Author name: লিলবর আল-বারাদী

ধৈর্য মু’মিন বান্দার জন্য অপরিহার্য

বিপদে হতাশ বা অধৈর্য হয়ে পড়া একদিকে যেমন ঈমানের পরিপন্থী, অপরদিকে তা মানবীয় ব্যক্তিতেরব চরম পরাজয়। হতাশা, অস্থিরতা বা উৎকণ্ঠা বিপদ দূর করেনা, বিপদের কষ্ট কমায় না বা বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার পথ দেখায় না। সর্বোপরি হতাশা বা ধৈর্যহীনতা স্বয়ং একটি কঠিন বিপদ যা মানুষকে আরো অনেক কঠিন বিপদের মধ্যে নিপতিত করে। পক্ষান্তরে ধৈর্য বিপদ দূর না করলেও তা বিপদ নিয়ন্ত্রণ করে, বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য শান্তভাবে চিন্তা করার সুযোগ দেয় এবং অস্থিরতা জনিত অন্যান্য বিপদের পথরোধ করে। সর্বোপরি বিপদে কষ্টে ধৈর্যের মাধ্যমে মুমিন আল্লাহর […]

ধৈর্য মু’মিন বান্দার জন্য অপরিহার্য বিস্তারিত পডুন »

Advantages and disadvantages of Facebook

Written by Nafiz Al-MahmudClass- XI (Science Branch),Rajshahi Cantonment Board School & College Rajshahi.(Also, awarded for it in a class 10 competition)Al-Markazul Islami As-Salafi, Nowdapara, Rajshahi…….Facebook, as a social media platform, has numerous advantages and disadvantages that impact users and society at large. Here are some key points: Advantages : Disadvantages Overall, Facebook is inappropriate for secondary students. Focusing on studying at this age is the hallmark of a good student. However, it is appropriate for a student to use Facebook while studying in a college or

Advantages and disadvantages of Facebook বিস্তারিত পডুন »

তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি

আল্লাহভীতি মানুষের জীবনের মূল ভিত্তি। অধিক কুরআন হাদীস জানাতে কোন বাহাদুরী নেই, বরং তাক্বওয়াশীল মানুষ হলো সর্বোত্তম মর্যাদাপূর্ণ। তাই সদা সকল কাজে আল্লাহকে ভয় করে চলতে হবে। আল্লাহর তাক্বওয়া অর্জনের হক্ক আদায় করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ তাকওয়ার ঐ স্তর অর্জন কর, যা তাক্বওয়ার হক। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, তাকওয়ার হক হল, প্রত্যেক কাজে আল্লাহর আনুগত্য করা, আনুগত্যের বিপরীতে কোন কাজ না করা, আল্লাহকে সর্বদা স্মরণে রাখা- কখনো বিস্মৃত না হওয়া এবং সর্বদা তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা- অকৃতজ্ঞ না হওয়া। [ইবন কাসীর] তাক্বওয়া অর্থ

তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি বিস্তারিত পডুন »

দরসে হাদীস : তওবার শেষ মূহূর্ত কোনটি (?)

’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘বান্দার প্রাণ (রূহ) ওষ্ঠাগত না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই আল্লাহ তার তওবা কবূল করেন। [ইবনু মাজাহ হা/৪২৫৩, সহীহ আল জামি‘ হা/১৯০৩, মিশকাত হা/২৩৪৩] ব্যাখ্যা: (إِنَّ اللّٰهَ يَقْبَلُ تَوْبَةَ الْعَبْدِ) কারী বলেন, বাহ্যিক দৃষ্টিতে হাদীসাংশে তাওবাহ্ কবূলের ব্যাপারটি মুত্বলাক বা সাধারণভাবে, আর কতিপয় হানাফী একে কাফিরের সাথে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। আমাদের শায়খ বলেন, বাহ্যিকদৃষ্টিতে প্রথমটি নির্ভরযোগ্য। (مَا لَمْ يُغَرْغِرْ) অর্থাৎ- যতক্ষণ পর্যন্ত তার আত্মা কণ্ঠনালীতে না পৌঁছবে, অতঃপর তা ঐ বস্ত্তর স্থানে পরিণত না হবে

দরসে হাদীস : তওবার শেষ মূহূর্ত কোনটি (?) বিস্তারিত পডুন »

