স্পষ্ট বা অস্পষ্ট কোন উদ্দেশ্য ছাড়া সম্পাদিত হয়নি বা হয়ও না। কুরআন, হাদীছ ও বিজ্ঞানের আলোকে বিবাহের উদ্দেশ্য বহুবিধ। তন্মধ্যে, দ্বীনের আদেশ পালন,

যথা সময়ে বিবাহের গুরুত্ব বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীছ : আত্মসংযম ও কাজে ধীরস্থিরতা মুমিন বান্দাদের উত্তম গুণাবলী

ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (ছাঃ) ’’আবদুল কায়স’’ গোত্রের গোত্রপতিকে বললেন, إِنَّ فِيكَ لَخَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا الله: الْحلم والأناة ‘তোমার মধ্যে দু’টো চরিত্র এমন আছে যা আল্লাহ তা’আলা পছন্দ করেন। ১. সহনশীলতা ও ২. ধীরস্থিরতা বা চিন্তা-ভাবনা করে কাজ করা’। (মুসলিম হা/২৫, মিশকাত হা/৫০৫৪) ব্যাখ্যা : (لِأَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ) বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে : ‘আবদুল কায়স’ গোত্রের গোত্রপতি বলতে তাদের প্রতিনিধি দলের নেতা মুনযির ইবনু ‘আয়িয-কে বোঝানো হয়েছে। সহীহ মুসলিমের বর্ণনা দ্বারা এটাই বোঝা যায়- (মিরক্বাতুল মাফাতীহ; শারহুন নাবাবী ১ম খন্ড, ১৭/২৫)। তবে তার নাম

দরসে হাদীছ : আত্মসংযম ও কাজে ধীরস্থিরতা মুমিন বান্দাদের উত্তম গুণাবলী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী।  [ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর রচনা সমূহ] ২. আত-তাযকিরাহ বি-আহওয়ালিল মাওতা ওয়া উমূরিল আখিরাহ : ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর গ্রন্থ সমূহের মাঝে তাফসীরে কুরতুবীর পর এটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও বহুল পঠিত। শায়খ মুহাম্মাদ মাখলূফ (মৃঃ ১৩৬০ হিঃ) উক্ত গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, كتاب ليس له مثيل فى بابه ‘এটি এমন একটি গ্রন্থ, যার তুলনীয় কোন গ্রন্থ নেই’।[1] হাজী খলীফা বলেন, هو كتاب مشهور فى مجلد ضخم ‘বৃহৎ একটি খন্ডে সংকলিত এটি একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ’।[2] শায়খ শিহাবুদ্দীন করাফী

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর রচনা সমূহ : ইমাম কুরতুবী (রহঃ) সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও জ্ঞান সাধনায় নিয়োজিত থাকতেন। তিনি শহরের কোলাহলমুক্ত নির্ঝঞ্ঝাট গ্রামীণ পরিবেশে নীরবে রচনা করে গেছেন তাঁর সুবিশাল সাহিত্যকর্ম।[1] এসব রচনা বিভিন্ন শাস্ত্রে তাঁর অগাধ পান্ডিত্য ও গভীর জ্ঞানের পরিচয় বহন করে। তাইতো ঐতিহাসিকগণ বলেছেন,لَهُ تصانيف مفيدة تدل على كَثْرَة اطلاعه ووفور فضله ‘তাঁর অনেক উপকারী গ্রন্থ রয়েছে। যা তাঁর অধিক অধ্যয়ন ও অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর বহন করে’।[2] আধুনিক গবেষক মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী

লেখক : ড. নূরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী। কর্মজীবন : ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর কর্মজীবন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় না। তিনি যেসব শহরে-নগরে অবস্থান করেছিলেন, সে সকল স্থানে দরস প্রদানের কোন তথ্যও ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থগুলিতে পাওয়া যায় না। আসলেই কি তার দরসের কোন হালাকা ছিল না? এর সঠিক উত্তর দেওয়া বেশ মুশকিল। কারণ তাঁর যুগের ইলমী পরিবেশ দরস ও সংলাপে গুঞ্জরিত থাকত। তাছাড়া শেষ জীবনে তিনি মিসরের ‘মুনয়াতু বানী খাছীব’ নামক যে স্থানে বসবাস করতেন তা ইলমে দ্বীন চর্চার কেন্দ্রস্থল ও আলেম-ওলামার

ইমাম কুরতুবী (রহঃ)-এর জীবনী বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top