আত্নশুদ্ধি

দরসে হাদীস : ঈমানের সাথে সিয়াম সাধনা

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. وَمَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. وَمَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় রামাযান মাসে সিয়াম পালন করবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় ’ইবাদাতে রাত কাটাবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে […]

দরসে হাদীস : ঈমানের সাথে সিয়াম সাধনা বিস্তারিত পডুন »

হারাম উপার্জনের কারণ ও ক্ষতিকর দিক সমূহ

লেখক : ড. ইহ্সান ইলাহী যহীর (কুমিল্লা) হালাল জীবিকা উপার্জন করা ইসলামে অত্যাবশ্যকীয়। হালাল জীবিকা আত্মিক ও মানসিক প্রশান্তির অন্যতম উপায়। পক্ষান্তরে হারাম উপার্জনে মানবজাতির ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত প্রশান্তি দূরীভূত হয়। ফলে কারূণী অর্থনীতির ধনকুবেররা টাকার বিছানা-বালিশে শয়ন করেও অশান্তির দাবানলে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। অপরদিকে হালাল উপার্জনকারী খেটে খাওয়া মানুষ দু’চারটে ডাল-ভাত খেয়েও নিশ্চিন্ত মনে শান্তিতে দিনাতিপাত করে। তাই দুনিয়া ও আখিরাতের সার্বিক কল্যাণ লাভের জন্য হালাল জীবিকা অর্জনে ব্রতী হওয়া প্রত্যেক মুসলিমের উপর অবশ্য কর্তব্য। শরী‘আতে হালাল পন্থায় সম্পদ উপার্জনের জন্য যেমন

হারাম উপার্জনের কারণ ও ক্ষতিকর দিক সমূহ বিস্তারিত পডুন »

মুমিন ব্যতীত অপর মুমিনের চরিত্রের সাক্ষ্য গ্রহণীয় নয়

একজন মানুষকে পূর্ণ মু’মিন হতে হলে তাকে অবশ্যই উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। কিয়ামতের দিন উত্তম চরিত্র হবে সবচেয়ে ওযনদার ‘আমল। এজন্যই অত্র হাদীসে বলা হয়েছে, পরিপূর্ণ মু’মিন হলো ঐ ব্যক্তি যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী চরিত্র ব্যাপক শব্দ। যার মধ্যে রয়েছে- সত্যবাদিতা, আমানতদারিতা, নম্রতা প্রভৃতি। রাসূলুল্লাহ (সা.) নবুওত প্রাপ্তির পূবেই এসকল গুণে গুণান্বিত হয়েছিলেন। অনুরূপ আমরা প্রকৃত মুমিন বা চরিত্রবান হতে চাইলে তা রপ্ত করার সাথে সাথে আমল বর্ধিত করতঃ মুমিনের সকল গুণাবলী রপ্ত করতে হবে। মু’মিনের আরো কিছু গুণ হলো সে হবে সহানুভূতিশীল, দয়ার্দ্র, কোমল

মুমিন ব্যতীত অপর মুমিনের চরিত্রের সাক্ষ্য গ্রহণীয় নয় বিস্তারিত পডুন »

মৃত্যু, প্রত্যেক জীবের অপ্রতিরোধ্য সঙ্গী

মানুষের জন্য উচিত নয় যে, সবচেয়ে বড় উপদেশের স্মরণ হতে উদাসীন থাকা আর তা হল মৃত্যু তথা মৃত্যুর স্মরণ। দুনিয়ার ভোগবিলাসের সুখময় স্বাদ বিনষ্টকারী জিনিস হলো মৃত্যু। তাই মৃত্যুকে বেশী বেশী স্মরণ করা উচিৎ। কেননা মৃত্যু প্রত্যেক জীবের জীবনে একটি অপ্রতিরোধ্য বন্ধু। মৃত্যুকে রোধ করার মত কোন বস্তু দুনিয়াতে নেই। জন্মিলে মরিতে হবে, চিরন্তন সত্য এ ভূবনে, সময় থাকতে আখের গোছাও সুধারনা পোষণ করো মরণে। মু’মিন ব্যক্তি দুনিয়াতে অবস্থান করবে বিদেশীর অবস্থানের মতো। সুতরাং তার অন্তরকে সম্পর্ক রাখবে না দূরবর্তী দেশের কোন কিছুর সাথে বরং

মৃত্যু, প্রত্যেক জীবের অপ্রতিরোধ্য সঙ্গী বিস্তারিত পডুন »