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২

তাওহীদে বিশ্বাসী সালাফী মুমিন সদা আল্লাহরই সাহায্য প্রার্থনা করেন। তাঁরই নিকটে আশ্রয় ভিক্ষা করেন। তাঁরই ‘তাক্বদীরের’ ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস রেখে যথাসাধ্য ‘তদবীর’ করে চলেন। পরকালীন মুক্তির জন্য তারা শিরক ও বিদ‘আতমুক্ত এবং শরী‘আত অনুমোদিত নেক আমলকেই একমাত্র ‘অসীলা’ হিসাবে মনে করেন। যে সকল কথায় ও কর্মে শিরক ও বিদ‘আতের সামান্যতম ছিটে-ফোঁটা থাকে, তা হ’তে তারা দূরে থাকেন। কোন মানুষকে ‘ইলমে গায়েব’ বা অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী বলে তারা বিশ্বাস করেন না। নবী ব্যতীত অন্য কাউকে তারা মা‘ছূম বা নিষ্পাপ বলে মনে করেন না। শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২ বিস্তারিত পডুন »

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-১

আহলেহাদীস বা সালাফীদের আক্বীদার জিরক্স কপি তৈরী করা উচিৎ নয়। নানা ভাবে সালাফী আক্বীদাকে বিকৃত করে প্রকৃত দ্বীন থেকে সরে যাচ্ছেন হাজারো মুসলিম। এটা মোটেও কাম্য নয় একজন প্রকৃত ঈমানের দাবীদার বান্দার পক্ষে। মানুষ দ্বীনের হুকুমাত প্রতিষ্ঠার অর্থ তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা। অথচ যারা এর অর্থ রাষ্ট্রে দ্বীন কায়েম করা বলে মনে করেন। এরা আক্বীদা থেকে বিচ্যুত হয়ে তথাকতিথ পশ্চিমাদের গণতন্ত্র রাজনীতিতে বিশ্বাসী। একজন বক্তা, আলোচক, লেখক কিংবা শিক্ষক যে ব্যক্তিই হোক না কেন, উনাদের কথা, লেখা গ্রহণের পূর্বে জেনে নিন তাদের আক্বীদা কী (?)আবূ জাহেলের

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-১ বিস্তারিত পডুন »

ফিৎরাত, ঈমানদার, মুত্তাক্বী ও মুসলিম

ফিৎরাত : ফিৎরাত দ্বারা স্বভাবগত দ্বীন ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দেশ্য হ’ল আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষকে প্রকৃতিগতভাবে মুসলিম ফিৎরাতের ওপর সৃষ্টি করেছেন। যদি পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশগত কোন কিছুর মন্দ প্রভাব না পড়ে,তবে প্রতিটি জন্মগ্রহণকারী শিশু ভবিষ্যতে মুমিন মুসলমান হবে। কিন্তু পারিবারিক অভ্যাসগতভাবেই পিতা-মাতা তাকে ইসলাম বিরোধী বিষয়াদি শিক্ষা দেয়। ফলে ফিৎরাতের স্বভাব পরিবর্তন হয় এবং সে ইসলামের উপর কায়েম হ’তে পারে না। হেদায়াত বা ইসলাম গ্রহণের স্বাভাবিক যোগ্যতা আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দান করেছেন। যেমন তিনি বলেন, فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّيْنِ حَنِيفًا فِطْرَتَ اللهِ الَّتِي فَطَرَ

ফিৎরাত, ঈমানদার, মুত্তাক্বী ও মুসলিম বিস্তারিত পডুন »

নাবীয পানীয়

নাবীয (نَبِيْذٌ) হ’ল খেজুর, আঙ্গুর, কিসমিস, মধু, গম ও যব ইত্যাদি ফল আলাদা ভাবে ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে ভিজিয়ে যে মিঠা শরবত পানীয় প্রস্তুত করা হয় তাকে নাবীয বলে। এটা সিডার জাতীয় পানীয়। ইহা পানে অনেক উপকার রয়েছে। তন্মধ্যে অন্যতম হ’ল শক্তিবর্ধক ও পাকস্থলীকে উর্বর করে। নাবীয পান করা বৈধ। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنْتَبَذُ لَهُ أَوَّلَ اللَّيْلِ فَيَشْرَبُهُ إِذَا أَصْبَحَ يَوْمَهُ ذَلِكَ وَاللَّيْلَةَ الَّتِى تَجِىءُ وَالْغَدَ وَاللَّيْلَةَ الأُخْرَى وَالْغَدَ إِلَى الْعَصْرِ فَإِنْ بَقِىَ شَىْءٌ سَقَاهُ الْخَادِمَ أَوْ أَمَرَ

নাবীয পানীয় বিস্তারিত পডুন »

Scroll to Top