স্বামীকে কষ্ট দিয়ো না

মুমিন স্বামীর অবাধ্য হওয়া কুফরী। স্বামী তার স্ত্রীর পরিচালক এবং অভিভাবক, সে যে কোনো কাজে তাকে আহবান করে সে আহবানে তাকে সাড়া দেয়া আবশ্যক, বিশেষ করে তার জৈবিক চাহিদা পূরণের আহবানে তাকে অবশ্যই সাড়া দিতে হবে। অত্র হাদীস সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। সে যদি চুলায় রুটি তৈরিতেও লিপ্ত থাকে আর সে ছাড়া বিকল্প কোনো লোক না থাকে তবু তা মূলতবী রেখে স্বামীর আহবানে সাড়া দিবে। ইবনুল মালিক বলেন, এ রুটি যদি স্বামীর হয় তবেই এ হুকুম। কারণ স্বামী জানছে যে, সে রুটি তৈরিতে ব্যস্ত, এ সময়

স্বামীকে কষ্ট দিয়ো না বিস্তারিত পডুন »

ধৈর্য মু’মিন বান্দার জন্য অপরিহার্য

বিপদে হতাশ বা অধৈর্য হয়ে পড়া একদিকে যেমন ঈমানের পরিপন্থী, অপরদিকে তা মানবীয় ব্যক্তিতেরব চরম পরাজয়। হতাশা, অস্থিরতা বা উৎকণ্ঠা বিপদ দূর করেনা, বিপদের কষ্ট কমায় না বা বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার পথ দেখায় না। সর্বোপরি হতাশা বা ধৈর্যহীনতা স্বয়ং একটি কঠিন বিপদ যা মানুষকে আরো অনেক কঠিন বিপদের মধ্যে নিপতিত করে। পক্ষান্তরে ধৈর্য বিপদ দূর না করলেও তা বিপদ নিয়ন্ত্রণ করে, বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য শান্তভাবে চিন্তা করার সুযোগ দেয় এবং অস্থিরতা জনিত অন্যান্য বিপদের পথরোধ করে। সর্বোপরি বিপদে কষ্টে ধৈর্যের মাধ্যমে মুমিন আল্লাহর

ধৈর্য মু’মিন বান্দার জন্য অপরিহার্য বিস্তারিত পডুন »

তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি

আল্লাহভীতি মানুষের জীবনের মূল ভিত্তি। অধিক কুরআন হাদীস জানাতে কোন বাহাদুরী নেই, বরং তাক্বওয়াশীল মানুষ হলো সর্বোত্তম মর্যাদাপূর্ণ। তাই সদা সকল কাজে আল্লাহকে ভয় করে চলতে হবে। আল্লাহর তাক্বওয়া অর্জনের হক্ক আদায় করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ তাকওয়ার ঐ স্তর অর্জন কর, যা তাক্বওয়ার হক। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, তাকওয়ার হক হল, প্রত্যেক কাজে আল্লাহর আনুগত্য করা, আনুগত্যের বিপরীতে কোন কাজ না করা, আল্লাহকে সর্বদা স্মরণে রাখা- কখনো বিস্মৃত না হওয়া এবং সর্বদা তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা- অকৃতজ্ঞ না হওয়া। [ইবন কাসীর] তাক্বওয়া অর্থ

তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি বিস্তারিত পডুন »

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২

তাওহীদে বিশ্বাসী সালাফী মুমিন সদা আল্লাহরই সাহায্য প্রার্থনা করেন। তাঁরই নিকটে আশ্রয় ভিক্ষা করেন। তাঁরই ‘তাক্বদীরের’ ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস রেখে যথাসাধ্য ‘তদবীর’ করে চলেন। পরকালীন মুক্তির জন্য তারা শিরক ও বিদ‘আতমুক্ত এবং শরী‘আত অনুমোদিত নেক আমলকেই একমাত্র ‘অসীলা’ হিসাবে মনে করেন। যে সকল কথায় ও কর্মে শিরক ও বিদ‘আতের সামান্যতম ছিটে-ফোঁটা থাকে, তা হ’তে তারা দূরে থাকেন। কোন মানুষকে ‘ইলমে গায়েব’ বা অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী বলে তারা বিশ্বাস করেন না। নবী ব্যতীত অন্য কাউকে তারা মা‘ছূম বা নিষ্পাপ বলে মনে করেন না। শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে

আক্বীদার জিরক্স কপি নয়, মূলকপি চায়-২ বিস্তারিত পডুন »

loader-image

Scroll to Top